সেবা ও আবাসন খাতের কোম্পানি সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট লিমিটেডের আয় চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) আগের হিসাব বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২৮ শতাংশ কমেছে। আয় কমার ফলে আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট মুনাফাও কমেছে। কোম্পানিটির চলতি হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর-ডিসেম্বর) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্যানুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে সামিট অ্যালায়েন্স পোর্টের আয় হয়েছে ৩২২ কোটি টাকা, এর আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৪৪৬ কোটি টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী ২৫ কোটি ৭৮ লাখ টাকা নিট মুনাফা হয়েছে, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩৬ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৯৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৫২ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৪ টাকা ৪৭ পয়সায়।

সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৮ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে সামিট অ্যালায়েন্স পোর্টের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৮৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৭৫ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৫ টাকা ৬৭ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে সামিট অ্যালায়েন্স পোর্টের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৭৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ২২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৩ টাকা ৭১ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে সামিট অ্যালায়েন্স পোর্টের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ২২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ১৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৩ টাকা ১১ পয়সায়।

২০০৮ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সামিট অ্যালায়েন্স পোর্টের অনুমোদিত মূলধন ৩০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ২৩৬ কোটি ৯০ লাখ টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৫৮৭ কোটি ১২ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ২৩ কোটি ৬৮ লাখ ৬৭ হাজার ১২৩। এর ৬২ দশমিক ৬৮ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১০ দশমিক ৫৯, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক শূন্য ১ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ২৬ দশমিক ৭২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।