ড. শামসুল আলম পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ও একুশে পদকপ্রাপ্ত অর্থনীতিবিদ। স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের পড়াশোনা বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অর্থনীতি বিভাগে। পরবর্তী সময়ে ব্যাংককের থাম্মাসাট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন। একই বিষয়ে পিএইচডি অর্জন করেন ইংল্যান্ডের নিউ ক্যাসেল আপন টাইন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। কর্মজীবনের বড় অংশ কাটান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনায়। পরে প্রেষণে যোগ দেন পরিকল্পনা কমিশনে। সিনিয়র সচিব পদ মর্যাদায় সেখানে দায়িত্ব পালন করেন এক যুগ। এ সময় তার তত্ত্বাবধানে প্রণীত হয় সরকারের বহু পরিকল্পনা দলিল। এছাড়াও নিজের রয়েছে প্রচুর গবেষণাধর্মী প্রকাশনা। সংবাদ মাধ্যমে নিয়মিত লিখে যাচ্ছেন আর্থসামাজিক, রাজনৈতিক বিষয়ে বিশ্লেষণধর্মী কলাম। সম্প্রতি কৃষির লাভযোগ্যতা, বাণিজ্যিক কৃষি, আধুনিকায়ন, যান্ত্রিকীকরণ, মধ্যস্বত্বভোগী, সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন বণিক বার্তার সঙ্গে।
সাক্ষাৎকার নিয়েছেন এম এম মুসা
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বারবারই বলে
আসছেন কৃষিজমি রক্ষা করে উন্নয়ন করতে হবে।
সংশ্লিষ্ট আইনটি
অবশ্য এখনো
পাস হয়নি।
আপনি বিষয়টিকে কীভাবে দেখেন?
কৃষিজমি
সুরক্ষা
মানে
কৃষির
জন্য
অবশ্যই
আমাদের
জমি
রাখতে
হবে।
থাকতে
হবে।
সেটি
খাদ্যনিরাপত্তার
জন্য
জরুরি।
কৃষি
যেহেতু
আমাদের
মৌলিক
প্রয়োজনগুলো
মেটানোর
উৎস,
সেহেতু
অবশ্যই
কৃষিজমি
রক্ষা
করতে
হবে।
সেটি
পরিকল্পিতভাবেই
করতে
হবে।
সেটি
করলে
অনেক
কৃষিজমি
উদ্ধারও
হবে।
আজকাল
গ্রামগুলো
ব্যাপকভাবে
বিস্তৃত
হচ্ছে।
রাস্তাঘাট,
সড়ক-জনপথ
অনেক
হয়েছে।
তার
সঙ্গে
সঙ্গে
প্রায়
অপরিকল্পিতভাবে
ঘরবাড়ি
হচ্ছে।
পুকুর-পুষ্করিণী
হচ্ছে।
স্থাপনা
নির্মাণ
হচ্ছে।
আসলে
গ্রামাঞ্চলের
জন্য
এখন
আমাদের
আলাদা
গ্রাম
অবকাঠামো
ও
স্থাপনা
উন্নয়ন
পরিকল্পনা
থাকা
প্রয়োজন।
যাতে
বিক্ষিপ্তভাবে
ঘরবাড়ি
বা
স্থাপনা
গড়ে
না
ওঠে।
তাহলেই
আমাদের
অনেক
কৃষিজমি
রক্ষা
পাবে।
আর
জমির
মালিক
পরিকল্পনার
আওতায়
যেভাবে
ব্যবহার
করতে
চায়,
সেই
স্বাধীনতা
তো
তার
থাকবেই।
তবে
কৃষিজমিকে
সুরক্ষা
বা
উদ্ধারের
জন্য
আমার
মনে
হয়
পরিকল্পিতভাবে
গ্রামগুলোকে
সাজাতে
হবেই।
আমাদের
ব্যাপক
উন্নয়ন
কার্যক্রম
চলেছে।
প্রবৃদ্ধির
হার
বেড়েছে।
আমাদের
আয়
বেড়েছে।
বৈষয়িক
অনেক
উন্নতি
হয়েছে।
এখন
অনেকটা
পরিকল্পিতভাবে
গ্রাম-শহরের
ব্যবধানটা
ঘুচিয়ে
ফেলতে
চাইছি।
‘আমার
গ্রাম,
আমার
শহর’
আমরা
বলছি।
তার
মানে
গ্রামে
সব
আধুনিক
সুযোগ-সুবিধা
থাকতে
হবে।
পাইপের
মাধ্যমে
পানি
পেতে
হবে।
স্যানিটেশন
হবে
শহরের
মতো।
বর্জ্য
ব্যবস্থাপনা
হবে
শহরের
মতো।
এ
কথার
অর্থ
দাঁড়ায়
আমাদের
দ্রুত
পরিকল্পনা
গ্রহণ
করতে
হবে।
গ্রামভিত্তিক
পরিকল্পনা
নিতে
হবে।
সেখানে
স্থাপনা
কীভাবে
হবে
সেটি
শহরের
মতো
পরিকল্পিতভাবে
নির্ধারণ
করতে
হবে।
সেখানে
বর্তমানে
ব্যক্তিকেন্দ্রিক
স্থাপনা
বেশি
হচ্ছে।
এটা
রোধ
করতে
হবে।
সেখানে
আমরা
চাইব
পরিবারকেন্দ্রিক
বা
কমিউনিটিভিত্তিক
স্থাপনা
হোক,
ইমারতগুলো
ওপরের
দিকে
বাড়ানো
হোক,
যাতে
স্বল্প
জায়গায়
অনেক
লোক
থাকতে
পারে
শহরের
মতো।
শহরের
আদলেই
আসলে
গ্রামগুলোকে
গড়ে
তুলতে
হবে।
তাহলে
কৃষিজমি
উদ্ধারও
হবে,
কৃষিজমি
সংরক্ষিতও
হবে।
কৃষির
সমুদয়
ব্যবস্থাকে
আমরা
অপরিকল্পিত
ঘরবাড়ি
করে
শেষ
করে
দিতে
পারি
না।
দেশে কৃষিজমি সুরক্ষা আইন
করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে
২০১১ সালে।
এখনো পাস
হয়নি। এটি
ভূমি মন্ত্রণালয়ে রয়েছে। এর
কী অবস্থা?
