বস্ত্র খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি সিঅ্যান্ডএ টেক্সটাইলস লিমিটেডের উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) কর্মকর্তারা গতকাল কোম্পানিটির কারখানা পরিদর্শনে গিয়ে কার্যক্রম বন্ধ দেখতে পান। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সিকিউরিটিজ আইনানুসারে কারখানা কার্যক্রম বন্ধ থাকলে সে তথ্য বিনিয়োগকারীদের জানানোর বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে স্টক এক্সচেঞ্জকে এ-সংক্রান্ত কোনো তথ্য জানায়নি কোম্পানিটি।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৪ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৩ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি সমন্বিত লোকসান ছিল ১১ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ৩ টাকা ৬৩ পয়সায়।
২০২৩ হিসাব বছরে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১০ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ৩ টাকা ৮১ পয়সায়।
এর আগে ২০১৭ থেকে ২০২২ পর্যন্ত শুধু ২০২২ হিসাব বছরে লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। ২০২২ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে শুধু সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য দশমিক ৪০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের ঘোষণা দিয়েছিল সিঅ্যান্ডএ টেক্সটাইলসের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১০ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৫ টাকা ৭ পয়সা।
২০১৫ সালে পুঁজিবাজারে আসা সিএন্ডএ টেক্সটাইলের অনুমোদিত মূলধন ৩০০ কোটি, পরিশোধিত মূলধন ২৩৯ কোটি ৩১ লাখ ৬০ হাজার ও পুঞ্জীভূত লোকসান ৩৩০ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ২৩ কোটি ৯৩ লাখ ১৬ হাজার। এর মধ্যে ৭ দশমিক ১০ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে, ১০ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও বাকি ৮২ দশমিক ৮৬ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীর হাতে রয়েছে।









