রফতানি খাতে একটি পণ্যের ওপর নির্ভরশীলতা একটি দেশ ও তার অর্থনীতির জন্য ভালো নয় বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি ফারুক হাসান। গতকাল ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) কার্যালয়ে বাংলাদেশ আরএমজি অ্যান্ড সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট শীর্ষক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন উপলক্ষে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিইউবিটির ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মো. ফাইয়াজ খান। এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন বিকেএমইএর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর আখতার হুসেন, বিল্ড বাংলাদেশের সিইও ফেরদৌস আরা বেগম, কটন গ্রুপের পরিচালক ও বিএওয়াইএলএ সদস্য মাঈশা মাহমুদ, টেক্সটাইল টুডে, বাংলাদেশের সম্পাদক ও প্রকাশক ইলাহি দাদ খান, গ্রন্থটির রচয়িতা ড. মোহাম্মদ হাসান প্রমুখ।

তিনি বলেন, ‘গার্মেন্টসের সাপ্লাই চেইনে অনেক ধরনের পণ্য লাগে। আমরাও সবসময় ভ্যালু অ্যাড করার চেষ্টা করছি। গার্মেন্টসে টেকসই উন্নতি হয়েছে এবং এ খাত সঠিক পথেই আছে। গার্মেন্টসে কাজ করার ক্ষেত্রে বয়সসীমা কমিয়ে আনার বিষয়ে এখন কথা বলা দরকার।’

বিকেএমইএর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংককে সার্কুলার প্রকাশ করে ডেফার্ড পেমেন্টে রফতানি বন্ধ করার উদ্যোগ নিতে হবে। এ পদ্ধতিতে রফতানি অনেক ঝুঁকিপূর্ণ। যেকোনো সময় ব্যবসায়ীদের আর্থিকভাবে লোকসান হওয়ার ঝুঁকি থাকে এখানে। গার্মেন্টস সেক্টরে আমাদের বিনিয়োগের আকার বাড়ছে, এর সঙ্গে এ খাতে ঝুঁকিও বাড়ছে। তাই ডেফার্ড পেমেন্টে এ রফতানি বন্ধে দ্রুত উদ্যোগ নিতে হবে।’ এছাড়া এফওসিতে শতভাগ রফতানি করতে পারলে সেটা সম্পূর্ণ ঝুঁকিমুক্ত। তাই এ পদ্ধতিতে ৫০ ভাগ রফতানির সুযোগকে বাড়িয়ে ১০০ ভাগ করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টদের ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বলেন তিনি।

বিল্ড বাংলাদেশের সিইও ফেরদৌস আরা বেগম বলেন, ‘বিভিন্ন কারণে দেশে ৪ হাজার ১৮৭টি বন্ড লাইসেন্স সাসপেন্ড হয়ে রয়েছে। কী কারণে সেটা হয়েছে তা বইয়ে তুলে ধরা হয়েছে।’