পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বহুজাতিক কোম্পানি রেকিট বেনকিজার (বাংলাদেশ) পিএলসির ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘এএএ’ এবং স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-১’। কোম্পানিটির সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, গত ৩০ জুন পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণা দিন পর্যন্ত অন্যান্য প্রাসঙ্গিক গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (ক্রিসল)।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৫ হিসাব বছরে রেকিট বেনকিজারের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৭২ টাকা ৯৩ পয়সা, এর আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৫৯ টাকা ১৭ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৮৭ টাকা ৫৮ পয়সায়। আলোচ্য হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১ হাজার ৭৩০ শতাংশ চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল কোম্পানিটি।
২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের রেকর্ড ৩ হাজার ৩৩০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে রেকিট বেনকিজারের ইপিএস হয়েছে ১৫৯ টাকা ১৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৭৩ টাকা ৬৫ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৫০ টাকা ৬৪ পয়সায়।
২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫৫০ শতাংশ চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে রেকিট বেনকিজারের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১৭৩ টাকা ৬৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৩৯ টাকা ৫০ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২৫২ টাকা ৬৯ পয়সায়।
২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৯৮০ শতাংশ চূড়ান্ত নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে রেকিট বেনকিজার। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১৩৯ টাকা ৫০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৭১ টাকা ৩ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭৬ টাকা ৮০ পয়সায়।
২০২১ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১ হাজার ৬৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে রেকিট বেনকিজারের ইপিএস হয়েছে ১৭১ টাকা ৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৫৬ টাকা ৩৮ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ২০০ টাকা ৬৫ পয়সায়।
১৯৮৭ সালে দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত রেকিট বেনকিজারের অনুমোদিত মূলধন ২৫ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৪ কোটি ৭২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৮৫ কোটি ৩২ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৪৭ লাখ ২৫ হাজার। এর ৮২ দশমিক ৯৬ শতাংশ শেয়ারই রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া সরকারের কাছে ৩ দশমিক ৭৭, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৬ দশমিক ৭৯, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক শূন্য ১ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৬ দশমিক ৪৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।










