বিশটি
পাবলিক
বিশ্ববিদ্যালয়ের
কর্তৃপক্ষ
২০২০-২১
শিক্ষাবর্ষের
ভর্তি
পরীক্ষার্থীদের
ভোগান্তি
কমাতে
এবং
অর্থ
ও
সময়
বাঁচাতে
গুচ্ছ
পদ্ধতিতে
ভর্তি
প্রক্রিয়া
চালু
করে।
কিন্তু
বাস্তবে
দেখা
যায়
তার
বিপরীত
চিত্র।
এবারো
কি
এ
সমন্বিত
পদ্ধতিতে
ভর্তি
পরীক্ষা?
এ
প্রশ্নের
উত্তরে
বিভিন্ন
বিশ্ববিদ্যালয়ের
শিক্ষক
ও
শিক্ষার্থীদের
মতামত
তুলে
ধরেছেন
বরিশাল
বিশ্ববিদ্যালয়ের
সমাজবিজ্ঞান
বিভাগের
শিক্ষার্থী
ফারহানা ইয়াসমিন
বিশ্ববিদ্যালয়ের
ভর্তি পরীক্ষা
আগের নিয়মেই
হওয়া দরকার
গুচ্ছ
পদ্ধতিতে
ভর্তি
পরীক্ষার
উদ্দেশ্য
ছিল
শিক্ষার্থীদের
ভোগান্তি
লাঘব
করা।
কিন্তু
বাস্তবে
শিক্ষার্থীদের
ভোগান্তি
কিংবা
হয়রানি
লাঘব
হওয়ার
পরিবর্তে
এতে
নতুন
মাত্রা
যোগ
হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের
ভোগান্তি
বেড়েছে
অনেক
বেশি।
এ
পদ্ধতির
আরেকটা
উদ্দেশ্য
ছিল
শিক্ষার্থীরা
নিজ
নিজ
জেলা
কিংবা
বিভাগে
পরীক্ষা
দেবেন
কিন্তু
অনেক
শিক্ষার্থীকে
এক্ষেত্রে
পোহাতে
হয়েছে
চরম
দুর্ভোগ।
কারণ
তাদের
অন্য
জেলা
বা
বিভাগে
গিয়ে
পরীক্ষা
দিতে
হয়েছে।
এছাড়া
একজন
শিক্ষার্থী
যেসব
বিশ্ববিদ্যালয়ের
জন্য
চয়েস
দিয়েছিলেন,
পরে
যখন
ভর্তি
কার্যক্রম
শুরু
হয়
তখন
অন্য
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয়
সুযোগ
পাবেন
কিনা,
কাঙ্ক্ষিত
বিষয়
পাবেন
কিনা—এমন
অনিশ্চয়তায়
প্রথমে
একটা
বিশ্ববিদ্যালয়ে
ভর্তি
হতে
হয়েছে।
এক্ষেত্রে
অধিকাংশ
শিক্ষার্থী
কাঙ্ক্ষিত
বিষয়টি
পাচ্ছেন
না।
পরে
অন্য
বিশ্ববিদ্যালয়ে
কাঙ্ক্ষিত
বিষয়
পেলে
ভর্তি
হওয়া
বিশ্ববিদ্যালয়
থেকে
ভর্তি
বাতিল
করে
নতুন
করে
আবার
ভর্তি
হতে
হচ্ছে।
এতে
শিক্ষার্থীদের
অতিরিক্ত
খরচের
পাশাপাশি
মানসিক
চাপও
বাড়ছে।
গুচ্ছ
পদ্ধতির
আরেকটা
অসুবিধা
হচ্ছে
পরীক্ষা
শেষ
হওয়ার
পাঁচ
মাস
পার
হলেও
এখনো
অনেক
বিশ্ববিদ্যালয়
ভর্তি
কার্যক্রম
শেষ
করতে
পারছে
না।
বারবার
মেধা
তালিকা
প্রকাশ
করেও
শিক্ষার্থী
পাচ্ছে
না।
ফলে
আসন
ফাঁকা
রেখেই
শ্রেণী
কার্যক্রম
শুরু
করতে
হচ্ছে।
ভর্তি
প্রক্রিয়ার
দীর্ঘসূত্রতার
কারণে
সেশনজটের
সৃষ্টি
হচ্ছে।
সার্বিক
প্রেক্ষাপট
অনুযায়ী
গুচ্ছ
পদ্ধতি
বাদ
দিয়ে
পুরাতন
পদ্ধতিতেই
ফিরে
আসা
দরকার।
ড. জান্নাতুল ফেরদৌস: সহযোগী
অধ্যাপক
