ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মেলবন্ধনের জন্য তুরস্কের খ্যাতি পুরনো। দর্শনীয় স্থানের পাশাপাশি দেশটির আকর্ষণ হয়ে উঠেছে চা ও কফির বিশেষায়িত পরিবেশন এবং জিভে পানি আনা মিষ্টান্ন বাকলাভা। ইস্তানবুল, আঙ্কারা, আন্টালিয়া ও ব্রোডামের মতো সুন্দর শহরের দেশ ২০২৩ সালে রেকর্ড ৪ কোটি ৯২ লাখ পর্যটক পেয়েছে। এ খাতে আয় হয়েছে ৫ হাজার ৪৩০ কোটি ডলার। বিশ্লেষকরা বলছেন, তুরস্কের দীর্ঘদিনের রাজস্ব ঘাটতি কাটানোর অন্যতম উৎস হতে পারে পর্যটন খাত। দেশটির পর্যটন মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ২০২৩ সালে বিদেশী পর্যটকের সংখ্যা বেড়েছে ১০ দশমিক ৪ শতাংশ। রাজস্ব বাড়ার হার ছিল ১৭ শতাংশ। বৈশ্বিক মহামারী কভিড-১৯-এর প্রাদুর্ভাব থেকে তুরস্কও বাদ যায়নি। ২০১৯ সালে পর্যটন খাত থেকে আয় করেছিল ৩ হাজার ৮৪০ কোটি ডলার। পরের দুই বছর তা অর্ধেকে নেমে যায়। মহামারী-পরবর্তী সফল ব্যবস্থাপনার কারণেই তুরস্ক ২০২২ সালে পর্যটন খাতে উল্লেখযোগ্য মাত্রায় পুনরুদ্ধার নিশ্চিত করতে পেরেছে বলে দাবি দেশটির সাংস্কৃতিক ও পর্যটকমন্ত্রী মেহমেত নুরী এরসয়ের। ওই বছর পর্যটন শিল্প থেকে আসে ৪ হাজার ৬৪৮ কোটি ডলার। মন্ত্রী বলেন, ‘২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারির ভূমিকম্প ও মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক দ্বন্দ্বের পরও রেকর্ডসংখ্যক পর্যটক পেয়েছে তুরস্ক।’ উত্তর আমেরিকা থেকে শুরু করে জার্মানিসহ ইউরোপের বাসিন্দারা ভ্রমণের জন্য বেছে নিচ্ছেন তুরস্ক। দেশটির অর্থমন্ত্রী মেহমেত সিমসেক মনে করেন. চলতি বছর তুরস্কে আসা বিদেশী পর্যটক সংখ্যায় ২০২৩ সালকে ছাড়িয়ে যাবে। খবর ও ছবি ডেইলি সাবা