২৩ মার্চ তখন
পাকিস্তান
দিবস
হিসেবে
পালিত
হতো।
পশ্চিম
পাকিস্তান
ও
পূর্ব
পাকিস্তানে
রাষ্ট্রপতি
থাকলে
তিনি,
না
থাকলে
তার
প্রতিনিধিত্ব
যিনি
করতেন,
অর্থাৎ
গভর্নর
সামরিক
বাহিনীর
কুচকাওয়াজের
অভিবাদন
নিতেন।
সারা
দেশে
পাকিস্তানের
পতাকা
উড়ত।
কিন্তু
একাত্তরে
আমরা
স্বাধীন
বাংলা
কেন্দ্রীয়
ছাত্র
সংগ্রাম
পরিষদের
তরফ
থেকে
সিদ্ধান্ত
গ্রহণ
করে
ইশতেহারের
মাধ্যমে
জানিয়ে
দিলাম,
এবার
২৩
মার্চ
পাকিস্তানের
পতাকার
পরিবর্তে
স্বাধীন
বাংলার
পতাকা
উড়বে।
তখন প্রতিদিনই
একেকটা
সিদ্ধান্ত
আসত,
কিছু
আসত
বঙ্গবন্ধুর
পক্ষ
থেকে।
যে
কথাটা
সংসদীয়
রাজনীতির
কারণে
বঙ্গবন্ধু
বলতে
পারতেন
না,
বাধা-নিষেধ
ছিল,
যেমন
২৩
মার্চ
পাকিস্তানের
পতাকা
উঠবে
না
স্বাধীন
বাংলার
পতাকা
উঠবে—এ
কথা
শাসনতান্ত্রিক
বাধ্যবাধকতার
জন্য
তার
পক্ষে
ঘোষণা
করা
সম্ভব
ছিল
না।
তাছাড়া
স্বাধীন
বাংলার
পতাকা
ওড়ালে
তাকে
বিচ্ছিন্নতাবাদী
আখ্যায়িত
করতে
পারে
এ
আশঙ্কা
তো
ছিলই।
তারা
কর্নেলিয়াসকে
এনেছিল,
আপনারা
জানেন,
বঙ্গবন্ধুকে
প্রধানমন্ত্রী
হিসেবে
শপথ
নেয়ানোর
জন্য।
বঙ্গবন্ধু
প্রধানমন্ত্রী
হতেন
না।
কিন্তু
একটি
মুহূর্তের
জন্যও
আওয়ামী
লীগের
তরফ
থেকে
কর্নেলিয়াসকে
ফেরত
যেতে
বলা
হয়নি।
কারণ
আমরা
জানতাম
তারা
২৫
মার্চ
হোক,
২৬
মার্চ
হোক,
২৭
মার্চ
হোক
আমাদের
ওপর
আক্রমণ
করবেই।
তারা
সর্বপ্রকার
প্রস্তুতি
নিচ্ছিল।
পশ্চিম
পাকিস্তান
থেকে
অস্ত্র
আনছিল।
জাহাজ
বোঝাই
করে
সৈন্য
আনছিল।
আমরা
কিন্তু
সবকিছু
অবগত
ছিলাম।
তারা
এটাকে
তাদের
শক্তির
বাহন
হিসেবে
ব্যবহার
করেছে।
তারা
বিশ্বাস
করত
এই
নিরীহ,
নিরস্ত্র
বাঙালিকে
হত্যা
করলেই,
তাদের
ওপর
নির্মমভাবে
ঝাঁপিয়ে
পড়লেই
আন্দোলন
স্তব্ধ
হয়ে
যাবে।
আমরা
বিশ্বাস
করতাম
জনগণকে
যদি
ঐক্যবদ্ধ
করতে
পারি,
একটি
চেতনার
মোহনায়
এনে
দাঁড়
করাতে
পারি
তাহলে
ওদের
ওই
অস্ত্রের
শক্তিকে
এই
নিরস্ত্র
মানুষই
মোকাবেলা
করবে।
সেই
কারণে
২৩
মার্চ
পতাকা
উত্তোলনের
সিদ্ধান্তটি
স্বাধীন
বাংলা
কেন্দ্রীয়
ছাত্র
সংগ্রাম
পরিষদের
পক্ষ
থেকে
আসে
এবং
আমি
বহু
অনুষ্ঠানে
বলেছি,
স্বাধীন
বাংলা
কেন্দ্রীয়
ছাত্র
সংগ্রাম
পরিষদ
শুধু
একটি
