কভিড-১৯ মহামারীর অভিঘাত কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে সৌদি আরবের উড়োজাহাজ পরিবহন খাত। এরই ধারাবাহিকতায় চলতি দশকের শেষ নাগাদ ৩৩ কোটি যাত্রী ও ২৫০টি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে যাত্রী পরিবহনের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে দেশটি। যদিও এর জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে বেসরকারি ও বিদেশী বিনিয়োগ প্রয়োজন বলে জানান সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা। খবর আরব নিউজ।
এ বিষয়ে জেনারেল অথরিটি অব সিভিল অ্যাভিয়েশনের (জিএসিএ) প্রধান কৌশলবিদ মোহাম্মেদ আলখুরাইসি বলেন, পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড (পিআইএফ) আমাদের প্রধান অংশীদার। এ রকম একটি বিনিয়োগ পাওয়ারহাউজ পেয়ে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। এছাড়া আমাদের সহযোগিতাও প্রয়োজন। বেসরকারি খাত থেকে বিনিয়োগ আসা প্রয়োজন। পিআইএফের পাশাপাশি আমাদের দরকার বিদেশী বিনিয়োগও।
ভবিষ্যতে সৌদিকে লজিস্টিকস হাবে পরিণত করার লক্ষ্য রয়েছে জিএসিএর। এর জন্য ২০৩০ সালের মধ্যে ৪৫ লাখ কার্গো পরিবহনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। মোহাম্মেদ আলখুরাইসি জানান, বিধিনিষেধ শিথিল করার ক্ষেত্রে আমরা কী করব এ বিষয়ে একটি পরিষ্কার রোডম্যাপ আমাদের কাছে আছে। পরিবহন ও লজিস্টিকস পরিষেবা মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় আমরা এ নিয়মগুলো প্রবর্তন করব।
এদিকে বর্তমানে জিএসিএ শুধু কোনো অপারেটর নয়, বরং নিয়ন্ত্রকের ভূমিকায় রয়েছে বলে জানান মোহাম্মেদ আলখুরাইসি।
আগে বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনা করত জিএসিএ। বর্তমানে সে বিষয়ে একটি আলাদা বিভাগ করা হয়েছে।
মহামারীর কবলে পড়ে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় উড়োজাহাজ পরিবহন খাত। এ খাত পুনরুদ্ধারে কী কী পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন তা তুলে ধরেন মোহাম্মেদ আলখুরাইসি।








