এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশ, যেমন জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও ভারত ট্রাম্পের বাণিজ্যনীতির নেতিবাচক প্রভাব কমিয়ে আনার বিষয়ে ডেমোক্র্যাটদের কাছে সহযোগিতা আশা করছে। ট্রাম্পের বাণিজ্যনীতি একতরফা শুল্কারোপ করে আসছে। পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের সঙ্গে এমন বাণিজ্যচুক্তি করেছে, যা বাস্তবায়ন করা কঠিন। এসব চুক্তিতে কিছুটা শুল্ক-সুবিধা দেয়া হলেও অনিশ্চয়তা কাটেনি।
তবে ট্রাম্প প্রশাসনের একটি অন্যতম নীতি হলো গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদের সরবরাহে চীনের ওপর নির্ভরতা কমানো। এ উদ্যোগের আওতায় যুক্তরাষ্ট্র খনি ও খনিজ প্রক্রিয়াকরণ স্থাপনায় বিনিয়োগ বাড়িয়েছে। পাশাপাশি নতুন প্রকল্পের জন্য পুঁজির জোগানও বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব উদ্যোগের অনেকগুলোর ক্ষেত্রেই যুক্তরাষ্ট্রের দুই প্রধান রাজনৈতিক দলের সমর্থন রয়েছে। ফলে ডেমোক্র্যাটরাও বিরল মৃত্তিকা খনিজ (রেয়ার আর্থ), টাংস্টেন ও লিথিয়ামের মতো গুরুত্বপূর্ণ খনিজের উৎপাদন ও প্রক্রিয়াকরণে বিনিয়োগ অব্যাহত রাখার পক্ষে থাকতে পারেন।
তবে এক্ষেত্রে একটি শর্ত থাকতে পারে যে ট্রাম্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যেসব প্রতিষ্ঠান সরকারি অর্থায়নে সুবিধা ভোগ করেছে, সেসবের বিরুদ্ধে ডেমোক্র্যাটরা তদন্ত শুরুর দাবি তুলতে পারেন। সব মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র এশীয় দেশগুলো ডেমোক্র্যাটদের কাছে সবচেয়ে বেশি যা চাইবে, তা হলো ট্রাম্পের হঠকারী সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রবণতা নিয়ন্ত্রণ করা, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের অবসান ঘটানো, বাণিজ্য শুল্ক প্রত্যাহার করা এবং মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে আরো ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা।
[রয়টার্সের এক নিবন্ধে]
ক্লাইড রাসেল: আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমটির এশিয়ার পণ্যবাজার ও জ্বালানিবিষয়ক কলামিস্ট










