(গতকালের পর)

চার.

পূর্ব কিংবা পশ্চিম নয়, বাংলা

বাংলার মুসলমানের ওপর তিনধারী তলোয়ারের কথা আগেই বলেছি। একটা ব্রিটিশ, একটা হিন্দুদের আধিপত্য এবং শেষটা এলিট মুসলমান শ্রেণী। এর মধ্যে পাক-ভারত-বাংলার এলিট মুসলমানদের ওপরও দুধারী তলোয়ারের যন্ত্রণা ছিল। ব্রিটিশ শাসনের অবসান এবং হিন্দুদের আধিপত্য থেকে মুক্তি পেতে তারা হিন্দু-মুসলমানদের জন্য আলাদা রাষ্ট্রের কোনো বিকল্প খুঁজে পেলেন না। ১৯৪০ সালে লাহোরে সর্বভারতীয় মুসলিম লীগের পক্ষে শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে সম্পূর্ণ আলাদা দুটি রাষ্ট্রের প্রস্তাব করেন। এতে অবিভক্ত ভারতের উত্তর-পশ্চিম এবং পূর্বের প্রদেশগুলো নিয়ে মুসলমানদের জন্য একটি আলাদা দেশ গঠনের স্বপ্ন উপস্থাপন করা হয়। মোহাম্মদ আলী জিন্নাহসহ অধিকাংশ মুসলিম নেতা এতে উপস্থিত ছিলেন।

১৯৪৬ সালে ভারত ভাগের তোড়জোড় চলছে। ব্রিটিশ এ কাজে ‘কেবিনেট মিশন’ পাঠিয়েছে। সোহ্রাওয়ার্দী তখন অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী। বাংলার নেতারাসহ জনগণ ভাবছে পাকিস্তান ও অবিভক্ত বাংলা, আসাম নিয়ে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এক রাষ্ট্র হবে। বাকি সব প্রদেশ নিয়ে ভারত। বঙ্গবন্ধুর ভাবনা ছিল সহজ-সরল। তিনি লিখেছেন, ‘অখণ্ড ভারতে যে মুসলমানদের অস্তিত্ব থাকবে না এটা আমি মনপ্রাণ দিয়ে বিশ্বাস করতাম। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হিন্দু নেতারা ক্ষেপে গেছেন কেন? ভারতবর্ষে মুসলমান থাকবে এবং পাকিস্তানেও হিন্দুরা থাকবে। সবাই সমান অধিকার পাবে। পাকিস্তানের হিন্দুরাও স্বাধীন নাগরিক হিসেবে বাস করবে। ভারতবর্ষের মুসলমানও সমান অধিকার পাবে। পাকিস্তানের মুসলমানরা যেমন হিন্দুদের ভাই হিসেবে গ্রহণ করবে, ভারতবর্ষের হিন্দুরাও মুসলমানদের ভাই হিসেবে গ্রহণ করবে।

কিন্তু কংগ্রেস এবং মুসলিম লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা আগেই কলকাতাকে ভারতে দেয়ার গোপন চুক্তি করে ফেলেছেন। বাঙালিরা প্রতিবাদ করবে, সে সুযোগ আর হলো না। ১৯৪৬ সালের আগস্টে কলকাতায় এবং সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে নোয়াখালীর সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সব হিসাব ওলটপালট করে দিল। শেষ পর্যন্ত গণভোট দিয়ে আসাম থেকে সিলেট আলাদা করে পূর্ববাংলায় অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হলো। বাংলা রক্ষা করতে না পেরে সিলেট রক্ষায় বঙ্গবন্ধু সর্বোচ্চ চেষ্টা করলেন।

কিন্তু অবিভক্ত বাংলা নিয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ভেঙে গেল। তার হূদয় যেন দুটুকরো হয়ে গেল। তিনি লিখেছেন ‘নেতারা যদি নেতৃত্ব দিতে ভুল করে, জনগণকে তার খেসারত দিয়ে হয়। যে কলকাতা পূর্ব বাংলার টাকায় গড়ে উঠেছিল সেই কলকাতা আমরা স্বেচ্ছায় ছেড়ে দিলাম।’

পাঁচ.

