জার্মানিভিত্তিক ফ্রোজেন ফুড কোম্পানির প্রধান শাখা থাইল্যান্ডের ‘লেনক ফ্রোজেন ফুডস (এশিয়া) কোম্পানি লিমিটেডের (লেনক) সঙ্গে গত রোববার একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত জেমিনি সি ফুড লিমিটেড। এছাড়া কোম্পানি দুটি যৌথভাবে কাজের মাধ্যমে তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণ করে বৈশ্বিক বাজার খোঁজার উদ্যোগ নিয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের কোম্পানিটি।
চুক্তি অনুসারে, বিদেশী এ কোম্পানির কাঁচামাল তথা চিংড়ি জেমিনি সি ফুড প্রক্রিয়াকরণ করবে, যাতে কোম্পানিটি তাদের এ পণ্য রফতানিযোগ্য করে তুলতে পারে। এজন্য জেমিনি সি ফুডকে শতভাগ অগ্রিম পেমেন্ট করবে বিদেশী কোম্পানিটি। এছাড়া কোম্পানি দুটি যৌথভাবে কাজের মাধ্যমে তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণ করে বৈশ্বিক বাজার খোঁজার উদ্যোগ নিয়েছে। এর মাধ্যমে জেমিনি সি ফুডের ব্যবসার ব্যাকওয়ার্ড লিঙ্কেজ পরিধির উন্নতি হবে, যাতে কোম্পানিটির বৈশ্বিক বাজার বাড়ানোর পাশাপাশি ৫০ কোটি টাকা অতিরিক্ত আয় করা সম্ভব হবে। এছাড়া এ চুক্তি জেমিনি সি ফুডের উৎপাদন খরচ কমানোর পাশাপাশি ভবিষৎতে টিকে থাকার সক্ষমতা বাড়াবে।
২০২১-২২ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের মোট ৪০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে জেমিনি সি ফুড। এর মধ্যে ১০ শতাংশ নগদ ও ৩০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১২ টাকা ৪৯ পয়সা, যা আগের হিসাব বছরে ছিল ৭২ পয়সা। গত বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ১০ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ৯৩ পয়সা।
৩০ জুন সমাপ্ত ২০২০-২১ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে অন্য শেয়ারহোল্ডারদের ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে জেমিনি সি ফুড। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৭২ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৯ টাকা ৮৩ পয়সায়।
২০১৯-২০ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটি। ২০১৮-১৯ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দেয় তারা। ২০১৭-১৮ হিসাব বছরে ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। এছাড়া ২০১৬-১৭ হিসাব বছরের জন্য ১২৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ পেয়েছিলেন শেয়ারহোল্ডাররা।










