মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারে সম্প্রতি শেষ হলো ২২তম ফুটবল বিশ্বকাপ। খেলাকে কেন্দ্র করে এ দেশসহ আশপাশের দেশগুলোয় দক্ষিণ কোরিয়ার খাবারের চাহিদা আগের তুলনায় বেড়েছে। কাতারে বিশ্বকাপে আগত দর্শক ও স্থানীয়দের কাছে দেশটির খাবার এরই মধ্যে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এর মাধ্যমে দক্ষিণ কোরিয়ার সংস্কৃতিও অঞ্চলটিজুড়ে বিস্তৃতি লাভ করেছে। ফলে বেশ কয়েকটি কোরিয়ান ফুড ফার্ম মধ্যপ্রাচ্যে তাদের ব্যবসা প্রসারিত করার পরিকল্পনা করেছে। দেশটির ফুড শিল্পের সঙ্গে জড়িত কয়েকজন কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন। খবর দ্য কোরিয়া টাইমস।

মধ্যপ্রাচ্যে দক্ষিণ কোরিয়ান খাবারের বাজারের ভালো সম্ভাবনা দেখা দেয়ায় দেশটির স্থানীয় ফুড সংস্থা সিজে চেইলজেডাং, ডেসাং, নংশিম ও সামিয়াং ফুডস ব্যবসা প্রসারিত করার পরিকল্পনা নিয়েছে। এছাড়া কয়েক বছর ধরে ইউটিউবের কনটেন্টের কারণে কোরিয়ান ফুড আইটেমগুলোও দ্রুত পরিচিতি লাভ করেছে। বর্তমানে প্রায় ২০ হাজার দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিক মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থান করছেন।

এরই মধ্যে বিশ্বকাপ চলাকালীন সিজে চেইলজেডাং শুষ্ক সামুদ্রিক শৈবাল, কিমচির মতো তাদের জনপ্রিয় খাবারগুলো বিক্রি করেছে। কাতারের রাজধানী দোহায় স্থানীয় ১০টি বড় ডিসকাউন্ট আলমেরা স্টোরগুলোয় এগুলো বিক্রি হয়েছে। বিশ্বকাপ শেষ হলেও এ ফুড সংস্থাটি ডিসেম্বর পর্যন্ত তাদের ব্যবসা চালিয়ে যাবে বলে ঘোষণা দিয়েছে। একই সঙ্গে ৬৮টি নতুন আলমেরা স্টোর চালুর মাধ্যমে ব্যবসা প্রসারিত করার পরিকল্পা নিয়েছে তারা।

সামিয়াং ফুডসের এক কর্মকর্তা জানান, চলতি বছরে শুধু কাতারে খাবার বিক্রির মাধ্যমে ১৫০ কোটি ওন বা ১১ লাখ ৩০ হাজার ডলার আয়ের প্রত্যাশা রয়েছে।