এখন
বিষয়
হলো,
ভূমি
ব্যবহারেরও
একটা
পরিকল্পনা
থাকতে
হবে।
আমাদের
ভূমিনীতি
আছে।
কিন্তু
ভূমি
ব্যবহারের
নীতি
এখনো
তেমনভাবে
প্রণীত
হয়নি।
আগেই
যেমনটা
বলেছি,
শহরের
বাইরে
ভূমি
ব্যবহার
পরিকল্পনা
থাকলে
পরিকল্পিত
গ্রাম
গড়ে
তোলা,
পরিকল্পিত
স্থাপনা
গড়ে
তোলার
বিষয়গুলো
অবশ্যই
বিবেচনায়
আসত।
ভূমি
ব্যবহারের
কিছু
নীতি
আমাদের
আছে।
যেমন
জলাভূমিকে
অন্য
ভূমিতে
রূপান্তর
করা
যাবে
না।
এটা
বলা
আছে।
আমাদের
হাওর,
জলাভূমিকে
সংরক্ষণ
করতে
হবে।
নদীকে
বাঁচিয়ে
রাখতে
হবে।
নদীর
স্থান
দখল
করা
যাবে
না।
এসব
বিষয়ে
আমাদের
নীতি
নেয়া
হয়েছে।
এখন
ব্যাপক
ভূমি
ব্যবহার
নীতি
প্রণীত
হওয়া
উচিত।
বিশেষভাবে
গ্রামকে
সাজানো
নিয়ে
আমাদের
পরিকল্পনা
করতে
হবে।
সেই
পরিকল্পনার
মূল
ভিত্তিটা
হবে
উপজেলা।
সেই
পরিকল্পনা
অনুযায়ী
গ্রামে
বাড়িঘর
ও
অন্যান্য
স্থাপনা
নির্মাণ
করতে
হবে।
বিদেশে
মসজিদ-মন্দির
করতেও
অনুমতি
লাগে।
অনুমতি
ছাড়া
সেগুলো
করা
যায়
না।
অর্থাৎ
স্থাপনা
ব্যবহারের
একটা
নীতিমালা
আমাদেরও
থাকতে
হবে।
মন্দির-মসজিদ-উপাসনালয়
হোক,
ঘরবাড়ি
হোক,
গবাদি
পশুর
খোঁয়াড়
বা
খামার
সবগুলোই
পরিকল্পিতভাবে
করতে
হবে।
সামাজিক
পরিকল্পনাভিত্তিক
হতে
হবে।
করোনার সময়ে
আমরা বুঝেছি কৃষি কতটা
গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের কৃষি সম্পর্কে আপনার কী
পর্যবেক্ষণ?
কৃষি
এ
পর্যন্ত
আমাদের
যথেষ্ট
সমর্থন
দিয়েছে।
অর্থনীতিকে
স্থিতিশীলতা
এনে
দিয়েছে।
এটা
শুধু
পণ্য
সরবরাহ
করে
নয়,
এমনকি
কর্মসংস্থানের
বড়
ক্ষেত্র
কিন্তু
কৃষি।
যদিও
আমাদের
অনেক
অকৃষি
কর্মকাণ্ড
শুরু
হয়েছে।
গ্রাম-প্রবৃদ্ধি
কেন্দ্রগুলোতে
অকৃষিসংক্রান্ত
নানা
ব্যবসা-বাণিজ্য,
স্থাপনা
তৈরি
হয়েছে।
বিশেষ
করে
স্বাধীনতা-পরবর্তী
কৃষির
যে
অগ্রগতি
হয়েছে,
তা
উল্লেখযোগ্য।
কৃষির
প্রাতিষ্ঠানিক
ভিত্তি
তৈরি
হয়েছে
স্বাধীনতার
পর
পরই।
কৃষিবিষয়ক
অনেক
প্রতিষ্ঠান
গড়ে
উঠেছে।
বঙ্গবন্ধুই
সেটি
করে
গিয়েছিলেন।
এরপর
কৃষি
শিক্ষার
ব্যাপক
প্রসার
ঘটেছে।
বেশ
কয়েকটি
কৃষি
বিশ্ববিদ্যালয়
হয়েছে।
কৃষি
ও
প্রযুক্তি
বিষয়ে
শিক্ষার
প্রসার
ঘটেছে।
কৃষির
বৈচিত্র্যায়ণ
হয়েছে।
স্বল্পমূল্যের
কৃষি
থেকে
কৃষকরা
উচ্চমূল্যের
ফসল,
ফলাদি
বেছে
নিচ্ছে।
এমনকি
কৃষিক্ষেত্রেও
কিছু
উপখাতে
ব্যাপক
বাণিজ্যিকীকরণ
হচ্ছে।
কৃষক
শস্য
কৃষি
থেকে
বাগান
কৃষিতে
যাচ্ছে।
ফল-ফলাদিতে
যাচ্ছে।
আমের
বাগান,
লিচু
বাগান
হচ্ছে।
কৃষির
অভ্যন্তরীণ
এই
পরিবর্তনটা
ঘটছে
খুব
দ্রুত।
এটা
অবশ্য
আরো
দ্রুত
দরকার।
কৃষির
আধুনিকায়ন
আরো
দরকার।
তবে
কভিডকালে
কৃষি
আমাদের
অনেক
স্বাচ্ছন্দ্য
দিয়েছে।
কৃষিপণ্যের
অভাব
হয়নি।
কৃষি
উৎপাদন
ব্যবস্থা
ব্যাহত
হয়নি।
শ্রমিক
সংকট
হয়নি।
কৃষি
আমাদের
অর্থনীতির
স্থিতিশীলতা
দিয়েছে।
খাদ্যনিরাপত্তা
দিয়েছে।
কৃষি
রফতানি
আমাদের
সহায়তা
করেছে
বৈদেশিক
মুদ্রা
অর্জনে।
সেই
অর্থে
কৃষি
একটা
কাঙ্ক্ষিত
ভূমিকা
রেখেছে।
সেটি
শ্রম
নিয়োগ
থেকে
শুরু
করে,
পণ্য
উৎপাদন,
শাকসবজি
উৎপাদন,
ফল-ফলাদি
উৎপাদন,
গবাদি
পশু
উৎপাদন
সব
ক্ষেত্রে।
আর
কৃষি
খাত
পণ্য
সরবরাহ
অব্যাহত
রেখেছে।
সেজন্যই
কৃষি
খাতের
এ
অগ্রগমন,
রূপান্তর
ও
প্রক্রিয়াটি
অক্ষুণ্ন
রাখতে
হবে
এবং
আরো
দ্রুত
আমাদের
যেতে
হবে।
কারণ
বিঘা
বা
একরপ্রতি
শস্যাদি
উৎপাদনের
হার
তুলনামূলক
দেশগুলোর
চেয়ে
আমরা
এখনো
পিছিয়ে
আছি।
খুব
দ্রুত
তাদের
ছাড়িয়ে
যেতে
হবে।
কৃষিক্ষেত্রে
বৈচিত্র্যায়ণ
আরো
দ্রুত
করতে
হবে।
প্রক্রিয়াজাত
কৃষিকে
আরো
এগিয়ে
নিতে
হবে,
যেটি
শিল্পায়নের
সহায়ক।
কৃষিক্ষেত্রে
আমাদের
অগ্রগতি
সত্ত্বেও
কৃষিকে
আমাদের
আরো
বহুদূর
এগিয়ে
নিতে
হবে।
সেটি
গবেষণার
মাধ্যমে,
নতুন
প্রযুক্তি
উদ্ভাবনের
মাধ্যমে,
খামার
আয়তন
বৃহৎ
করার
মাধ্যমে,
যান্ত্রিকায়নের
মাধ্যমে
কৃষির
ব্যাপক
রূপান্তর
ঘটাতে
হবে।
বলা হচ্ছে,
আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। তার
পরও আমাদের বিপুল খাদ্যশস্য আমদানি করতে
হয়। এটাকে
কীভাবে দেখেন?
