আসছে ৯ জুন ২০২২ অর্থমন্ত্রী জাতীয় সংসদে ২০২২-২৩ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট পেশ করবেন। বাজেট কেবলই সরকারের এক বছরের আয় ও ব্যয়ের হিসাব নয়, বরং বাজেটে সূচিত আয়-ব্যয়ের মাধ্যমে সরকারিভাবে দেশের বিরাজমান সমস্যার সমাধান করবে তার একটি সুনির্দিষ্ট রূপরেখা থাকে। ২০২২-২৩ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটের ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছে ৬ লাখ ৭৭ হাজার ৮৬৪ কোটি টাকা। নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের জন্য এটা একটা বড় অংকের বাজেট। তাই এ বাজেট ঘিরে জনগণের প্রত্যাশাও বেশি। তবে যেসব বিষয় জনগণকে আশু এবং প্রত্যক্ষভাবে প্রভাবিত করে, সেসব বিষয়ের একটি সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা এ বাজেটে থাকবে বলেই জনগণের প্রত্যাশা। যেমন মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যদ্রব্যের মূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে সব শ্রেণীর মানুষের আয়ের উৎস তৈরি এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য সুরক্ষা বলয়ের ব্যবস্থা অবশ্যই তালিকায় সবার ওপরে থাকবে।

২০২০ সাল ছিল বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অপ্রত্যাশিত রকমের খারাপ সময়। নভেল করোনাভাইরাসের প্রভাবে গণস্বাস্থ্য যেমন চরম ঝুঁকির মধ্যে ছিল, বিশ্ব অর্থনীতিও ছিল বিপর্যয়ে। অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের দিক থেকে ১৯২৯ সালের মহামন্দার পরই এ অতিমারীর অবস্থান। নতুন করে বিশ্বের প্রায় ১০ কোটি মানুষ চরম দারিদ্র্যসীমার নিচে ধাবিত হয়েছে করোনার প্রভাবে। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়।

সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিংয়ের (সানেম)  দেশব্যাপী একটি সমীক্ষায় দেখা যায়, ২০১৮ সালে মোট জনসংখ্যার ২১ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করলেও করোনা-পরবর্তী সময়ে সংখ্যাটা বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ৪২ শতাংশে। এই বর্ধিত জনসংখ্যাকে দারিদ্র্যসীমার ওপরে টেনে তোলাই হবে বাজেটের বড় চ্যালেঞ্জ।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকারের আশু ও টেকসই পদক্ষেপ অবশ্যই বাজেটে প্রতিফলিত হতে হবে। বিশ্ব অর্থনীতি এখনো অতিমারীর বৈরী প্রভাব কাটিয়ে উঠতে পারেনি। দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হয়েছে বারবার। ফলে জোগানের স্বল্পতা পরিলক্ষিত হয়েছে অর্থনীতির প্রায় সব সেক্টরে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চলমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতা, বিশেষ করে রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যকার দীর্ঘ যুদ্ধ পণ্যদ্রব্যের সরবরাহ চেইনকে মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত করেছে। ফলে বিশ্বব্যাপী কাঁচামালসহ শিল্প ও ভোগ্যপণ্যের দামের তাত্ক্ষণিক উল্লম্ফন লক্ষ করা গেছে। বাংলাদেশ তথা বিশ্বের অনেক দেশই জ্বালানি তেল এবং খাদ্যসামগ্রী যেমন গম, ভোজ্যতেল রাশিয়া ও ইউক্রেন থেকে আমদানি করে। চলমান এ যুদ্ধ পণ্যসামগ্রীর স্বাভাবিক সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় দামের ঊর্ধ্বগতির ধারা এখনো অব্যাহত আছে। তদুপরি, দেশীয় কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর কারণে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে। সব মিলিয়ে মূল্যস্ফীতির একটি বিরূপ প্রভাব পড়েছে প্রান্তিক জনগণের জীবনমানের ওপর।

