জাপানের দুটি কারখানায় গাড়ি উৎপাদন ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে দেবে হোন্ডা মোটর। সরবরাহ ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতা ও লজিস্টিকস বাধার কারণে এ পদক্ষেপ নিচ্ছে জাপানি গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি। আগামী মাসের শুরুতে গাড়ি উৎপাদন কমানো হচ্ছে।
রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চিপসহ অন্যান্য যন্ত্রাংশের ঘাটতি এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতার কারণে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী গাড়ি উৎপাদন করতে হিমশিম খাচ্ছে প্রতিষ্ঠানগুলো। এমন পরিপ্রেক্ষিতে হোন্ডা আবারো গাড়ি উৎপাদন কমানোর ঘোষণা দিল। এটি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, চলতি অর্থবছরের (এপ্রিল-মার্চ) দ্বিতীয়ার্ধেও গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হবে।
প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, অক্টোবরের শুরুতে পশ্চিম জাপানে হোন্ডার সুজুকা কারখানার দুটি লাইনে উৎপাদন প্রায় ৪০ শতাংশ কমিয়ে দেয়া হবে। পাশাপাশি টোকিওর উত্তরে সাইতামা প্রদেশে প্রতিষ্ঠানটির কারখানায় উৎপাদন আগের পরিকল্পনার চেয়ে প্রায় ৩০ শতাংশ কমিয়ে দেবে।
এছাড়া চলতি মাসের বাকি সময়ে সাইতামায় প্রায় ৪০ শতাংশ ও সুজুকায় প্রায় ২০ শতাংশ গাড়ির উৎপাদন কমানো হবে বলেও জানিয়েছে হোন্ডা। উৎপাদন কমানোর কারণ হিসেবে কভিডজনিত বিধিনিষেধ, চিপ ঘাটতি ও লজিস্টিকস বাধাকে দায়ী করা হয়েছে। এ পদক্ষেপের কারণে ভেজেল স্পোর্ট ইউটিলিটি ভেহিকল (এসইউভি), স্টেপওয়াগন
মিনিভ্যান ও সিভিক কমপ্যাক্ট কারসহ বিভিন্ন মডেলের গাড়ি উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
এর আগেও কারখানা দুটিতে উৎপাদন কমিয়েছে হোন্ডা। গত জুনে কারখানাগুলোয় উৎপাদন স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরেছিল। তবে পরের মাস থেকে আবারো উৎপাদন কমানো-বাড়ানো হয়।