চাল
উৎপাদনে
আমরা
অনেক
দূর
এগিয়েছি।
স্বাধীনতার
পর
থেকে
চালের
উৎপাদন
সাড়ে
তিনগুণ
বৃদ্ধি
পেয়েছে
পরিমাণের
দিক
থেকে।
কৃষি
উৎপাদিকাও
বেড়েছে।
যদিও
আমরা
কৃষি
উৎপাদনে
তুলনীয়
দেশগুলোর
চেয়ে
পিছিয়ে
আছি।
পিছিয়ে
যে
আছি
তার
কিছু
নমুনা
দেখা
যায়।
যেমন
যে
আদা
আমদানি
করি
সেগুলোর
সঙ্গে
দেশী
আদার
গুণে
ও
আকারে
অনেক
পার্থক্য।
আমাদের
দেশের
রসুন
ছোট
ছোট
আকৃতির।
কিন্তু
আমদানি
করা
রসুন
বড়
আকারের,
ঝাঁজও
বেশি।
দেশী
পেঁয়াজের
আকার
এখনো
ছোট।
আমদানি
করলে
এমন
কিছু
পেঁয়াজ
পাই,
কয়েকটি
মিলে
এক
কেজি
হয়ে
যায়।
গাজরেও
বেশ
ভিন্নতা
রয়েছে।
অর্থাৎ
আমাদের
কৃষিতে
অনেক
ফসলের
উত্কর্ষ
সাধনের
সুযোগ
আছে।
সেটি
আদা-রসুন
হোক,
কিংবা
অন্য
শস্য
বা
মসলা
হোক।
অবশ্য
ধানের
ক্ষেত্রে
আমরা
অনেক
দূর
এগিয়েছি।
যদিও
বিঘা,
একর
বা
হেক্টরপ্রতি
উৎপাদনে
পশ্চিম
বাংলা
থেকে
কিছুটা
এগিয়ে
আর
তুলনীয়
সব
দেশের
চেয়ে
পিছিয়ে।
ভিয়েতনাম,
কম্বোডিয়া,
থাইল্যান্ড,
মালয়েশিয়া,
জাপান
প্রভৃতি
দেশের
চেয়ে
বেশ
পিছিয়ে
আছি।
কৃষিপণ্য
রফতানি
আমাদের
১
বিলিয়ন
ডলারের
মতো।
অথচ
আমাদের
চেয়ে
ক্ষুদ্র
দেশ
নেদারল্যান্ডস
প্রতি
বছর
১২০
বিলিয়ন
ইউরোর
কৃষিপণ্য
রফতানি
করে।
তার
মানে
বোঝা
যায়
প্রযুক্তির
দিক
থেকে
আমরা
বহু
পিছিয়ে
আছি,
কিংবা
কৃষি
ব্যবস্থাপনার
দিক
থেকে।
ফসল
উৎপাদন
ধরনের
মান
এবং
উৎপাদিকা
যদি
দেখি
তাহলেই
বুঝতে
পারব
যে
আমরা
অনেক
পিছিয়ে
আছি।
যদিও
মোট
উৎপাদনের
পরিমাণ
আগের
চেয়ে
অনেক
বেড়েছে।
অনেক
ক্ষেত্রে
মোট
উৎপাদনের
দিক
থেকে
আমরা
প্রথম,
দ্বিতীয়,
তৃতীয়।
কিন্তু
মাথাপিছু
উৎপাদনের
কথা
চিন্তা
করলে
আমরা
আবার
অনেক
পিছিয়ে
পড়ব।
সেজন্য
বলতে
চাই
যে
অনেক
সাফল্যের
পরও
আমাদের
সাফল্যের
হারকে
আরো
তীব্রতর
করতে
হবে।
এসডিজি
অনুযায়ী
২০৩০
সালের
মধ্যে
খাদ্য
উৎপাদন
দ্বিগুণ
করতে
হবে।
কৃষিকে
আরো
আধুনিকায়ন
করতে
হবে,
কৃষিকে
পুরো
বাণিজ্যিক
কৃষিতে
রূপান্তর
করতে
হবে।
ভরণ-পোষণের
কৃষি
আমাদের
জন্য
আর
উপযোগী
নয়।
এ
ধরনের
কৃষি
উন্নয়নের
একটা
বিশেষ
স্তরে
থাকে।
দেশের
অর্থনীতি
উল্লম্ফন
পর্যায়ে,
আমরা
উন্নয়নের
উড়ন্ত
শক্তি,
টেক-অফ
স্টেজ
আমরা
পার
হয়ে
যাচ্ছি,
এখন
আমরা
আরো
ওপরের
দিকে
উঠব।
সেক্ষেত্রে
কৃষির
আধুনিকায়ন
আরো
জরুরি
হয়ে
পড়েছে।
কৃষিপণ্যের
বাজার
ব্যবস্থাকে
আরো
উন্নত
করতে
হবে।
আর
রফতানি
ক্ষেত্রে
আমাদের
আরো
বড়
ভূমিকা
নিতে
হবে,
সেটি
প্রক্রিয়াজাত
পণ্য
হোক
কিংবা
প্রাথমিক
কৃষি
পণ্য
হোক।
একটা কথা
বলা হয়,
কৃষকরা দাম
পান না।
ভোক্তারা বেশি
দামে পণ্য
কিনে থাকেন। অনেকেই এর
জন্য মধ্যস্বত্বভোগীদের দায়ী করে
থাকেন। আপনি
বিষয়টিকে কীভাবে দেখেন?