আন্দোলন
পরিচালনা
করার
কোনো
সংগঠন
ছিল
না;
বঙ্গবন্ধুর
হূদয়ের
প্রতিধ্বনি
ছিল।
যে
কথাটি
শাসনতান্ত্রিক
বাধ্যবাধকতার
জন্য
তিনি
বলতে
পারতেন
না
বা
বলা
সম্ভব
হতো
না,
সেটি
উচ্চারিত
হতো,
প্রতিধ্বনিত
হতো,
জনসম্মুখে
প্রচারিত
হতো
স্বাধীন
বাংলা
কেন্দ্রীয়
ছাত্র
সংগ্রাম
পরিষদের
সিদ্ধান্ত
অনুযায়ী।
আমরা
অবশ্য
তার
কাছ
থেকে
পরামর্শ
এমনকি
অনুমতিও
নিতাম
বিভিন্ন
পদক্ষেপ
গ্রহণের
ব্যাপারে।
২৩ মার্চ
ঘোষণা
দেয়ার
পরে
আমরা
ওদেরকে,
ওদের
শক্তিকে
পুরোপুরি
চ্যালেঞ্জ
করার
জন্য
কর্মসূচি
দিলাম,
পল্টন
ময়দানে
আনুষ্ঠানিকভাবে
স্বাধীন
বাংলার
পতাকা
উঠবে,
ব্যান্ড
বাজবে,
কুচকাওয়াজ
হবে,
পাকিস্তান
সামরিক
বাহিনীর
মতো
সেই
কুচকাওয়াজ
হবে।
জয়বাংলা
বাহিনী
৩২
নম্বর
ধানমন্ডি
পর্যন্ত,
অর্থাৎ
বঙ্গবন্ধুর
বাসভবন
পর্যন্ত
যাবে
এবং
আনুষ্ঠানিকভাবে
স্বাধীন
বাংলার
পতাকা
বঙ্গবন্ধুর
হাতে দেয়া
হবে।
সেদিন
মঞ্চে
আমরা
চারজন—আমি,
আ
স
ম
আব্দুর
রব,
আব্দুল
কুদ্দুস
মাখন
ও
শাহজাহান
সিরাজ
দাঁড়ালাম।
আমাদের
খসরু,
মন্টু,
সেলিম
জয়
বাংলা
বাহিনীর
জেনারেল
সেজে
ব্যান্ডের
তালে
তালে
পতাকাটা
নিয়ে
মার্চপাস্ট
করে
গেল।
আমরা
অভিবাদন
নিলাম।
পল্টন
তখন
ওই
কুচকাওয়াজের
মধ্যে
আর
সীমাবদ্ধ
থাকল
না,
এক
বিশাল
জনসমুদ্রে
পরিণত
হলো।
ওখান
থেকে
আমরা
৩২
নং-এ
রওনা
হলাম।
রাস্তা
যত
বাড়ছে
জনতার
ঢল
তত
নামছে,
জনতার
স্রোত
তত
বাড়ছে।
বঙ্গবন্ধু
নিচে
গেটের
কাছে
নেমে
এলেন।
ছোট্ট
পরিসরে
লাখ
লাখ
লোক।
ওর
মধ্যে
বঙ্গবন্ধুর
হাতে
আনুষ্ঠানিকভাবে
আমাদের
সেই
সামরিক
ভাব
বজায়
রেখে
পতাকাটি
তুলে
দিলাম।
এরপর
হাইকোর্ট
থেকে
শুরু
করে,
প্রধান
বিচারপতির
বাসভবন,
সচিবালয়
থেকে
শুরু
করে
৯৯
শতাংশ
বাঙালির
গৃহে
স্বতঃস্ফূর্তভাবে
৫৪
হাজার
বর্গমাইলের
মানচিত্র
আঁকা
পতাকাটি
উড়ল।
কিন্তু
মিরপুর
আর
মোহাম্মদপুর,
যেটা
অবাঙালি
অধ্যুষিত
ছিল,
সেই
জায়গাটিতে
উড়ল
পাকিস্তানের
পতাকা।
আমরা
বেদনাহত
চিত্তে
তা
লক্ষ
করলাম।
তার
পরপরই
আমরা
ইশতেহারে
বলে
দিলাম—‘যারা
২৩
মার্চকে
সম্মান
করে
নাই,
পতাকা
দিবসকে
সম্মান
করে
নাই,
যারা
এখনো
পাকিস্তানের
সঙ্গে
একাত্মতা
ঘোষণা
করছে
তাদের
গ্যাস,
পানি
এবং
