তরল দুধ ও দুগ্ধপণ্য উৎপাদন এবং রফতানিতে নিউজিল্যান্ডের খ্যাতি বিশ্বজোড়া। বিদায়ী বছরে দেশটি থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে মাখন রফতানিতে প্রায় ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির দেখা মিলেছে। মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিসের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। খবর এগ্রিমানি।

নিউজিল্যান্ড বিশ্বের শীর্ষ মাখন রফতানিকারক দেশ। ইউএসডিএর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালে নিউজিল্যান্ড থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে সব মিলিয়ে ৫ লাখ ২৫ হাজার টন মাখন রফতানি হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৪ দশমিক ৭৯ শতাংশ বেশি। ২০১৮ সালে দেশটি মোট ৫ লাখ ১ হাজার টন মাখন রফতানি করেছিল। এক বছরের ব্যবধানে নিউজিল্যান্ড থেকে দুগ্ধপণ্যটির রফতানি বেড়েছে ২৪ হাজার টন।

গত এক দশকের অধিকাংশ সময়ই নিউজিল্যান্ডের মাখন রফতানি খাতে প্রবৃদ্ধি বজায় ছিল বলে জানিয়েছে ইউএসডিএ। প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, ২০১০ সালে নিউজিল্যান্ড থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে সব মিলিয়ে ৪ লাখ ২৯ হাজার টন মাখন রফতানি হয়েছিল। পরের বছর দেশটি থেকে দুগ্ধপণ্যটির রফতানি ৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ৪ লাখ ৪৯ হাজার টনে।

বাড়তে বাড়তে ২০১৪ সালে নিউজিল্যান্ডের মাখন রফতানি ইতিহাসের সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছায়। ওই বছর দেশটি থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে সব মিলিয়ে ৫ লাখ ৬০ হাজার টন মাখন রফতানি হয়েছিল।

তরল দুধ উৎপাদনে চাঙ্গা ভাব বজায় থাকলে ও বছরজুড়ে গো-খাদ্যের সংকট দেখা না দিলে ২০২০ সালেও নিউজিল্যান্ডের মাখন রফতানিতে চাঙ্গা ভাব বজায় থাকার জোরালো সম্ভাবনা দেখছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।