কৃষিপণ্যের
দাম
ওঠানামার
কারণে
আমরা
অনেক
সময়
অবাক
হয়ে
যাই।
কৃষির
উৎপাদনকেন্দ্র
গ্রাম
থেকে
শহরে
দাম
বেশি
থাকে।
যেমন
ঢাকায়
১০০
টাকা
কোনো
পণ্যের
মূল্য
হলে
গ্রামে
তার
মূল্য
থাকে
৪৮-৫০
টাকা
শাকসবজির
ক্ষেত্রে।
এই
৪৮-৫০
টাকার
শাকসবজি
ঢাকায়
১০০-১০৫
টাকায়
বিক্রি
হয়।
এর
অর্থ
হলো
ঢাকায়
আসতে
আসতে
দামটা
দ্বিগুণ
হয়ে
যায়।
তার
মূল
কারণ
হিসেবে
এখানে
মধ্যস্বত্বভোগীকে
দোষ
দেয়া
যাবে
না।
কারণ
কৃষিপণ্য
হলো
পচনশীল,
ভারী
ও
পরিবহন
অনেক
ব্যয়বহুল।
যেহেতু
বেশকিছু
অংশ
পচে
যায়,
সেজন্য
এর
ব্যবসার
সঙ্গে
যারা
যুক্ত
তারা
এর
দামটা
ভোক্তা
থেকে
নেয়।
বা
কৃষককে
সেটা
কিছু
কম
দেবে।
তার
কারণ
যদি
২০-২৫
শতাংশ
নষ্ট
হয়ে
গেলে
তার
দাম
ব্যবসায়ী
নিজের
ঘাড়ে
নেবে
না।
এ
দামটা
হয়
কৃষককে
কম
দেবে,
নতুবা
ভোক্তার
কাছ
থেকে
বেশি
চাইবে।
কৃষিপণ্যের
দাম
উৎপাদনকেন্দ্র
থেকে
ভোগকেন্দ্রে
সবসময়
বেশি
থাকে।
আর
শিল্পপণ্যের
মূল্য
মোটামুটি
দীর্ঘ
সময়
ধরে
স্থিতিশীল
থাকে।
কৃষিপণ্য
প্রতি
সপ্তাহ,
প্রতি
মাসে
বদলায়।
এটা
মৌসুমভিত্তিক।
এক
মৌসুমে
উৎপাদন
করে
কর্তন
শেষে
সবাই
একসঙ্গে
বাজারে
নিয়ে
আসে।
ফলে
দাম
পড়ে
যায়।
আবার
যখন
মৌসুম
থাকে
না,
ঠিক
অন্য
মৌসুমের
শস্য
কর্তনের
আগে
দাম
সর্বোচ্চে
ওঠে।
কৃষিপণ্যের
ক্ষেত্রে
দামের
ওঠানামাটা
একটা
বড়
রকমের
বৈশিষ্ট্য।
এর
মানে
এই
নয়
যে
এক্ষেত্রে
মধ্যস্বত্বভোগীদের
ঢালাও
দোষ
দিতে
পারি।
অবশ্যই
অনেকে
সুযোগ
নেয়
অতি
মুনাফা
করার
জন্য।
তবে
বলব
কৃষিক্ষেত্রে
অতিমুনাফার
সুযোগ
অনেক
কম।
তার
মূল
কারণ
হলো
দেশব্যাপী
এটা
উৎপাদিত
হয়।
প্রতি
স্তরে
হাজার
হাজার
মধ্যস্বত্বভোগী
থাকে।
ফড়িয়া,
ব্যাপারী,
পাইকার
অনেকেই
রয়েছে।
শুধু
দুই-একশ
নয়।
হাজার
হাজার
পাইকার-ফড়িয়া
আঁতাত
করে
দাম
বাড়ানো
সম্ভব
নয়।
কৃষিক্ষেত্রে
যে
মধ্যস্বত্বভোগীদের
দোষারোপ
দিই
সেটি
বাজার
ব্যবস্থা
সম্পর্কে
আমাদের
অস্পষ্টতার
কারণেই
করি।
সাধারণভাবে
দেখা
যায়
যে
কৃষিপণ্যের
দর-দামের
একটু
ওঠানামা
হলেই
মধ্যস্বত্বভোগীর
ওপর
চাপিয়ে
দিই।
পেঁয়াজের
কথা
ধরুন।
চাহিদার
তুলনায়
সরবরাহ
কম
হলে
দাম
বাড়বেই।
আমাদের
কী
চাহিদা,
তার
সঠিক
তথ্য
দিলে
ব্যবসায়ীরা
দ্রুত
আমদানি
করে
বাজার
ব্যবস্থাকে
স্থিতিশীল
রাখতে
পারে।
এখানে
অনেক
সময়
আমাদের
উৎপাদনের
তথ্য,
চাহিদা
ও
সরবরাহ
পরিস্থিতি
বাজার
কুশীলবরা
সঠিকভাবে
পায়
না
বলে
আমার
মনে
হয়।
এ
কারণেই
বাজার
ব্যবস্থা
যথাযথভাবে
কাজ
করে
না।
এখানে
দামের
যখন
বেশি
ওঠানামা
হয়,
তখন
প্রথমেই
মধ্যস্বত্বভোগীদের
দায়ী
করা
হয়।
অথচ
মধ্যস্বত্বভোগী
ছাড়া
কৃষিপণ্য
মাঠ
থেকে
শহরকেন্দ্রে
ভোক্তার
কাছে
কীভাবে
আসবে?
প্রতিটি
ক্ষেত্রে
মধ্যস্বত্বভোগী
অপরিহার্য।
শুধু
পরিবহনের
ক্ষেত্রে
নয়,
মধ্যস্বত্বভোগী
যদি
এপ্রিল-মে
মাসে
ধান
ধরে
না
রাখে,
মজুদ
না
করে
তাহলে
অক্টোবরে
আমরা
সেটা
পাব
কীভাবে?
আবার
ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে
যদি
ধান
ধরে
না
রাখে
তাহলে
সেটি
আমরা
মার্চ-এপ্রিলে
পাব
কীভাবে?
কিংবা
বছরের
অন্য
সময়
পাব
কীভাবে?
কাজেই
তারা
কিন্তু
গুরুত্বপূর্ণ
বিপণন
কার্যক্রম
সম্পন্ন
করে
থাকে।
একই
সঙ্গে
সময়োপযোগিতা
সৃষ্টি
করে
থাকে।
মধ্যস্বত্বভোগী
ছাড়া
এটা
সম্ভব
নয়।
সর্বপর্যায়ে
কৃষিক্ষেত্রে
মধ্যস্বত্বভোগীর
সংখ্যাও
অনেক
বেশি।
অটো
রাইস
মিলের
ক্ষেত্রেও।
যেখানে
পাঁচ
হাজার
মতো
মিলার।
কিংবা
অটো
মিলার
আছে
চার-পাঁচশ।
তো
পাঁচশ
লোকের
সিন্ডিকেট
করা
বা
একটা
সিদ্ধান্তে
আসা
বাংলাদেশে
কঠিন।
বলতে
চাইছি,
কৃষিবাজার
সব
দেশেই
সব
ক্ষেত্রেই
প্রতিযোগিতামূলক।
এ
কারণে
কৃষিক্ষেত্রে
সিন্ডিকেশন,
আঁতাত
করা
অনেকটাই
কঠিন।
কাজেই
মধ্যস্বত্বভোগীকে
আমরা
যে
দায়টা
দিই,
সেটি
অনেক
ক্ষেত্রে
সঠিক
নয়।
প্রতিটি
কৃষিপণ্যের
