ফিউচার মার্কেটে গতকাল কমেছে মালয়েশীয় পাম অয়েলের দাম। প্রতিদ্বন্দ্বী অন্যান্য ভোজ্যতেলের দাম কমা ও রিঙ্গিতের বিনিময়মূল্য বৃদ্ধি এতে প্রভাবক হিসেবে কাজ করেছে। এর মধ্য দিয়ে টানা দ্বিতীয় বছরের মতো বার্ষিক দাম কমেছে পণ্যটির। খবর বিজনেস রেকর্ডার।
বুরসা মালয়েশিয়া ডেরিভেটিভস এক্সচেঞ্জে গতকাল মার্চে সরবরাহ চুক্তিতে পাম অয়েলের দাম কমেছে ১ দশমিক ১২ শতাংশ বা ৪২ রিঙ্গিত। টনপ্রতি মূল্য নেমেছে ৩ হাজার ৬৯৭ রিঙ্গিতে বা ৮০৬ ডলার ৩২ সেন্টে।
এদিকে এ বছর পাম অয়েলের বার্ষিক গড় দাম ১১ শতাংশ কমতে যাচ্ছে। ২০২৩ সালে আবহাওয়ায় এল নিনোর বৈরী প্রভাবে এশিয়ার বৃহৎ অঞ্চলজুড়ে শুষ্কতা ছড়িয়ে পড়েছে। এতে উৎপাদন কমায় ভোজ্যতেলটির দাম কিছুটা বাড়তি ছিল। বিশ্লেষকরা বলছেন, সরবরাহ ঝুঁকি না থাকলে এ বছর পণ্যটির দাম আরো কমে যেত।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, ২০২৪ সালের প্রথমার্ধ পর্যন্ত এল নিনোর প্রভাব অব্যাহত থাকবে। ফলে নতুন বছরও বিশ্বজুড়ে পাম অয়েলের উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।










