কভিডের বিপর্যয় কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে এয়ারলাইনস খাত। বিধিনিষেধ শিথিলের পর বিশ্বজুড়ে উড়োজাহাজ ভ্রমণের চাহিদা বেড়েছে। চাহিদার সঙ্গে সংগতি রেখে কর্মী সংকটে পড়েছে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ। এ অবস্থায় আবারো ১০ হাজারেও বেশি ফ্লাইট বাতিলের ঘোষণা দিতে যাচ্ছে যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রীয় উড়োজাহাজ পরিবহন সংস্থাটি। সম্প্রতি সংস্থাটি চলতি মাসের সময়সূচি থেকে ১ হাজার ৫০০ ফ্লাইট স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছিল। বিবিসির একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ আগস্ট থেকে অক্টোবর পর্যন্ত সময়সূচি থেকে আরো ১০ হাজার ৩০০টি ফ্লাইট কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরের এপ্রিল থেকে অক্টোবরের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির প্রায় ৩০ হাজার ফ্লাইট বাতিল হতে যাচ্ছে। নতুন পরিকল্পিত ফ্লাইটগুলো লন্ডনের হিথ্রো, গ্যাটউইক ও সিটি বিমানবন্দর থেকে ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল। কভিডজনিত বিধিনিষেধ শিথিলের পর উড়োজাহাজ ভ্রমণের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় পুরো এয়ারলাইনস খাত কর্মী ঘাটতি মোকাবেলা করছে।
ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ বলেছে, পুরো এভিয়েশন খাত ক্রমেই উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে। গ্রাহকদের ভ্রমণের নিশ্চয়তা দিতে আমরা আমাদের কার্যক্রমে স্থিতিস্থাপকতা তৈরিতে সম্পূর্ণ মনোযোগ দিচ্ছি।
ব্রিটিশ ম্যাগাজিন হুইস? এর ভ্রমণ বিভাগের সম্পাদক ররি বোল্যান্ড বলেন, সাম্প্রতিক বাতিলের মাধ্যমে গ্রীষ্মকালীন ফ্লাইট পরিচালনায় ব্যর্থতার প্রমাণ দিয়েছে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ। সংস্থাটি ফ্লাইটগুলোর প্রচার ও টিকিট বিক্রি করেছে। অথচ ফ্লাইটগুলো পরিচালনার সক্ষমতা নেই। এ কারণে সংস্থাটির হাজার হাজার গ্রাহক বাতিলকরণের বিশৃঙ্খলার