বাজার
ব্যবস্থা
অনুধাবনপূর্বক
গবেষণা
আমাদের
দেশে
অনেক
কম
হয়েছে।
প্রতিটি
পণ্যের
বাজার
ব্যবস্থা,
বিপণন
ব্যবস্থা
অদ্বিতীয়
ও
স্বতন্ত্র।
সরবরাহ
শৃঙ্খল
বা
মূল্য
শৃঙ্খল
প্রতিটি
পণ্যের
জন্য
ভিন্ন
ভিন্ন।
সংখ্যাও
ভিন্ন
ভিন্ন।
এ
বিষয়গুলো
আমাদের
মাথায়
রাখতে
হবে।
সঠিক
তথ্য
দিয়ে
বাজার
কুশীলবদের
সহায়তা
করতে
হবে।
এ
বাজার
কুশীলব
হচ্ছে
উৎপাদক,
মধ্যস্বত্বভোগী
ও
ভোক্তা।
তর্কের
খাতিরে
ধরুন,
মধ্যস্বত্বভোগীরা
অনেক
মুনাফা
করছে।
অনেক
পয়সা
হাতিয়ে
নিচ্ছে
আঁতাত
করে।
যেখানে
মুনাফা
করবে,
সেখানে
অন্যরা
বিনিয়োগ
করবে,
এটাই
স্বাভাবিক।
দেখুন,
একটা
ফ্যাক্টরি
থেকে
এখন
দেশে
পাঁচ
হাজার
পোশাক
কারখানা
হয়ে
গেছে।
মুনাফা
যখন
দেখল
তখন
সবাই
ওই
খাতে
বিনিয়োগ
করা
শুরু
করল।
মধ্যস্বত্বভোগীদের
ক্ষেত্রেও
এটা
সত্য,
যদি
দেখে
পাইকার
খুব
লাভ
করছে।
জমি
ক্রয়
করছে,
বাড়ি
বানাচ্ছে।
প্রচুর
পাইকার
হওয়ার
মতো
যুবক
শ্রেণী,
শিক্ষিত
শ্রেণীর
অভাব
বাংলাদেশে
নেই।
আমি
বলতে
চাইছি,
মধ্যস্বত্বভোগীদের
ওপর
আমরা
অকারণে
কিছু
দোষ
চাপাই।
এটাও
সত্য
যে
ব্যবসায়ীরা
মাঝেমধ্যে
আঁতাত
করে।
তবে
সেটি
কৃষির প্রাথমিক
পণ্য
নিয়ে
নয়।
সেটি
করে
থাকে
প্রক্রিয়াজাত
পণ্য
নিয়ে।
যেমন
চিনি
কিংবা
তেল
আমদানি
পণ্যের
ক্ষেত্রে
সেটি
সম্ভব
হতে
পারে।
কারণ
এসব
পণ্য
আমদানি
করা
ব্যবসায়ীর
সংখ্যা
কম।
পেঁয়াজ
আমদানি
৪০০
লোকে
করে।
সেখানে
আঁতাত
করাটা
কিন্তু
কঠিন।
চারশ
লোকের
একত্র
হওয়া
কঠিন,
যেখানে
অনলাইনে
দাম
জানা
যাচ্ছে,
বাইরে
কত,
ভেতরে
কত,
দেশের
বিভিন্ন
স্থানে
কত।
কৃষি
আমদানির
ক্ষেত্রেও
সিন্ডিকেট
করা
কঠিন।
তবে
চিনি,
ভোজ্যতেল,
মসলা
এগুলোর
ক্ষেত্রে
হয়তো
বাজার
নিয়ন্ত্রণের
কিছুটা
সুযোগ
থাকে,
যারা
সাময়িক
সময়ের
জন্য
পণ্য
আমদানি
করে।
তাছাড়া
মৌলিক
কৃষিপণ্য
যেমন
ধান,
চাল,
পাট,
শাকসবজি
প্রভৃতি
পণ্যের
যে
দামের
ওঠানামা
হয়,
সেটি
ঋতুভিত্তিক
ওঠানামা,
সপ্তাহভিত্তিক
ওঠানামা,
ঈদে-পূজাপার্বণে
ওঠানামা।
বৃষ্টি-বাদল
হলে
এর
দাম
একটু
বেড়েই
যাবে।
যোগাযোগের
দিক
থেকে
পরিবহন
খাতে
আমাদের
যথেষ্ট
উন্নতি
হওয়া
সত্ত্বেও
কৃষিপণ্যের
দাম
তুলনামূলক
বেশি।
মধ্যস্বত্বভোগীরা
ব্যবসা
করতে
গিয়ে
বিভিন্ন
পর্যায়ে
চাঁদা
দিতে
হয়
বলে
জানা
যায়।
আমাদের
কৃষিপণ্য
কৃষক
থেকে
ভোক্তার
কাছে
আসা
পর্যন্ত
দাম
বাড়ার
একটা
কারণ
হলো
অন্যায়
চাঁদাবাজি।
বিভিন্ন
পর্যায়ে
এটি
হয়।
এটা
অলিখিত।
কিন্তু
এটা
আমরা
সবাই
জানি।
দোষটা
হলো
এখানে।
এখানেই
আমাদের
মনিটর
করতে
হবে।
এখানে
আইনের
হাত
প্রসারিত
হতে
হবে।
এখানে
মধ্যস্বত্বভোগীকে
দোষারোপ
করে
ফল
পাওয়া
যাবে
না।
পণ্য
উৎপাদনের
সঠিক
তথ্য
দিতে
হবে।
দেশের
চাহিদার
সঠিক
তথ্য
দিতে
হবে।
ঋতুভিত্তিক,
মাসভিত্তিক
চাহিদার
প্রক্ষেপণ
থাকতে
হবে।
বাজারে
পণ্যের
কতটা
সরবরাহ
আছে
তা
দেখতে
হবে।
যদি
ঘাটতি
থাকে
তাহলে
দ্রুত
আমদানি
করে
বাজার
স্থিতিশীল
রাখতে
ব্যবসায়ীরা
নিজ
নিজ
দায়িত্ব
পালন
করবেন।
ব্যবসায়ীদের
সেই
সুযোগ
দিতে
হবে।
এখানে
আমরা
যা
করি
তা
হলো
তাদের
নিয়ন্ত্রণের
চেষ্টা
করি,
অপ্রয়োজনে।
এই
নিয়ন্ত্রণটা
অর্থহীন।
আরেকটা
বিষয়
বলব,
দাম
বেড়ে
গেলে
শুল্ক,
সারচার্জ
কমানো
হয়।
মৌলিক
কৃষিপণ্যে
যেমন
চিনি,
ডাল,
তেল,
পেঁয়াজ,
মসলা
প্রভৃতি
ক্ষেত্রে
কোনো
করই
থাকা
উচিত
নয়।
এজন্য
থাকা
উচিত
নয়
যে
এগুলো
মৌলিক
কৃষিপণ্য।
মানুষকে
খেতে
হবে।
বাজার
অর্থনীতিতে
উৎপাদক
ও
ভোক্তার
স্বার্থ
দেখতে
হবে।
এ
কর
যাতে
মূল্যবৃদ্ধি
না
ঘটায়,
সেটি
দেখতে
হবে।
এই
করটা
ভোক্তাকে
বহন
করতে
হয়।
এ
বিষয়গুলো
বিবেচনায়
রাখা
জরুরি।
দেশের
উন্নতি
অনেক
হয়েছে।
আয়কর
থেকে
রাজস্ব
বাড়ানোর
ব্যবস্থা
নিতে
হবে।
অনেকেই বলে
থাকেন দেশীয়
উৎপাদনকে সুরক্ষা দেয়ার জন্য
এটি করা
হয়। আপনি
কী বলেন?