বিদ্যুতের
সংযোগ
বিচ্ছিন্ন
করে
দাও।’
এ
কথাটা
নিশ্চয়ই
সেদিন
কোনো
সংসদীয়
দলের
নেতার
পক্ষে
বলা
সম্ভব
ছিল
না।
যাহোক,
সঙ্গে
সঙ্গে
তাদের
বিদ্যুৎ
সংযোগ,
গ্যাস
সংযোগ
ও
পানি
সংযোগ
বিচ্ছিন্ন
হয়ে
গেল।
আমার মনে
আছে
মাখন,
শহীদ,
রশীদ,
কাজী
ফিরোজ,
মহসীন,
মাসুদ
এসএম
হলের
জিএসসহ
আমরা
তিনটা
জিপ
নিয়ে
বঙ্গবন্ধুর
কাছে
গেলাম।
বিশেষ
করে
যে
আজকেই
ক্র্যাকডাউন
হবে
এই
তথ্য
যখন
আমরা
পেয়ে
গেলাম
তখন
ওই
খবরটাও
দেয়া
আমাদের
লক্ষ্য
ছিল।
তো
ওই
খবর
দিতে
গিয়ে
দেখি
বঙ্গবন্ধু
বারান্দায়
পায়চারি
করছেন।
আমাদের
দেখার
পরে
বললেন,
শোন,
ওরা
কিন্তু
আত্মসমর্পণ
করেছে।
আমার
কাছে
এসেছে
অবাঙালিরা।
তারাও
এ
দেশে
স্বাধীনতা
যুদ্ধের
সঙ্গে
সম্পৃক্ত
থাকতে
চায়,
তারাও
এই
সংহতি
ঘোষণা
করতে
চায়।
মাখন,
আলম
তোমরা
গিয়ে
ওদের
কাছ
থেকে
সাক্ষ্য
নিয়ে
নাও,
ওদের
আনুগত্যটা
নিয়ে
নাও।
মোহাম্মদপুরে
সলিমুল্লাহ
সাহেব
বলে
এক
ভদ্রলোক
ছিলেন,
তার
বাসায়
আমরা
গেলাম।
তিনি
ছিলেন
বর্তমানের
গায়ক
ও
নৃত্যশিল্পী
সাদী
মোহাম্মদ,
শিবলী
মোহাম্মদের
বাবা।
গিয়ে
দেখি
কেমন
যেন
একটা
গুমোট
পরিবেশ।
উপস্থিত
বিহারী
নেতাদের
কেউ
কেউ
আমাদের
উদ্দেশ
করে
বলছেন,
‘চৌধুরী
সাবকো
থোড়া
আনা
হ্যায়,
ওতো
রাহা
মে
হ্যায়,
আতাই
হ্যায়,
থোড়া
খানা
খাকে
যানা’—এইসব।
সে
রাতেই
ক্র্যাকডাউন
হবে
এ
খবর
তো
তাদের
কাছেও
আছে।
ওইখানেই
আমাদের
শেষ
করে
দেয়ার
একটা
উদ্দেশ্য
তাদের
ছিল।
২৩
মার্চ
যারা
পতাকা
ওড়ায়নি,
তারাই
আনুগত্য
প্রকাশ
করার
একটা
মিথ্যা
আশ্বাস
দিয়ে
আমাদের
নিয়ে
গিয়েছিল
সেখানে।
তাদের
একটা
নীলনকশা
ছিল
ওইখানে
একটা
অঘটন
ঘটানোর।
আল্লাহ
হায়াত
রেখেছিল
বলে
আমরা
তড়িঘড়ি
করে
সে
রাতে
বেরিয়ে
আসতে
পেরেছিলাম।
ওবায়েদ ভাইসহ
মাখন,
শহীদ,
কাজী
ফিরোজ,
মহসীন,
মাসুদ
আমরা
অনেকে
(অনেক নাম
আমার
এখন
মনে
পড়ছে
না)
বঙ্গবন্ধুর
বাড়িতে
গেলাম।
গিয়ে
দেখি
তার
সেই
সৌম্যকান্তি,
প্রশান্ত
হূদয়,
স্থিরচিত্ত,
কোনো
রকমের
উত্কণ্ঠা,
উদ্বিগ্নতা,
কোনো
রকমের
দুশ্চিন্তা,
কোনো
রকমের
মর্মাহত
অভিব্যক্তি
তাতে
ছিল
না।
আমি
একটু
অবাকই
হয়েছি।
তখন
কিন্তু
রাস্তায়
ট্যাংক
নেমে
গেছে।
এমন