লোকপ্রশাসন
বিভাগ, কুমিল্লা
বিশ্ববিদ্যালয়
ভর্তি
পরীক্ষা হতে
হবে শিক্ষার্থীবান্ধব
আমাদের
দেশে
উচ্চশিক্ষা
অর্জনের
কেন্দ্রবিন্দু
হলো
পাবলিক
বিশ্ববিদ্যালয়গুলো।
মাধ্যমিক
ও
উচ্চ
মাধ্যমিকের
গণ্ডি
পেরিয়ে
শিক্ষার্থীদের
স্বপ্ন
ঘুরতে
থাকে
উচ্চশিক্ষা
অর্জনের
এ
কেন্দ্রবিন্দুগুলোয়।
এরই
ধারাবাহিকতায়
শিক্ষার্থীদের
ভর্তি
পরীক্ষায়
অংশগ্রহণ
করে
যোগ্যতার
ছাপ
রেখে
বিশ্ববিদ্যালয়ে
ভর্তি
হতে
হয়।
এ-যাবত্কাল
বিশ্ববিদ্যালয়গুলো
নিজস্ব
পদ্ধতি
অনুযায়ী
ভর্তি
পরীক্ষার
সময়,
সিলেবাস,
প্যাটার্নসহ
যাবতীয়
খুঁটিনাটি
বিষয়
নির্ধারণ
করত
এবং
শিক্ষার্থীরা
সেগুলো
অনুসরণ
করে
দেশের
পাবলিক
বিশ্ববিদ্যালয়ে
ভর্তি
হওয়ার
সুযোগ
পেতেন।
এর
মাঝে
মেডিকেলের
সমন্বিত
ভর্তি
পরীক্ষাকে
মাথায়
রেখে
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও
এমন
একটি
সমন্বিত
পরীক্ষা
নেয়ার
কথা
ভাবছিল।
ঠিক
এমন
সময়
ভয়াবহ
করোনা
মহামারীর
কারণে
এ
ভাবনার
বাস্তব
প্রয়োগ
শুরু
হয়।
উল্লেখ্য,
এ
গুচ্ছ
পদ্ধতির
মাধ্যমে
সময়
ও
অর্থ
বাঁচিয়ে
শিক্ষার্থীরা
কোনো
ভোগান্তি
ছাড়া
ভর্তি
পরীক্ষায়
অংশগ্রহণ
করে
নিজের
পছন্দমতো
এবং
ক্ষেত্রবিশেষে
পছন্দের
এলাকায়
অবস্থিত
বিশ্ববিদ্যালয়ে
পড়ার
সুযোগ
পাবেন
বলে
ধারণা
করা
হয়েছিল।
কিন্তু
বাস্তবে
ঘটেছে
তার
বিপরীত।
সময়
ও
অর্থের
যেমন
অপচয়
হচ্ছে,
তেমনি
ভোগান্তিও
বেড়েছে
শিক্ষার্থীদের
মাঝে।
এমনকি
গণবিজ্ঞপ্তি
প্রকাশ
সত্ত্বেও
নির্ধারিত
আসন
সংখ্যা
পূরণ
হচ্ছে
না।
ফলে
আসন
ফাঁকা
রেখেই
ক্লাস
শুরু
করতে
বাধ্য
হচ্ছে
কোনো
কোনো
বিশ্ববিদ্যালয়।
এ
অবস্থায়
অনেক
বিশ্ববিদ্যালয়ই
গুচ্ছ
থেকে
বেরিয়ে
যাওয়ার
সিদ্ধান্ত
নিয়েছে।
আমি
মনে
করি,
এক্ষেত্রে
উন্নয়নের
জন্য
প্রয়োজন
ইতিবাচক
পরিবর্তন।
কাঁটা
দেখে
পথ
পরিবর্তন
নয়,
কাঁটা
সরিয়ে
পথ
চলাই
হতে
পারে
উত্তম
সমাধান।
আর
তাই
প্রথাগত
ভর্তি
পরীক্ষা
ভেঙে
যখন
গুচ্ছ
পদ্ধতি
চালু
হয়েছে,
তখন
এ
গুচ্ছ
পদ্ধতিকে
আরো
শক্তিশালী
ও
কার্যকর
করে
শিক্ষার্থীবান্ধব
করতে
হবে।
যেমনটা
মেডিকেলের
ভর্তি
পরীক্ষার
ক্ষেত্রে
দেখা
যায়।
সুরাইয়া জেবিন: সহকারী
অধ্যাপক, আইন
বিভাগ
বঙ্গবন্ধু
শেখ মুজিবুর
রহমান বিজ্ঞান
ও প্রযুক্তি
বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ
পদ্ধতির
আরো উন্নতি
জরুরি
বিশ্ববিদ্যালয়ে
ভর্তিযুদ্ধে
অবতীর্ণ
শিক্ষার্থীদের
হয়রানি
প্রতি
বছরের
নিয়মিত
আলোচনার
বিষয়
হয়ে
দাঁড়িয়েছিল।
এ
সমস্যার
কারণে
একজন
শিক্ষার্থীর
অর্থ
ও
সময়
তো
নষ্ট
হয়ই,
তাছাড়া
শিক্ষার্থীদের
অনিশ্চয়তা
মাথায়
নিয়ে
ভর্তিযুদ্ধে
অংশগ্রহণ
করতে
হয়।
তবে
সবচেয়ে
জনপ্রিয়
যে
ভোগান্তি
সমাধানটি
গত
এক
দশকেরও
বেশি
সময়
ধরে
আলোচনায়
এসেছিল,
তা
ছিল
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর
একটি
সমন্বিত
ভর্তি
পরীক্ষা
পদ্ধতি
চালু
করা।
তারই
ফল
গুচ্ছ
পদ্ধতি
(জিএসটি বা
জেনারেল
অ্যান্ড
সায়েন্স
অ্যান্ড
টেকনোলজি)।
গুচ্ছ
পদ্ধতি,
তবে
কেন
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর
জন্য
পৃথক
শর্ত
থাকবে?
শিক্ষার্থীদের
আবেদন
যাচাই-বাছাই
করতে
যে
টেকনিক্যাল
কমিটি
গঠন
করা
হয়,
তাদেরকে
আরো
দায়িত্বশীল
হয়ে
কাজ
করা
প্রয়োজন।
জেলা-উপজেলা
অনুযায়ী
বিশ্ববিদ্যালয়ের
গবেষণার
সুযোগ
দিয়ে
শিক্ষার্থীদের
মান
বাড়ানোর
চেষ্টা
করতে
হবে।
যেন
শিক্ষার্থীরা
তাদের
এলাকার
বিশ্ববিদ্যালয়ে
ভর্তি
হতে
আগ্রহ
প্রকাশ
করেন।
গুচ্ছ
ভর্তি
পরীক্ষার
অন্যতম
উদ্দেশ্য
ছিল
শিক্ষার্থীদের
ভোগান্তি
কমানো।
তবে
বাস্তবে
তার
প্রতিফলন
হয়নি।
বরং
ভোগান্তি
বেড়েছে
অনেক
বেশি।
প্রতিটি
বিশ্ববিদ্যালয়ের
ওয়েবসাইটকে
তথ্যসমৃদ্ধ
করা
জরুরি।
উল্লেখ্য,
উচ্চমাধ্যমিকের
ধাপ
পেরিয়ে
শিক্ষার্থীরা
যদি
নিজ
নিজ
পছন্দের
বিষয়ে
বিশ্ববিদ্যালয়
খুঁজে
পান
তাহলে
তারা
আর
ছুটে
বেড়াবেন
না।
একজন
শিক্ষার্থী
আর
একাধিক
বিশ্ববিদ্যালয়ে
আবেদনও
করবেন
না।
সুতরাং
এর
মধ্য
দিয়ে
শিক্ষার্থী
ও
বিশ্ববিদ্যালয়
উভয়ই
অবশ্যই
নিজস্ব
ধারার
মধ্য
দিয়ে
আলোকিত
হওয়ার
পথ
খুঁজে
পাবে।
আবু সালেম: প্রভাষক,
দর্শন বিভাগ,
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়
উন্নয়নে
গবেষণা প্রয়োজন
অনেক
প্রত্যাশা
নিয়ে
গুচ্ছ
পদ্ধতির
যাত্রা
হলেও
তার
ছিটেফোঁটা
পূরণ
করতে
পারেনি।
বরং
ভর্তি
কার্যক্রমে
বেড়েছে
দুর্ভোগ,
জটিলতা
ও
সমন্বয়হীনতা।
যা
বর্তমানে
প্রকট
আকার
ধারণ
করেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের
ইতিহাসে
প্রথমবারের
মতো
গণবিজ্ঞপ্তির
ঘটনা
ঘটেছে,
যা
সত্যি
দুঃখজনক
এবং
ভবিষ্যতে
মেধা
যাচাই
করার
ক্ষেত্রে
বড়
অন্তরায়
হিসেবে
দেখা
হচ্ছে।
এর
পেছনে
গুচ্ছ
পদ্ধতি
যে
অনেকাংশ
দায়ী
তা
অস্বীকার
করার
সুযোগ
নেই।
নিদারুণ
হলেও
সত্য,
এখন
পর্যন্ত
গুচ্ছ
পদ্ধতিতে
অংশগ্রহণ
করা
অধিকাংশ
বিশ্ববিদ্যালয়
ভর্তি
কার্যক্রম
সম্পন্ন
করতে
পারেনি।
কিন্তু
এরই
মধ্যে
কয়েকটি
বিশ্ববিদ্যালয়ে
পাঠদান
শুরু
করেছে।
ফলে
বিলম্বে
ভর্তি
হওয়া
শিক্ষার্থীর
বড়
অংশ
ক্লাস
থেকে
বঞ্চিত
হচ্ছে।
শুধু
তা-ই
নয়,
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয়
যেখানে
আনাচে
কানাচে
থেকে
বিভিন্ন
সংস্কৃতি
থেকে
উঠে
আসা
শিক্ষার্থী
ভর্তি
হওয়ার
কথা
ছিল,
সেখানে
গুচ্ছের
ফলে
শ্রেষ্ঠ
বিদ্যাপীঠগুলো
আঞ্চলিকতার
রূপ
নিচ্ছে।
এছাড়া
এক
বিশ্ববিদ্যালয়
ভর্তি
হয়ে
আবার
অন্য
বিশ্ববিদ্যালয়ে
ভালো
সাবজেক্টের
সুযোগ
পেলে,
অর্থাৎ
ভর্তি
বাতিল
করে
পুনরায়
ভর্তি
হওয়া
ব্যয়বহুল
ও
কষ্টসাধ্য।
এছাড়া
অনেক
জটিলতা
রয়েছে।
তাই
বলা
যায়,
গুচ্ছ
পদ্ধতিকে
নির্ভুল
করতে
দীর্ঘমেয়াদি
গবেষণা
ও
নিখুঁত
পরিকল্পনা
করতে
হবে।
আর
যাতে
বর্তমান
ত্রুটিগুলো
নিষ্পত্তি
করা
যায়।
এক্ষেত্রে
সব
বিশ্ববিদ্যালয়ের
এক
কাতারে
দাঁড়ানোর
কোনো
বিকল্প
নেই।
মো. রাশেদ আহমেদ: শিক্ষার্থী,
ব্যবস্থাপনা বিভাগ,
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়,
কুষ্টিয়া
সব
নিয়মের সুষ্ঠু
বাস্তবায়ন নিশ্চিত
করা হোক
গুচ্ছ
পদ্ধতি
হলো
সাধারণ,
বিজ্ঞান
ও
প্রযুক্তি
বিশ্ববিদ্যালয়সহ
দেশের
মোট
২০টি
বিশ্ববিদ্যালয়
কর্তৃক
একই
প্রশ্নে
একই
সময়ে
দেশের
বিভিন্ন
অঞ্চলে
অনুষ্ঠিত
ভর্তি
প্রক্রিয়া;
যা
২০২০-২১
শিক্ষাবর্ষে
প্রথমবারের
মতো
চালু
হয়।
এর
মূল
লক্ষ্য
হলো
শিক্ষার্থীদের
আর্থিক
কষ্ট
লাঘব,
ভোগান্তি
দূরীকরণ,
সময়ের
সাশ্রয়
ও
হয়রানি
বন্ধ
করা;
যা
শিক্ষার্থী,
শিক্ষক
ও
অভিভাবকদের
মধ্যে
এক
নতুন
আশার
সঞ্চার
করেছিল।
কিন্তু
পরিতাপের
বিষয়,
এই
আশা
এখন
হতাশায়
নিমজ্জিত।
গুচ্ছ
পদ্ধতির
আর্থিক
কষ্ট
লাঘব
বিষয়টা
খতিয়ে
দেখলে
দেখা
যায়,
শিক্ষার্থীদের
গুচ্ছ
এবং
বিশ্ববিদ্যালয়ে
আলাদা
ফি
বহন
করতে
হচ্ছে।
ফলে
শিক্ষার্থীদের
দুবার
টাকা
খরচ
করতে
হচ্ছে,
যা
শিক্ষার্থীর
আর্থিক
কষ্ট
লাঘবের
চেয়ে
খরচের
বোঝা
ভারী
করেছে।
এ
পদ্ধতিতে
নেই
কোনো
সেকেন্ড
টাইম
ভর্তির
সুযোগ।
ফলে
এক