সুরক্ষা
বলতে
কৃত্রিমভাবে
দাম
বাড়ানো।
সুরক্ষা
দেয়ার
অর্থ
যে
পণ্য
সস্তায়
পাচ্ছি
সেটি
সস্তায়
না
এনে
দেশে
দামটা
বাড়িয়ে
রাখব,
উৎপাদকরা
যাতে
পায়।
এটা
স্থায়ী
সমাধান
নয়।
এর
মাধ্যমে
দাম
বাড়িয়ে
রাখায়
ভোক্তাকে
মূল্যটা
দিতে
হচ্ছে।
এটা
সাময়িক
কালের
জন্য
হতে
পারে।
এটা
নীতি
হিসেবে
দীর্ঘস্থায়ী
হওয়াটা
উচিত
নয়।
এখানে
যা
করা
উচিত
তা
হলো
উৎপাদন
বাড়ানো,
যাতে
খরচ
কমে
আসে।
আমাদের
গবেষণা
করে
দেখা
উচিত
কীভাবে
উৎপাদন
খরচ
কমিয়ে
আনা
যায়,
কেন
ব্যয়
বেশি
পড়ে,
কেন
অন্য
দেশগুলোয়
দাম
কম,
সেটি
গবেষণা
করে
বের
করে
কার্যকর
পদক্ষেপ
নিতে
হবে।
আমাদের
উৎপাদন
খরচ
কমানোর
পথ-পদ্ধতি
চিন্তা
করতে
হবে।
মনে
রাখতে
হবে
যে
পণ্য
আমদানির
সুযোগ
দিচ্ছি—দেশে
উৎপাদনে
তার
মান
বেড়ে
যাচ্ছে—প্রতিযোগিতার
কারণে।
আমদানি
ঠেকিয়ে
দেশে
দাম
বাড়িয়ে
রেখে
বেশিদিন
সুবিধা
দিতে
পারব
না।
তাকে
সুবিধা
দিতে
হলে
প্রতি
একরে
উৎপাদন
বাড়াতে
হবে
এবং
খরচ
কমানোর
চেষ্টা
করতে
হবে।
উন্নত
প্রযুক্তি
দিতে
হবে।
আবহাওয়ানির্ভর
কৃষি
থেকে
কৃষককে
বেরিয়ে
এনে
আবহাওয়ার
বাইরের
কৃষিতে
নিয়ে
আসতে
হবে।
অর্থাৎ
গ্রিনহাউজ
কৃষিতে
যেতে
হবে।
প্লাস্টিক
হাউজে
তাপমাত্রা
নিয়ন্ত্রণ
করে
কৃষি
পণ্য
উৎপাদন
করতে
হবে।
তখন
এত
জমির
প্রয়োজন
হবে
না।
এ
বিষয়গুলোতে
মনোযোগ
দিতে
হবে।
কৃষককে
রক্ষার
নামে
আমরা
ভোক্তাকে
যেন
কষ্ট
না
দিই।
কারণ
কৃষক
কিন্তু
প্রথমেই
ভোক্তা।
চালের বাজারে আমরা কতটা
স্বয়ংসম্পূর্ণ?
আমরা
চালে
মোটামুটি
স্বয়ংসম্পূর্ণ।
তবে
কোনো
কোনো
বছর
বন্যা
বা
প্রাকৃতিক
দুর্যোগে
আমাদের
ঘাটতি
পড়ে।
আবার
দেখা
যায়,
স্বাভাবিক
বছরেও
আমদানি
করতে
হচ্ছে
প্রায়
১০,
২০
বা
২৫
লাখ
টন।
এটি
অবশ্য
ভাবনার
বিষয়।
পুরো
স্বয়ংসম্পূর্ণ
হলেও
কিছু
চাল
আমদানি
হবে
এটা
সত্য।
এমনকি
রফতানি
হলেও।
কারণ
হোটেলগুলোয়
লং
গ্রেইন
তথা
বাসমতী
চালের
রান্না
হয়।
একই
সঙ্গে
বিবাহ,
পূজা
প্রভৃতি
উৎসবে
আমরা
লং
গ্রেইন
চাল
ব্যবহার
করি।
সেটি
অবশ্যই
আমদানি
হবে।
কিন্তু
সাধারণভাবে
আমাদের
দেশে
মোটা
চাল
আমদানি
করার
অর্থ
হলো
বাজারে
ঘাটতি
আছে।
এখানে
দাম
বাড়ার
আর
কোনো
কারণ
নেই।
এজন্য
বলব
যে
কৃষি
বাজারে
মোটামুটি
প্রতিযোগিতা
আছে।
পণ্য
পরিবহনে
অনেক
সুযোগ-সুবিধা
আছে।
তথ্যপ্রবাহও
এখন
তাত্ক্ষণিক।
সেই
সময়
বাজারে
দাম
বাড়ার
অর্থ
হলো
আমাদের
মজুদদাররা
যথেষ্ট
মজুদ
রাখেনি।
যে
কারণে
ঘাটতির
জন্য
বাজারে
দাম
বাড়ছে।
তো
দাম
কমাতে
হলে
দ্রুত
আমদানির
সুযোগ
দিতে
হবে।
মাসাধিককাল
ধরে
যদি
দাম
বাড়তেই
থাকে
তবে
মনে
করতে
হবে
দেশে
ঘাটতি
আছে।
প্রতিষ্ঠান
হিসেবে
বাজার
অত্যন্ত
শক্তিশালী।
বাজারকে
আঘাত
করে
আমরা
এগোতে
পারব
না।
বাজারকে
কার্যকর
হতে
দিতে
হবে।
মজুদকে এখানে
খারাপভাবে দেখা
হয়। আপনি
বিষয়টিকে কীভাবে দেখেন?
মজুদ
উৎসাহিত
করতে
হবে।
মজুদ
মোটেই
খারাপ
নয়।
ব্যক্তি,
ব্যবসায়ী
বা
উদ্যোক্তা
পর্যায়ে
প্রয়োজনে
ঋণ
দিয়ে
মজুদের
ব্যবস্থা
করতে
হবে।
সরকারি
পর্যায়ে
মজুদ
ওইটুকু
হবে,
দৈবদুর্যোগকালে
সরকার
যাতে
সংকট
মোকাবেলা
করতে
পারে।
পুরো
সংরক্ষণ
ব্যবস্থা
গড়ে
তোলার
চেষ্টা
করতে
হবে
ব্যক্তি
খাতে।
সরকারি
খাতে
হলে
ইঁদুরে
খেয়ে
ফেলে,
আবার
অপচয়
হয়,
ওজন
কমে,
পচে
যায়,
পানিতে
নষ্ট
হয়।
হাজার
হাজার
টন
দেখা
যায়
উধাও
হয়ে
যায়।
বেসরকারি
পর্যায়ে
মজুদ
হলে
এ
বিষয়গুলো
ঘটবে
না।
আমরা
মধ্যস্বত্বভোগীদের
আহ্বান
জানাব
তোমরা
মজুদ
ব্যবস্থা
গড়ে
তোলো।
তাহলেই
বাজারে
স্থিতিশীলতা
আসবে।
অনেকেই
মুনাফা
করবে
ব্যবসা
করে।
আমাদের
উচ্চশিক্ষিত
যেসব
তরুণ
চাকরি
পাচ্ছে
না
তাদের
অনেকেই
মজুদদারিকে
ব্যবসা
হিসেবে
নিতে
পারে।
তার
জন্য
বরং
নীতি
গ্রহণ
করে
তাদের
সহায়তা
দেয়া
উচিত।
সরকার তো
আইন করেছে
যে নির্দিষ্ট সময়ের বেশি
চাল বা
খাদ্যপণ্য মজুদ
করা যাবে
না।
এটা
পঞ্চাশ
থেকে
সত্তরের
দশক
পর্যন্ত
প্রয়োজন
ছিল।
আবারো
বলব,
আমরা
বাজার
ব্যবস্থাকে
বুঝতে
চাই
না।
বাজারের
শক্তিকে
অনুধাবন
করি
না।
বাজার
সম্পর্কে
আমাদের
ধারণা
স্পষ্ট
নয়
এবং
কৃষি
বাজার
ব্যবস্থা
নিয়ে
গবেষণা
অনেক
কম
হয়েছে।
এটি
আমার
ধারণা
এবং
এ
ধরনের
আইন
দ্রুত
উঠিয়ে
ফেলা
উচিত।
আমি
ব্যবসায়ী
মজুদ
করব
না
কেন?