বাঙালি মুসলমান—ভাষা এবং আত্মপরিচয়ের সংকট

১৯৪৭ সালে দেশ বিভাজনের পর বছর বছর না পেরোতেই বাঙালি মুসলমানের আত্মপরিচয়ের সংকট তৈরি হয়ে গেল। ১৯৪৮ সাল থেকে ভাষা আন্দোলন শুরু হতেই নতুন এক জিজ্ঞাসা বাঙালির সামনে উপস্থিত হয়ে গেল। দেশ বিভাগের পর ভারত হিন্দিকে তাদের রাষ্ট্রভাষা করে নিল। হিন্দি ভাষার অক্ষর প্রাচীন সংস্কৃত ভাষার অক্ষর। হিন্দু জনগোষ্ঠীর চেতনার সঙ্গে তা মিলেও গেল। পাকিস্তানের দুটি অংশ। পশ্চিম পাকিস্তানে উর্দু সহজেই রাষ্ট্রভাষা করা গেল। উর্দু ভাষার অক্ষর আরবি ভাষার। পাকিস্তানি মুসলিম জনগোষ্ঠীর চেতনার সঙ্গে তাদের মিলেও গেল। বাঙালি মুসলমানদের ভাষা নিয়ে সিদ্ধান্ত দোদুল্যমান থেকে গেল। অনেকে বললেন, আরবি হরফে বাংলা লেখা হোক। নতুন দেশ, নতুন চেতনা। ভাষার অক্ষর বদল নতুন কিছু নয়। তুরস্কে ওসমানীয় খেলাফতের সময় আরবি অক্ষরে টার্কিশ ভাষা লেখা হতো। কামাল আতাতুর্ক, আরবি অক্ষর বদলে লাতিন ভাষায় টার্কিশ অক্ষর চালু করেন। নতুন পাকিস্তানের অনেকেই ওসমানীয় খেলাফতের চেতনা ধারণ করতেন। কিন্তু সাধারণ বাঙালি মুসলমানের দ্বন্দ্ব থেকেই যায়। বাঙালি মুসলমান, খাঁটি মুসলিম না দো-আঁশলা? খাঁটি মুসলমান হতে গেলে কি উর্দু, ফার্সিতে কথা বলতে হবে? নিদেনপক্ষে বাংলা বর্ণমালাকে উর্দু/আরবি অক্ষরে লিখলে কি খাঁটি হওয়া যাবে? অন্যদিকে পাকিস্তানিরা আড়ালে বলতে লাগল—এরা হলো দো-আঁশলা মুসলমান। কয়েক পুরুষ আগেও এরা হিন্দু ছিল। এদের জাত-পাতের ঠিক নেই।

এ সংকটের সময়ও বঙ্গবন্ধু বাঙালি মুসলমানের মন ঠিকভাবে পড়তে পেরেছেন। নিজেদের হাজার বছরের বহমান সংস্কৃতি, ভাষা ধারণ করেও মুসলমান থাকা যায়—এ চেতনার মশাল তিনি নিজে বহন করেছেন। কোটি কোটি বাঙালি মুসলমানদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস প্রতিষ্ঠিত করতে সাহায্য করেছেন।

ছয়.

বাংলার হিন্দু, বাংলার বৌদ্ধ, বাংলার খ্রিস্টান, বাংলার মুসলমান—আমরা সবাই বাঙালি

স্কুলজীবন থেকেই বঙ্গবন্ধু মুসলিম লীগের ছাত্র সংগঠন এবং মুসলিম লীগ করেছেন। কিন্তু তিনি সব সময়ই অনুভব করেছেন, তারা জনগণের দল নয়। বাংলার সাধারণ খেটে খাওয়া মুসলমানদের তারা প্রতিনিধিত্ব করে না। বঙ্গবন্ধুর ভাষায়, ