আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের চাহিদা ও সরবরাহে ভারসাম্য এনে দাম কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় উন্নীত করতে বৈশ্বিক উত্তোলন হ্রাস চুক্তি এগিয়ে নিচ্ছে জ্বালানি পণ্যটির রফতানিকারকদের জোট অর্গানাইজেশন অব দ্য পেট্রোলিয়াম এক্সপোর্টিং কান্ট্রিজ (ওপেক)। জোটের সদস্য না হলেও রাশিয়াসহ কয়েকটি দেশ চুক্তির শর্ত মেনে চলছে। এসব দেশ ওপেক প্লাস নামে পরিচিত। ওপেক প্লাসের পরবর্তী মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক পিছিয়ে ১৯ আগস্ট নির্ধারণ করা হয়েছে। খবর রয়টার্স।

জ্বালানি তেলের বাজার পরিস্থিতি নিয়ে পর্যালোচনা করতে নিয়মিত বৈঠকে বসেন ওপেক প্লাস জোটের জ্বালানি ও তেলমন্ত্রীরা। ১৮ আগস্ট পরবর্তী বৈঠকের সূচি নির্ধারিত ছিল। তবে আসন্ন বৈঠকের সূচি এদিন পিছিয়ে ১৯ আগস্ট পুনর্নির্ধারণ করেছে ওপেক প্লাস।

তবে মন্ত্রী পর্যায়ের এ বৈঠক পেছানোর কোনো কারণ জানায়নি জোটটি। নভেল করোনাভাইরাসের বৈশ্বিক মহামারীর কারণে ওপেক প্লাসের আসন্ন এ বৈঠক অনলাইনে ভিডিও কনফারেন্সে অনুষ্ঠিত হবে।

জয়েন্ট মিনিস্টারিয়াল মনিটরিং কমিটি (জেএমএমসি) নামের এ বৈঠকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের সর্বশেষ বাজার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হবে। এখন পর্যন্ত জ্বালানি পণ্যটির উত্তোলন হ্রাস চুক্তির অর্জন ও ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নিয়েও কথা বলবেন সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মন্ত্রীরা।

করোনাকালে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের রেকর্ড দরপতনের পর মে মাস থেকে উল্লিখিত চুক্তিটি নতুন করে এগিয়ে নিতে শুরু করেছে ওপেক প্লাস। ওই সময় বিশ্ব্বজুড়ে জ্বালানি তেলের দৈনিক গড় উত্তোলন ৯৭ লাখ ব্যারেল কমিয়ে আনার কথা বলা হয়। তবে চুক্তির শর্ত পুরোপুরি পালন করতে পারেনি ওপেক প্লাস।