মজুদ
করাটা
বৈধ
হওয়া
উচিত।
মজুদ
করলে
সবাই
কি
বসে
থাকবে
দাম
বাড়ার
জন্য।
কখনো
নয়।
কিছু
মজুদদার
ছেড়েই
দেবে
দাম
যখন
বাড়তেই
থাকে।
সবাই
একজোট
হয়ে
বসে
থাকে
এ
ধারণাই
সঠিক
নয়।
সে
কারণে
বারবার
বলি,
কৃষিপণ্যের
বাজার
ব্যবস্থা
সম্পর্কে
আমাদের
ধারণা
অনেক
অস্পষ্ট।
বিজ্ঞানভিত্তিক
ও
গবেষণাভিত্তিকও
নয়।
দাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে অনেকেই কৃষিমূল্য কমিশন
গঠন করার
কথা বলেন।
আপনি কী
মনে করেন?
দাবি
তোলার
ক্ষেত্রে
সব
সময়
আমরা
বেশ
পারঙ্গম।
আমাদের
সমস্যা
হলো
এখানে
প্রাতিষ্ঠানিক
আধিক্য
আছে।
আমরা
এত
প্রতিষ্ঠান
গড়ে
তুলেছি
যে
অনেকগুলোর
খুব
একটা
কার্যকারিতা
নেই।
একসময়
হয়তো
প্রয়োজন
ছিল,
কিন্তু
পরে
সেটিকে
আর
আমরা
ভেঙে
ফেলি
না।
প্রতিষ্ঠান
একবার
তৈরি
করলে
চলতেই
থাকে।
অনেক
প্রতিষ্ঠান
আমরা
গড়েছি,
যেগুলো
এখন
সময়ের
সঙ্গে
উপযোগী
নয়।
আমাদের
যেখানে
কৃষি
বিপণন
অধিদপ্তরের
মতো
সংস্থা
আছে,
সেখানে
কৃষিমূল্য
কমিশন
নতুন
কী
করবে?
কৃষিমূল্য
কমিশন
যে
কাজটি
করবে
সেটি
তো
বিদ্যমান
অধিদপ্তরটি
দিয়েই
করানো
যায়।
তাদের
মূল
কাজের
এখন
পরিবর্তন
হওয়া
দরকার।
একসময়
কৃষি
বিপণন
অধিদপ্তর
দৈনিক,
সপ্তাহভিত্তিক,
পক্ষ-মাসভিত্তিক
দাম
সংগ্রহ
করত
এবং
সেগুলো
বুলেটিন
আকারে
প্রকাশ
করত।
রেডিও,
টেলিভিশনে
প্রকাশ
করত।
তখন
এত
টেলিভিশন,
রেডিও
ছিল
না।
মোবাইল
ছিল
না,
সামাজিক
যোগাযোগ
মাধ্যম
ছিল
না।
কাজেই
তখনকার
অধিদপ্তর
এবং
এখনকার
অধিদপ্তরের
কাজ
এক
হতে
পারে
না।
এখন
মূল্য
সংগ্রহের
দরকারই
তো
নেই।
কারণ
প্রত্যেকের
হাতে
মোবাইল
আছে।
মুহূর্তেই
জেনে
যাচ্ছে
কোথায়
কী
দাম।
এর
জন্য
তো
মূল্য
তথ্য
সংগ্রহের
আর
প্রয়োজন
নেই।
এখন
কৃষি
বিপণন
অধিদপ্তর
দিয়ে
মূল্য
কমিশনের
কাজগুলো
করাতে
পারি।
এসব
কাজের
মধ্যে
হলো
মোট
চাহিদা
কত,
উৎপাদন
কত,
প্রতি
পণ্যে
উৎপাদন
খরচ
কত,
লভ্যাংশ
কত
এ
বিষয়গুলো
কৃষি
বিপণন
অধিদপ্তর
করতে
পারে।
নতুন
দায়িত্ব
দিতে
হবে।
আরেকটি
কাজ
করা
যায়।
উৎপাদন-উত্তর
যে
প্রযুক্তি,
কর্তন,
পোস্ট
হারভেস্ট
হ্যান্ডলিং,
ফসল
ফললে
সেটা
কখন
কীভাবে
কেটে
নেয়া,
কর্তন
করা,
দিনের
কোন
সময়
কাটলে
সেলফ
লাইফ
বাড়বে,
আলু-ধান
কীভাবে
কিউরিং
করতে
হবে,
যাতে
বেশিদিন
থাকে।
পেঁয়াজ-রসুন
কীভাবে
কিউরিং
করতে
হবে।
কীভাবে
বিজ্ঞানসম্মতভাবে
আদা-রসুন
সংরক্ষণ
করতে
হবে,
যাতে
পচে
না
যায়।
এ
প্রযুক্তিগুলো
প্রশিক্ষণ
দিতে
পারে
কৃষি
বিপণন
অধিদপ্তর।
একই
সঙ্গে
তারা
কৃষিপণ্যের
মূল্য
ফোরকাস্ট
করতে
পারে
যে
আগামী
দুই-তিন
মাস
মূল্য
কোন
দিকে
যাবে।
এগুলো
বিপণন
অধিদপ্তর
করতে
পারে।
কৃষি
বিপণন
অধিদপ্তর
রেখে
আলাদাভাবে
কৃষিমূল্য
কমিশন
করার
যৌক্তিকতা
দেখি
না।
দেশে কৃষি
ভর্তুকির বড়
অংশ ব্যয়
হয় সার
আর সেচে।
৫০ বছর
আগের ভর্তুকি প্যাটার্ন অনুসরণ করার দরকার
আছে কি?
