সিঙ্গাপুরের জ্বালানি তেলবহির্ভূত রফতানিতে পতন আরো গভীর হয়েছে। ইলেকট্রনিকস পণ্যের দুর্বল চাহিদার কারণে অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করছেন যে এ খাতের পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে পারে। কারণ বিশ্বজুড়ে মন্দার ঝুঁকির কারণে চাহিদা আরো কমবে এবং এটি এশিয়ার নগর রাষ্ট্রের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। খবর স্ট্রেইটস টাইমস।

বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বোর্ড এন্টারপ্রাইজ সিঙ্গাপুরের তথ্য অনুসারে, জ্বালানি তেলবহির্ভূত রফতানি নভেম্বরে এক বছর আগের তুলনায় ১৪ দশমিক ৬ শতাংশ সংকুচিত হয়েছে। প্রায় দুই বছর ধরে প্রবৃদ্ধিতে থাকার পর টানা দ্বিতীয় মাসের মতো এ রফতানি নিম্নমুখী রয়েছে।

গত সপ্তাহে বেসরকারি খাতের অর্থনীতিবিদরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন, ব্যবসায়িক অংশীদার দেশগুলোয় মন্দার ঝুঁকির কারণে আগামী বছর সিঙ্গাপুরের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তারা ২০২৩ সালের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ১ শতাংশীয় পয়েন্ট কমিয়ে ১ দশমিক ৮ শতাংশে নামিয়ে এনেছেন।

তবে গত মাসে জ্বালানি তেলবহির্ভূত রফতানি অর্থনীতিবিদদের পূর্বাভাসের চেয়েও অনেক গভীর। ব্লুমবার্গের জরিপে অর্থনীতিবিদরা ৭ দশমিক ৪ শতাংশ সংকোচনের পূর্বাভাস দিয়েছিলেন। এ হার অক্টোবরের ৬ দশমিক ১ শতাংশ পতনের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। মাসভিত্তিক হিসেবে নভেম্বরে জ্বালানি তেলবহির্ভূত রফতানি ৯ দশমিক ২ শতাংশ কমেছে। যেখানে অক্টোবরে এ রফতানি আগের মাসের তুলনায় ৪ দশমিক ২ শতাংশ কমেছিল।

নভেম্বরে ইলেকট্রনিকস রফতানি বছরওয়ারি ২০ দশমিক ২ শতাংশ কমেছে। যেখানে অক্টোবরে রফতানি কমার হার ছিল ৯ দশমিক ৩ শতাংশ। এ সময় ইলেকট্রনিকসের বাইরের পণ্য রফতানি এক বছর আগের তুলনায় ১২ দশমিক ৮ শতাংশ কমেছে। যেখানে এক মাস আগেও এ পতনের হার ৫ দশমিক ১ শতাংশে ছিল।