অতিমারী থেকে উত্তরণের জন্য অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও সম্প্রসারণমূলক মুদ্রানীতির দ্বারস্থ হয়েছিল, যা সে সময়ের জন্য ছিল একটি জুতসই পদক্ষেপ। টানা কয়েক বছর বাজারে অর্থের জোগান বেড়ে যাওয়ার কারণে মুদ্রাস্ফীতি বেড়েছে। তাই সরকার ব্যাংক সুদহার বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতির লাগাম টানার চেষ্টা করছে। রেপো (পুনঃক্রয় চুক্তি) হার ২৫ বেসিস পয়েন্ট বাড়িয়ে ৫ শতাংশে বৃদ্ধি করা হয়েছে অতিসম্প্রতি। তবে এ নীতি বাজারে কতটুকু প্রভাব ফেলবে তা নিয়ে রয়েছে যথেষ্ট সংশয়। বিরাজমান মূল্যস্ফীতি বাজারে অতিরিক্ত তারল্য বৃদ্ধির কারণে না যতটুকু, তার চেয়ে ঢের বেশি বৈশ্বিক সরবরাহ চেইন বিপর্যয়ের কারণে—প্রথমত, অতিমারীর প্রভাব এবং দ্বিতীয়ত, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফল। আর মূল্যস্ফীতির প্রকোপটা জ্বালানি তেল ও খাদ্যসামগ্রীর মাঝেই বেশি সীমাবদ্ধ। সুতরাং তারল্য কমিয়ে চলমান মুদ্রাস্ফীতির রাশ টেনে ধরা খুব একটা কার্যকর হবে বলে মনে হয় না। এ অবস্থায় মূল্যস্ফীতি কমিয়ে কীভাবে দ্রব্যমূল্যকে জনগণের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখা যায়, তার একটা দীর্ঘস্থায়ী ও টেকসই সমধান আসবে এ বাজেটের মাধ্যমে, সেটাই জনগণের প্রত্যাশা।

এ নিরিখে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আমলে নিলে দীর্ঘমেয়াদে মূল্যস্ফীতি লাঘব করা সম্ভব হবে। প্রথমত, খাদ্যদ্রব্যের দেশীয় উৎপাদন ও সরবরাহের দিকে নজর দিতে হবে। বলা বাহুল্য, আমাদের দেশের মাটি অনেক উর্বর। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে দেশে উৎপাদন বাড়াতে হবে। সেজন্য চাই কৃষিবান্ধব বাজেট। দরকার হলে কৃষিতে ভর্তুকি দিয়ে কৃষকদের উৎপাদন ও বিপণনে উৎসাহ দিতে হবে। উন্নত বিশ্বের প্রায় সব দেশেই কৃষিতে ভর্তুকির ব্যবস্থা আছে, যদিও সেখানকার উৎপাদন ব্যয় উৎপাদিত ফসলের মূল্য থেকে বেশি। তবুও সামাজিক নিরাপত্তা জাল হিসেবে বা কৃষিকে বাঁচিয়ে রাখার নিমিত্তে কৃষিতে ভর্তুকির ব্যবস্থা আছে। আমাদের দেশে কৃষি এখনো একটি লাভজনক খাত এবং বার্ষিক মোট দেশজ উৎপাদনে কৃষির অবদান এখনো উল্লেখযোগ্য। কৃষিকে টেকসই করার জন্য দরকার কিছু সংস্কার। শুধু ভর্তুকির ব্যবস্থা করলেই হবে না, ভর্তুকি ব্যবস্থাপনায় নিশ্চিত করতে হবে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা। তদুপরি বিশ্বব্যাংকসহ অনেক উন্নয়ন সংস্থার গবেষণায় প্রতীয়মান যে বাংলাদেশে কৃষিজমির মালিকানা সংস্কারের মাধ্যমে কৃষির উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। সেচকালীন সার ও কীটনাশকের পর্যাপ্ত সরবরাহ এবং কৃষিতে আধুনিক যন্ত্রপাতির সংযোজন কৃষিকে শিল্পের প্রধান ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ ইন্ডাস্ট্রিতে রূপান্তর করতে পারে। এর সুফল পেতে হলে দরকার মধ্যস্বত্বভোগীদের নিয়ন্ত্রণ। ভৌগোলিক দিক থেকে বাংলাদেশ খুব একটা বড় নয়, এখানে উৎপাদক ও ভোক্তার মাঝে মধ্যস্বত্বভোগীদের এতটা উপস্থিতি অর্থনৈতিক নীতির মধ্যে পড়ে না বা কাম্যও নয়। এসব অন্তরায় চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নিলে খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি বিরাজমান মূল্যস্ফীতি লাঘবে দীর্ঘমেয়াদে সুফল দেবে।  