ভর্তুকির
প্রশ্ন
এসেছে
মূলত
উৎপাদন
খরচ
বেশি।
বাজারমূল্য
দিয়ে
কৃষকরা
এটি
মেটাতে
পারে
না।
ফসল
বিক্রি
করে
তাদের
লাভ
থাকে
না।
উল্টো
ক্ষতি
হয়।
এটা
হলো
একটা।
আরেকটা
হলো
কৃষকদের
প্রণোদনা
দেয়া,
যাতে
উন্নত
সার
ও
বীজ
ব্যবহার
করতে
পারে।
উন্নত
সার,
সেচ,
বীজের
খরচ
জোগানোর
সামর্থ্য
ক্ষুদ্র
কৃষকের
নেই।
সে
কারণে
ভর্তুকি
প্রশ্নটি
এসেছিল।
কৃষিকে
আধুনিকায়ন
করতে
ভর্তুকি
অনেক
সহায়ক
হয়েছে।
এর
ফলেই
কৃষক
রাসায়নিক
সার
ব্যবহার,
সেচে,
উন্নত
জাতের
ফসল
ফলাতে
উৎসাহিত
হয়েছে।
যেহেতু
খরচ
কমে
এসেছে,
সেহেতু
বাজারেও
তারা
কিছুটা
মুনাফা
করতে
পারে।
তবে
সেটিও
কোনো
দীর্ঘস্থায়ী
সমাধান
নয়।
আসলে
ভর্তুকিটা
আমাদের
করের
টাকা
কৃষককে
দিচ্ছি।
কাজেই
যতদিন
ভরণ-পোষণের
কৃষি
থাকবে,
ততদিন
ভর্তুকি
থাকবে।
সেজন্যই
আমরা
বলি
কৃষির
বাণিজ্যিকীকরণের
কথা।
লাভ-লোকসানের
ভিত্তিতে
একজন
উদ্যোক্তা
কৃষিতে
বিনিয়োগ
করবে
এবং
লাভ
করার
জন্য
কৃষি
করবে।
সেক্ষেত্রে
বড়
কৃষক
হলে
সে
নিজেই
প্রযুক্তি
কিনতে
পারবে
এবং
ব্যবহার
করতে
পারবে।
বড়
বড়
খামার
হলে
তখন
ভর্তুকির
প্রয়োজন
হবে
না।
আমরা
বর্তমানে
সারে,
পানিতে,
বিদ্যুতের
খরচে,
যন্ত্রপাতি
ক্রয়ের
ক্ষেত্রে
ভর্তুকি
দিচ্ছি।
সেটি
অব্যাহত
রাখতে
হবে,
যতদিন
ক্ষুদ্র
কৃষক
ও
ক্ষুদ্র
কৃষি
থাকবে।
ভরণ-পোষণের
কৃষির
একটা
বৈশিষ্ট্য
হলো
ভর্তুকির
ওপর
নির্ভরতা।
সেচে পানি
ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমরা অনেক
অপচয় করে
থাকি। সেটি
কমাতে পরিবর্তনটা কোথায় আনা
উচিত?
আমরা
তো
জলবায়ু
নিয়ে
বেশ
সোচ্চার।
দেশেও,
বিদেশেও।
কিন্তু
প্রকৃতি-পরিবেশের
ক্ষতি
নিয়ে
আমরা
যতটা
সোচ্চার
ততটা
কিন্তু
কার্যকরভাবে
মানছি
না।
এর
একটা
প্রমাণ
ভূগর্ভস্থ
পানির
অবাধ
সেচ।
সেচের
প্রায়
৭৩-৭৪
ভাগ
পানি
আসে
ভূগর্ভস্থ
পানি
থেকে।
গত
শতকের
ষাটের
দশক
থেকে
যখন
ভূগর্ভস্থ
পানির
ব্যাপক
ব্যবহার
শুরু
হলো
তখন
থেকেই
আর্সেনিকের
সমস্যা
দেখা
দিল।
প্রায়
৬২টি
জেলায়
আর্সেনিক
সমস্যা
কিছু
না
কিছু
আছে।
পানির
স্তর
স্থিতিশীল
থাকলে
একটা
কথা,
প্রতি
বছরই
পানির
স্তর
নিচে
নেমে
যাচ্ছে।
বরেন্দ্র
এলাকায়
একসময়
পঁচিশ-ত্রিশ
মিটার
নিচে
পানি
পাওয়া
যেত।
এখন
পঁয়ষট্টি-সত্তর
মিটারেও
পানি
পাওয়া
যায়
না।
তার
মানে
পানি
পুনর্ভরণ
হচ্ছে
না।
এ
রকম
বহু
অঞ্চল
শুকিয়ে
যাচ্ছে।
এটা
কিন্তু
আমাদের
পরিবেশের
বিপর্যয়ের
অন্যতম
কারণ।
সুতরাং
ভূগর্ভস্থ
পানির
ব্যবহার
দ্রুত
কমিয়ে
আনা
দরকার।
কৃষিতে
কীভাবে
ভূ-উপরস্থ
পানি
ব্যবহার
করা
যায়,
সে
পথ
ও
পদ্ধতি
সন্ধান
করতে
হবে।
কীভাবে
বৃষ্টির
পানি
ধরে
রাখা
যায়,
বর্ষাকালের
অতিরিক্ত
পানি
শীতকালের
জন্য
কীভাবে
ধরে
রাখতে
পারি
সেটা
ভাবতে
হবে।
এটি
বদ্বীপ
পরিকল্পনা
২১০০তে
বলেছি
খুব
জোরালোভাবে।
রাসায়নিক সারের
অতিব্যবহারে অনেকেই বলছেন জমির
উর্বরতাশক্তি কমে
যাচ্ছে? অনেকেই জৈব কৃষির
কথা বলছেন। আপনি কী
মনে করেন?
রাসায়নিক
সারের
প্রয়োজন
তো
আছেই।
কারণ
ধানের
যে
বীজটা
আমরা
ব্যবহার
করি
তার
প্রচুর
সারের
প্রয়োজন
হয়।
কারণ
সে
অধিক
উৎপাদন
করে।
রাসায়নিক
সারের
ব্যবহার
আরো
উৎসাহিত
হয়েছে
ভর্তুকির
ফলে।
ভর্তুকি
এত
দিচ্ছে
যে
অনেক
সময়
এর
অপব্যবহার
হচ্ছে।
ইউরিয়া
সার
প্রয়োজন
নেই,
তাও
ব্যবহার
করছি।
অপব্যবহার
করছি।
ভর্তুকিরও
একটা
যৌক্তিক
ব্যবহার
থাকতে
হবে।
ভর্তুকি
থেকে
বেরিয়ে
আসার
উপায়
হলো
বৃহৎ
খামার
করা।
বাজারভিত্তিক
কৃষি
গড়ে
তোলা।
কৃষিতে কিছু
করপোরেট প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগ করছে।
এটা কি
প্রমাণ করে
বাংলাদেশে কৃষি
লাভজনক?
এটা
ইতিবাচক।
এটাকে
আমরা
এগ্রিবিজনেস
ফার্ম
বলি।
এসব
ছাড়া
কৃষির
বাণিজ্যিকীকরণ
কীভাবে
সম্ভব?
আরো
৪০-৫০টা
এগ্রিবিজনেস
ফার্ম
গড়ে
ওঠা
উচিত।
যারা
কৃষি
উৎপাদন
করবে, কৃষককে
সহায়তা
দেবে।
তারা
গবেষণা
করবে,
ভালো
বীজ
অবমুক্ত
করবে,
তাদের
দেবে
এবং
পরবর্তী
কৃষি
বিপ্লবে
ভূমিকা
রাখবে।
এ
ধরনের
আরো
প্রতিষ্ঠান
বাজারে
আসা
দরকার।
তাদের
বেশি
করে
উৎসাহিত
করা
দরকার।
বলতে
গেলে
সঠিক
পথেই
আমাদের
রূপান্তর
হচ্ছে।
শ্রুতলিখন: হুমায়ুন কবির










