কম্বোডিয়ার প্রধান রফতানি পণ্যগুলোর মধ্যে অন্যতম রাবার। চীন ছাড়াও দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোয় সবচেয়ে বেশি রাবার রফতানি করে কম্বোডিয়া। চলতি বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) দেশটি থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যটির রফতানিতে প্রবৃদ্ধি বজায় ছিল। এ সময় প্রায় সোয়া লাখ টন ড্রাই রাবার রফতানি করেছেন কম্বোডিয়ার রফতানিকারকরা। এ সময় পণ্যটির রফতানি বাবদ দেশটির আয়ও বেড়েছে ১৫ শতাংশ। দেশটির জেনারেল ডিরেক্টরেট অব রাবারের অর্ধবার্ষিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। খবর সিনহুয়া।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি-জুন সময়ে কম্বোডিয়া থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে সব মিলিয়ে ১ লাখ ২৩ হাজার ১৫১ টন ড্রাই রাবার রফতানি হয়েছে। এক বছরের ব্যবধানে দেশটি থেকে পণ্যটির রফতানি বেড়েছে ১৮ শতাংশ। বছরের প্রথম ছয় মাসে কম্বোডিয়ার রফতানিকারকরা রাবার রফতানি করে সব মিলিয়ে ১৬ কোটি ৭ লাখ ডলার আয় করেছেন। এক বছরের ব্যবধানে রাবার রফতানি করে তাদের আয় ১৫ শতাংশ বেড়েছে।

তবে রফতানির পরিমাণ ও আয় বাড়লেও চলতি বছর কম্বোডিয়ায় রাবারের গড় দাম আগের তুলনায় কমে এসেছে। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে কম্বোডিয়ায় প্রতি টন ড্রাই রাবারের গড় দাম দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩০৫ ডলারে। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় দেশটিতে পণ্যটির গড় দাম কমেছে টনপ্রতি

৩৩ ডলার। গত জানুয়ারি-জুন সময়ে কম্বোডিয়া থেকে মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম. সিঙ্গাপুর ও চীনের বাজারে সবচেয়ে বেশি রাবার রফতানি হয়েছে। এবারের মৌসুমে দেশটিতে রাবারের আবাদ আগের তুলনায় বাড়িয়েছে কম্বোডিয়া। জেনারেল ডিরেক্টরেট অব রাবারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এবার কম্বোডিয়ায় রাবার চাষের আওতায় জমির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৪ হাজার ৭০১ হেক্টরে। এর আগের মৌসুমে দেশটিতে সব মিলিয়ে ২ লাখ ৫০ হাজার ১০৭ হেক্টর জমিতে রাবার চাষ হয়েছিল। তবে রাবার বাগান একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প হওয়ায় বাড়তি আবাদের সুফল পেতে আরো কয়েক বছর অপেক্ষা করতে হবে। এরপর দেশটিতে রাবার উৎপাদন ও পণ্যটির রফতানি দুটোই আরো বাড়তে পারে।