দ্বিতীয়ত, জ্বালানি খাত যেকোনো অর্থনীতির জন্যই অপরিহার্য একটি খাত। বাংলাদেশ জ্বালানি আমদানিকারক একটি দেশ। বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা, যেমন ১৯৭৪ সালের অয়েল শক এবং ২০১০ সালের জ্বালানি তেলের দামের অভাবনীয় উল্লম্ফন বিশ্বকে ভুগিয়েছিল। বর্তমানে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ অবশ্যই জ্বালানি আমদানিকারক দেশকে বিপদে ফেলবে। যুদ্ধে রাশিয়ার প্রধান অর্থনৈতিক হাতিয়ার হলো জ্বালানি তেল ও গ্যাস। এ দুইয়ের নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে রাশিয়া পুরো ইউরোপকে তার বিরুদ্ধে এক হওয়া থেকে বিরত রাখতে পেরেছে এখন পর্যন্ত। ইউরোপীয় দেশগুলোও রাশিয়ার এ বলয় থেকে উত্তরণের পথ খুঁজছে। তাই তারা জীবাশ্ম জ্বালানি ছেড়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রতি ঝুঁকছে। এটা বাংলাদেশের জন্য একটি বড় বার্তা। বাংলাদেশকেও জীবাশ্ম জ্বালানি পরিহার করে নবায়নযোগ্য জ্বালানির পথ খুঁজতে হবে। সৌরশক্তি ও বায়ুশক্তি কাজে লাগিয়ে কীভাবে দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণ করা যায়, সে সম্পর্কে একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাজেটে প্রতিফলিত হবে। দরকার হলে বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণ করার লক্ষ্যে অবকাঠামোর প্রয়োজনীয় উন্নয়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের উদ্যোগ নিতে হবে। মনে রাখতে হবে নবায়নযোগ্য জ্বালানির স্বনির্ভরতা শুধু মূল্যস্ফীতি রোধেই নয়, বরং আগামীর উন্নয়নের প্রধান অংশীদার হবে এটি।

মূল্যস্ফীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত বৈদেশিক বিনিময় হার। ডলারের দামের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বর্তমানে দেশে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। মূল্যস্ফীতি যখন বাড়ে, দেশীয় মুদ্রার (টাকা) ক্রয়ক্ষমতা কমে। অর্থাৎ সমানসংখ্যক বিদেশী মুদ্রা (ডলার) কিনতে আগের তুলনায় বেশি দেশীয় মুদ্রার (টাকার) প্রয়োজন হয়। একে দেশীয় মুদ্রার (টাকার) অবমূল্যায়ন বলে। অন্যান্য বাজারের মতো টাকার বিপরীতে ডলারের দাম তখনই বাড়বে যখন দেশীয় বাজারে এর চাহিদা বেড়ে যায়। বর্তমানে দেশে ডলারের চাহিদা বাড়ার প্রধান কারণ বিশ্ববাজারে প্রধান পণ্যদ্রব্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি। অন্যদিকে রফতানি আয়ে তেজি ভাব থাকলেও বাংলাদেশের রফতানি আইটেম সীমিত। তৈরি পোশাক খাত অবশ্যই বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে বাংলাদেশের জন্য সর্ববৃহৎ খাত। তবে তৈরি পোশাক খাতের মূল্য সংযোজন খুব একটা বেশি নয়। সেজন্য তৈরি পোশাক খাত থেকে সবটুকু সুফল পেতে ব্যাকওয়ার্ড ও ফরওয়ার্ড লিংকেজ স্থাপনের প্রতি নজর দিতে হবে।

