তুলা উৎপাদনকারী বৈশ্বিক শীর্ষ দেশের তালিকায় পাকিস্তানের অবস্থান পঞ্চম।
তবে চলতি মৌসুমে দেশটিতে পণ্যটির উৎপাদনে মন্দা বজায় রয়েছে। ২০১৯-২০ মৌসুমের শুরু থেকে ১ ফেব্রুয়ারি
পর্যন্ত এরই মধ্যে দেশটিতে কৃষিপণ্যটির উৎপাদন আগের মৌসুমের একই সময়ের তুলনায় ১৯ দশমিক ৯৮ শতাংশ বা ২১ লাখ
১৯ হাজার বেল (প্রতি বেলে ১৭০ কেজি) কমেছে। পাকিস্তান কটন জিনার্স অ্যাসোসিয়েশনের (পিসিজিএ) সর্বশেষ পাক্ষিক
প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। খবর ডন।
স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি তাপমাত্রা
ও অনুন্নত বীজের কারণে দেশটিতে তুলার ফলনে নিম্নমুখী প্রবণতা বজায় রয়েছে, যা কৃষিপণ্যটির সামগ্রিক
উৎপাদন ব্যাপক হারে কমিয়ে দিচ্ছে বলে পিসিজিএর প্রতিবেদনে জানানো
হয়েছে।
এ সময়ে মধ্যে পাকিস্তানের পাঞ্জাব
প্রদেশের তুলা উৎপাদন রেকর্ড কমে গেছে।
পিসিজিএর তথ্য অনুযায়ী, মৌসুমের শুরু থেকে ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রদেশটিতে মোট ৫০ লাখ
১৪ হাজার বেল তুলা উৎপাদন হয়েছে, যা আগের মৌসুমের একই সময়ের তুলনায় ২২ দশমিক ৩৯ শতাংশ কম। আগের
মৌসুমে এ সময়ে প্রদেশটিতে ৬৪ লাখ ৬১ হাজার বেল তুলা উৎপাদন হয়েছিল। সে হিসাবে
এক বছরের ব্যবধানে পাঞ্জাবে পণ্যটির উৎপাদন কমেছে ১৪ লাখ ৪৭ হাজার বেল।
একই পরিস্থিতি বজায় রয়েছে সিন্ধু
প্রদেশেও। সিন্ধুতে এ সময় ৪৫ লাখ ৭৩ হাজার বেল তুলা উৎপাদন হয়েছে, আগের মৌসুমের তুলনায়
যা ১৬ দশমিক ২১ শতাংশ বা ৬ লাখ ৭২ হাজার বেল কম। আগের মৌসুমের শুরু থেকে ১ ফেব্রুয়ারি
পর্যন্ত প্রদেশটিতে মোট ৪১ লাখ ৪৫ হাজার বেল তুলা উৎপাদন হয়েছিল।









