বাংলাদেশ এয়ার অ্যারাবিয়ার গুরুত্বপূর্ণ রুটগুলোর একটিতে পরিণত হয়েছে। গত ১৭ বছরে বাংলাদেশে ধারাবাহিকভাবে বড় হয়েছে এয়ার অ্যারাবিয়ার বাজার। এয়ার অ্যারাবিয়ার ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষে গতকাল ঢাকার একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন প্রতিষ্ঠানটির চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার (সিইও) আদেল আব্দুল্লাহ আল আলী।
তিনি বলেন, ‘এয়ার অ্যারাবিয়া হলো বাজেট আকাশ পরিবহন সংস্থা (লো কস্ট ক্যারিয়ার অপারেটর বা এলসিসি)। এর সফল ব্যবসায়িক মডেল বাংলাদেশের অভিবাসী শ্রমিকদের স্বল্প খরচে আকাশ পরিবহন সেবা দিতে সক্ষম হচ্ছে।’
বাংলাদেশকে একটি ভালো উদীয়মান বাজার হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এখানে সংগঠিতভাবে সফল প্রবৃদ্ধি হচ্ছে। এ প্রবৃদ্ধি বাংলাদেশ থেকে ভ্রমণের সুযোগও বাড়িয়ে দিয়েছে।’
তিনি জানান, বিশ্ববাজারে এয়ার অ্যারাবিয়ার মূল লক্ষ্য স্বল্প খরচে মানুষকে বিমান পরিষেবা দেয়া। প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রতিষ্ঠানটি এ লক্ষ্য সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে পেরেছে। বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সহযোগিতা পেলে বাংলাদেশ থেকে এয়ার অ্যারাবিয়া আরো কম খরচে যাত্রী পরিবহন সেবা দিতে সক্ষম হবে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০০৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক এ উড়োজাহাজ পরিষেবা সংস্থা। সংযুক্ত আরব আমিরাত (শারজাহ, আবুধাবি, রাস আল খাইমাহ), মরক্কো, মিসর, আর্মেনিয়া ও পাকিস্তানে রয়েছে এয়ার অ্যারাবিয়ার সাতটি কৌশলগত হাব। এসব হাব থেকে ৫০টি দেশের ১৯০টির বেশি আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ রুটে উড়োজাহাজ পরিষেবা দিয়ে আসছে প্রতিষ্ঠানটি।
আরো জানানো হয়, এয়ার অ্যারাবিয়া ২০০৭ সাল থেকে বাংলাদেশে সেবা দিয়ে আসছে। শুরুতে চট্টগ্রাম থেকে সরাসরি ফ্লাইট চালু করে প্রতিষ্ঠানটি। ২০০৮ সালের জুনে রাজধানী ঢাকা থেকেই উড়োজাহাজ পরিষেবা চালু করে এয়ার অ্যারাবিয়া। বর্তমানে ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে শারজাহ এবং দুবাই রুটে সপ্তাহে ৫৭টি বিরতিহীন উড়োজাহাজ চলাচল করছে।