অন্যদিকে করোনার অভিঘাতের ফলে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশী দেশে ফেরত এসেছে। ফলে দেশে প্রবাসী আয়প্রবাহে তেমন প্রবৃদ্ধি নেই। ২০২০ সালের তুলনায় ২০২১ সালে প্রবাসী আয় বেড়েছে মাত্র ২ দশমিক ২ শতাংশ। ২০২২ সালের শুরু থেকে মাসিক রেমিট্যান্সপ্রবাহে ভাটা দেখা গেছে। শুধু রোজার মাস ছাড়া। এ অবস্থায় ডলারের চাহিদা বেড়ে গেলে সরকার রিজার্ভ থেকে বাজারে ডলারের জোগান দেয় মুদ্রা বিনিময়ের বাজারকে স্থিতিশীল রাখতে। ফলে ডলারের রিজার্ভ ২০২১ সালের আগস্টে ৪ হাজার ৮২০ কোটি ডলার থেকে নেমে বর্তমানে ৪ হাজার ৪০০ কোটি ডলারে স্থিত হয়, যা দিয়ে দেশটির পাঁচ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো যাবে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের মতে, স্থিতিশীল অর্থনৈতিক অবস্থায় তিন থেকে পাঁচ মাসের আমদানি ব্যয় বহনে সক্ষম হলে একটি দেশকে স্বল্পমেয়াদে ঝুঁকিমুক্ত বলা যায়। তবে অর্থনৈতিক অস্থিতিশীল অবস্থায় ঝুঁকিমুক্ত থাকার জন্য ৮ থেকে ১২ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর সক্ষমতা থাকা চাই। এ মানদণ্ডে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থা বিচার করা যদিও বিতর্কযোগ্য, সরকার অবশ্যই চাইবে ডলারের আন্তঃপ্রবাহ বাড়িয়ে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে একটি শক্ত অবস্থানে পাকাপোক্ত করতে।

এ লক্ষ্যে সরকার অনেক চেষ্টাই করে যাচ্ছে। যেমন সরকার বর্তমানে রেমিট্যান্সের ওপর আড়াই শতাংশ হারে প্রণোদনা দিয়ে থাকে। এটা অবশ্যই একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। আসছে বাজেটে অবশ্যই এ প্রণোদনার সুস্পষ্ট উল্লেখ থাকবে বলে সব মহলের ধারণা। তবে রেমিট্যান্সপ্রবাহ বাড়ানোর জন্য আরো অনেক পদক্ষেপ নিতে হবে। এক্সচেঞ্জ হাউজ বা ব্যাংকগুলো বিদেশে বিনিময়ের যে হার গ্রাহককে দিতে পারেন, বিধিবহির্ভূত বাজার, যেমন হুন্ডি, তাদের চেয়ে বেশি রেট দিতে পারে। তাহলে প্রবাসীরা কেন তাদের কষ্টার্জিত মুদ্রা কম বিনিময় হারে বৈধ চ্যানেলে পাঠাবেন? এ অবস্থায় সরকার অবশ্যই এসব বিধিবহির্ভূত বাজার বন্ধের যথাযথ পদক্ষেপ নেবে। যেমন সব ধরনের চোরাচালান বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। কালো টাকা সাদা করার অর্থই হলো কালোবাজারিদের উৎসাহ জোগানো। এ বিষয়ে সরকারের সঠিক অবস্থান অবশ্যই বাজেটে প্রতিফলিত হবে। তদুপরি রেমিট্যান্স বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধার প্রতি যথাযথ নজর দিতে হবে। কথিত আছে একজন রেমিট্যান্স যোদ্ধা পাসপোর্ট তৈরি থেকে শুরু করে বিমানবন্দর পর্যন্ত প্রতিটি পদক্ষেপে হেনস্থার শিকার হন (সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নাও হতে পারে)। আবার বিদেশে বাংলাদেশী দূতাবাস থেকে কাঙ্ক্ষিত সেবা না পাওয়ার অভিযোগ আছে অনেক দিন থেকেই। এসব অভিযোগ খতিয়ে দেখে সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া দরকার। বিভিন্ন ক্ষেত্রে হয়রানি বন্ধ করে প্রবাসীদের যথাযথ সম্মান দিলেই তারা দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ এবং বৈধ পথে টাকা পাঠাতে অনুপ্রাণিত হবে।

 

ড. মোহাম্মাদ দুলাল মিয়া: সহযোগী অধ্যাপক, নিজওয়া বিশ্ববিদ্যালয়, ওমান

ড. সামসুল আলম: সহযোগী অধ্যাপক

ডি মন্টফোর্ট বিশ্ববিদ্যালয়, ইউকে