বছর
বাদ
পড়ে
যাওয়া
হাজার
হাজার
মেধাবী
শিক্ষার্থীর
স্বপ্ন
যেন
অধরাই
থেকে
যাচ্ছে।
আসন
বিন্যাসের
ক্ষেত্রেও
গুচ্ছ
পদ্ধতি
শিক্ষার্থীর
ভোগান্তি
নিরসনে
সক্ষম
হয়ে
উঠতে
পারেনি।
গুচ্ছ
পদ্ধতির
একটি
সমালোচনা
বেশ
প্রখর
হয়ে
উঠেছে।
এ
পদ্ধতিতে
শিক্ষার্থীরা
নিজ
নিজ
অঞ্চলকে
প্রাধান্য
দেয়ার
ফলে
বিভিন্ন
অঞ্চলের,
বিভিন্ন
সংস্কৃতির
সঙ্গে
পরিচয়
হওয়ার
সুযোগ
যেন
বস্তাবন্দি
হতে
চলেছে।
অতএব,
গুচ্ছ
পরীক্ষা
পদ্ধতির
সব
নিয়মের
সুষ্ঠু
বাস্তবায়ন
নিশ্চিত
করা
হোক,
নয়
তো
গুচ্ছ
পদ্ধতি
বাতিল
করা
হোক।
তৌহিদা আকতার: শিক্ষার্থী,
রাজনীতি বিজ্ঞান
বিভাগ, চট্টগ্রাম
বিশ্ববিদ্যালয়
নিজস্বতা
বজায় রাখুক
বিশ্ববিদ্যালয়গুলো
কিছুদিন
আগেও
ভর্তি
পরীক্ষা
মানে
ছিল
চিন্তার
সঙ্গে
আনন্দঘন
একটি
পরিবেশ,
নতুন
জায়গা,
নতুন
ক্যাম্পাস
দেখার
উৎসাহ।
নির্ঘুম
রাত,
চিন্তা,
উত্কণ্ঠা,
পাবলিকায়ন
হওয়ার
তীব্র
ইচ্ছা।
এ
সবকিছু
ম্লান
হয়ে
যেত
যখন
নতুন
একটা
জেলায়,
নতুন
একটা
ক্যাম্পাসে,
নতুন
অভিজ্ঞতা
নিয়ে,
নতুন
কিছু
মানুষের
সঙ্গে
পরিচিত
হতো।
হ্যাঁ,
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয়
আলাদাভাবে
ভর্তি
পরীক্ষা
হওয়ার
জন্য
হয়তো
কষ্ট
করে
এক
বিশ্ববিদ্যালয়
থেকে
অন্য
বিশ্ববিদ্যালয়ে
যেতে
হতো,
যেটি
একটি
সময়সাপেক্ষ
এবং
ব্যয়বহুল
ব্যাপার;
তবুও
তখন
ভর্তি
পরীক্ষাগুলো
অনুষ্ঠিত
হতো
একটি
উৎসবমুখর
পরিবেশে।
বর্তমানে
গুচ্ছ
ভর্তি
পরীক্ষা
পদ্ধতিতে
যে
আগের
সমস্যাগুলো
কমেছে
এমন
নয়,
বরং
হয়রানি
আরো
ব্যাপকভাবে
বেড়েছে।
ভুল
কেন্দ্রে
সিট
পড়া,
বারবার
বিভিন্ন
বিশ্ববিদ্যালয়
থেকে
সিট
বাতিল
করাসহ
নানা
ধরনের
জটিল
সমস্যার
সম্মুখীন
হতে
হয়েছে
গুচ্ছ
ভর্তি
পরীক্ষার
পরীক্ষার্থীদের।
ফলে
আগের
ভর্তি
পদ্ধতির
তুলনায়
দ্বিগুণ
অর্থদণ্ড,
দ্বিগুণ
চিন্তা
ও
দ্বিগুণ
হয়রানির
শিকার
হতে
হয়েছে
পরীক্ষার্থী
ও
অভিভাবকদের।
অচিরেই
এ
গুচ্ছ
পদ্ধতি
বাতিল
ঘোষণা
করা
উচিত
এবং
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে
তাদের
নিজস্ব
পদ্ধতিতে,
নিজস্ব
ধারায়
ঐতিহ্যের
সঙ্গে
ভর্তি
পরীক্ষা
নেয়ার
ব্যবস্থা
করে
দেয়া
অতিজরুরি।
নওরিন নুর
তিষা,
শিক্ষার্থী, দর্শন
বিভাগ
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়










