মালয়েশিয়ার বাজারে পাম অয়েলের বড় ধরনের দরপতন দেখা দিয়েছে। সর্বশেষ কার্যদিবসে পণ্যটির দাম আগের দিনের তুলনায় কমেছে প্রায় দেড় শতাংশ। একই সঙ্গে জানুয়ারিতে মালয়েশীয় পাম অয়েলের মাসভিত্তিক দাম পাঁচ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি কমেছে। বিশ্বজুড়ে চীনা করোনাভাইরাসের দ্রুত বিস্তারের কারণে রফতানি কমার আশঙ্কা মালয়েশীয় পাম অয়েলের দরপতনে প্রভাবক হিসেবে কাজ করেছে বলে জানান খাতসংশ্লিষ্টরা। খবর রয়টার্স ও স্টার অনলাইন।
বুরসা মালয়েশিয়া ডেরিভেটিভস এক্সচেঞ্জে সর্বশেষ কার্যদিবসে এপ্রিলে সরবরাহ চুক্তিতে প্রতি টন অপরিশোধিত পাম অয়েল ২ হাজার ৬০৯ রিঙ্গিত বা ৬৪১ ডলার ৮২ সেন্টে বিক্রি হয়েছে, যা আগের দিনের তুলনায় ১ দশমিক ৬ শতাংশ কম। জানুয়ারিতে পণ্যটির দাম আগের মাসের তুলনায় ১১ দশমিক ৫ শতাংশ কমেছে। এর মধ্য দিয়ে মালয়েশীয় পাম অয়েলের মাসভিত্তিক দাম ২০১৪ সালের আগস্টের পর সবচেয়ে বেশি কমেছে।
বিশ্বজুড়ে চীনা করোনাভাইরাসের বিস্তারে স্বাস্থ্যগত জরুরি অবস্থা জারি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। এর ফলে সাধারণ মানুষের ভ্রমণ অনেকটাই কমে আসবে। শ্লথ হয়ে পড়তে পারে ব্যবসা-বাণিজ্য। বিশেষত বিশ্বের শীর্ষ পাম অয়েল আমদানিকারক চীনে পণ্যটির চাহিদা ও আমদানি কমে আসতে পারে।
বছরের শুরুতে মালয়েশিয়া থেকে পাম অয়েল আমদানি বন্ধ করে দিয়েছে ভারত। এখন করোনাভাইরাসের কারণে চীনও আমদানি বন্ধ করলে বা কমালে মালয়েশিয়ার পাম অয়েল রফতানি খাত বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। এ আশঙ্কা থেকে পণ্যটির দাম কমতে শুরু করেছে।