বীভৎস
অবস্থা
যে
মিরপুর
রোড
আমরা
ক্রস
করতে
পারব
না।
আমাদের
নিজস্ব
একটা
পরিকল্পনা
ছিল
বঙ্গবন্ধুকে
একটা
রাস্তা
দিয়ে
আমরা
সীমান্ত
অতিক্রম
করাব।
ওবায়েদ
ভাই
ছিলেন
আমাদের
সিনিয়র।
আর
ছাত্র
সংগ্রাম
পরিষদের
পক্ষে
আমরা
তো
ছিলামই।
আমরা
গিয়ে
বললাম,
বঙ্গবন্ধু,
ক্র্যাকডাউন
হয়ে
গেছে,
আর্মি
বের
হয়ে
গেছে,
আপনি
আমাদের
সঙ্গে
চলেন।
তিনি
বললেন,
না,
আমি
মরতে
হলে
এই
মাটিতেই
মরব
এবং
আমার
মৃত্যু
ও
রক্তের
মধ্য
দিয়েই
স্বাধীনতার
সূর্য
উঠবে।
তোমরা
আমাকে
নিয়ে
টানাহেঁচড়া
করো
না।
অনেক
চেষ্টা
করেছি
এবং
ওই
সময়
বঙ্গবন্ধুকে
ওই
জায়গা
থেকে
বের
করতে
না
পারা
আমাদের
জন্য
একটা
হতাশা,
একটা
দুশ্চিন্তা,
একটা
মর্মান্তিক
অবস্থা।
বুঝতেই
পারেন
কী
অবস্থা
আমাদের
হতে
পারে!
আমাদের
চেতনার,
উপলব্ধির,
চিন্তার
মানসপুত্র
বঙ্গবন্ধু্।
আমাদের
মধ্যে
স্বাধীনতায়
যারা
বিশ্বাস
করতেন
তাদের
মাঝে
মতপার্থক্য
থাকার
পরেও
তখন
যে
অবিচ্ছিন্ন
ধারায়
একইভাবে
আন্দোলনটাকে
১
মার্চ
থেকে
২৫
মার্চ
পর্যন্ত
নিতে
পেরেছি,
এর
মূল
কারণ
কিন্তু
বঙ্গবন্ধুর
নেতৃত্বের
প্রতি
উভয়
পক্ষেরই
অবিচল
আস্থা।
স্বাধীনতার
প্রশ্নে
এই
একাত্মতাবোধ
সবারই
ছিল,
বাংলাদেশ-স্বাধীনতা,
বাঙালি
জাতীয়তাবাদ
আর
বঙ্গবন্ধুর
প্রশ্নে
কোনো
ভিন্নতা
ছিল
না।
আজ
আমি
উপলব্ধি
করি
বঙ্গবন্ধুর
সেদিন
আত্মগোপন
করা
বা
অন্য
জায়গায়
সরে
না
যাওয়া
বা
সীমান্ত
অতিক্রম
না
করার
যে
সিদ্ধান্ত,
এটা
সুদূরপ্রসারী
ছিল।
কিন্তু
ওই
আবেগ,
ওই
উচ্ছ্বাস,
ওই
মানসিকতা,
ওই
আনুগত্য,
ওই
ভালোবাসা,
তার
প্রতি
যে
আমাদের
এই
অনুরাগ,
সেখান
থেকে
যখন
তাকে
ছাড়াই
বেরিয়ে
এসেছিলাম
তখন
নিশ্চয়ই
আজকের
এ
চিন্তা
মাথায়
ছিল
না।
আমরা ১৯৬৬
সালে
ছয়
দফা
প্রদানের
পরে
বুঝে
গেলাম
যে
স্বাধিকার
থেকে
স্বাধীনতায়
আমাদের
উত্তরণ
ঘটাতে
হবে।
এটা
তারাও
বুঝল।
বঙ্গবন্ধুকে
কারাগারে
নিয়ে
গেল।
আমরা
অনেকেই
শেখ
ফজলুল
হক
মনি,
সাইফুদ্দিন,
এমএ
রেজা,
জগন্নাথ
কলেজ
থেকে
আল
মুজাহিদীসহ
৯
জন,
৭৩
জনের
মধ্যে
৯
জন
রাজবন্দিই
জগন্নাথ
কলেজের
ছাত্র।
আমরা
কারাগারে
গেলাম।
এ
কারাগারে
যাওয়ার
আগে
পর্যন্ত
ছাত্রলীগ
কিন্তু
বাঙালি
জাতীয়তাবাদের
