চট্টগ্রামের একটি হোটেলে গতকাল ইউনিলিভার বাংলাদেশ লিমিটেড (ইউবিএল), চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) এবং ইয়ং পাওয়ার ইন সোশ্যাল অ্যাকশনের (ইপসা) মধ্যে এ-সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর হয়েছে। এ সময় প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দুজন বর্জ্য সংগ্রাহক ও দুজন স্ক্র্যাপ ক্রেতাকে সম্মাননাও দেয়া হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন; ইউনিলিভার বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রুহুল কুদ্দুস খান এবং করপোরেট অ্যাফেয়ার্স, পার্টনারশিপস ও কমিউনিকেশনসের পরিচালক শামিমা আক্তার। এছাড়া ছিলেন ইপসার প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও মোহাম্মদ আরিফুর রহমান এবং চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্টরা।
প্রকল্পসংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, কমিউনিটি সম্পৃক্ততা কার্যক্রমের মাধ্যমে এখন পর্যন্ত ২৫ হাজার পরিবার ও ১০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থীর কাছে সচেতনতা বার্তা পৌঁছেছে। ২০২২ সালের জুন থেকে চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত ৩২ হাজার টনের বেশি প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ করা হয়েছে, যার প্রায় ৭০ শতাংশই ছিল ফ্লেক্সিবল প্লাস্টিক।
জানা গেছে, ২০২২ সাল থেকে চলমান এ প্রকল্পের আওতায় চসিকের ৪১টি ওয়ার্ডে তিন হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও ২২০ জন স্ক্র্যাপ ক্রেতাকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। এছাড়া দুই হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে নিরাপত্তা সরঞ্জাম সরবরাহ করা হয়েছে। পাশাপাশি ২০২৫ সালে চালু হওয়া গ্রুপ লাইফ ইন্স্যুরেন্স সুবিধার আওতায় ১ হাজার ৮২৭ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী দুর্ঘটনা বা অক্ষমতাজনিত আর্থিক সুরক্ষার আওতায় এসেছেন।
অনুষ্ঠানে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে কার্যকর করতে সরকারি-বেসরকারি ও সিভিল সোসাইটির সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি।’
ইউনিলিভার বাংলাদেশের সিইও রুহুল কুদ্দুস খান জানান, প্লাস্টিক বর্জ্য সংকট মোকাবেলায় দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা ও কাঠামোগত পরিবর্তন প্রয়োজন।
এ সময় ইপসার সিইও মোহাম্মদ আরিফুর রহমান বলেন, ‘এ উদ্যোগ পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সংগঠিত কাঠামোর আওতায় আনছে, যা তাদের আয়, নিরাপত্তা ও সামাজিক স্বীকৃতি বাড়াতে সহায়তা করছে।’