চেতনার
প্রতিনিধিত্ব
করত।
বাঙালি
আমরা
লক্ষ
করলাম
বঙ্গবন্ধুর
নেতৃত্বে
বাংলার
মাটিতে
শিকড়
প্রোথিত
হয়ে
গেছে।
কিন্তু
তার
জন্য
একটা
ম্যান্ডেট
দরকার।
দৈনিক
ইত্তেফাকের
সাবেক
বার্তা
সম্পাদক
সিরাজুদ্দীন
হোসেন
শুধু
আমার
বড়
ভাইয়ের
মতো
ছিলেন
না,
তিনি
হচ্ছেন
আমার
আদর্শের
গুরু।
সিরাজুদ্দীন
হোসেনই
আমাকে
তফাজ্জল
হোসেন
মানিক
মিয়ার
সঙ্গে
পরিচয়
করান।
যাহোক,
সিরাজুদ্দীন
হোসেন
আমাদের
বুঝিয়ে
দিলেন
যে
তোমরা
যতই
দাবি
করো
না
কেন
যে
শেখ
মুজিব
সারা
বাংলার
মানুষকে
প্রতিনিধিত্ব
করছেন,
তা
ধোপে
টিকবে
না,
যতক্ষণ
পর্যন্ত
না
একটি
নির্বাচনের
মাধ্যমে
তার
নেতৃত্ব
সুপ্রতিষ্ঠিত
হয়।
সৈয়দ
মাযাহারুল
হক
বাকীসহ
আমাদের
নিজেদের
মধ্যে
একটা
নেটওয়ার্ক
ছিল।
আমরা
মনেপ্রাণে
বিশ্বাস
করতাম
গণতন্ত্রই
হচ্ছে
রাজনীতিতে
আওয়ামী
লীগের
শক্তির
মূল
উৎস।
আমাদের সার্থকতাটা
এই
যে,
আমাদের
কাছে
কোনো
অস্ত্র
ছিল
না,
ডামি
রাইফেল
নিয়ে
আমরা
প্যারেড
করতাম।
২৫
মার্চে
যখন
আঘাতটা
নেমে
এল
তখন
হানাদাররা
ভাবল
বিশ্ববিদ্যালয়ে
ইকবাল
হলের
মাটির
নিচে
আমাদের
ডাম্প
করা
লাখ
লাখ
অস্ত্র
আছে।
শুধু
ওখানেই
ওরা
কামান
দাগায়নি,
রাজারবাগে
কামান
দাগিয়েছে।
ওরা
পিলখানায়
কামান
দাগিয়েছে,
ওরা
সাধারণ
মানুষকে
মেরেছে,
মানে
ওরা
বাঙালি
পেলেই
মেরেছে,
পূর্ব
পাকিস্তান
মানেই
হচ্ছে
বাঙালি,
আর
বাঙালি
মানেই
হচ্ছে
বঙ্গবন্ধুর
অনুসারী।
এই
যে
আমরা
সবাইকে
একত্র
করলাম
এবং
২৫
মার্চ
রাতে
৩২
নম্বর
থেকে
মানিক
মিয়ার
বাসায়
গিয়েছিলাম।
একটা
এসবি,
একটা
ডিবি
যদি
তখন
পাকিস্তানকে
সাহায্য
করত
তাহলে
তো
আমরা
সব
কয়টা
সেখানেই
সে
রাতেই
মারা
যাই।
এই
যে
অবিভাজ্য
সমর্থন,
এটাই
নয়
মাসের
স্বাধীনতা
যুদ্ধকে
এগিয়ে
নিয়ে
গেছে।
যারা
জীবনের
মায়া
ত্যাগ
করে
দেশের
জন্য
যুদ্ধ
করেছেন,
তারা
তো
মন্ত্রী
হওয়ার
আকাঙ্ক্ষাও
করেনি।
স্বাধীনতার
জন্য
তার
এই
যে
উৎসর্গ,
সেটার
প্রতি
সম্মান
দেখাতে
না
পারলে
স্বাধীনতা
তো
অর্থবহ
হয়
না।
নূরে আলম সিদ্দিকী: স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ নেতা ও ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি










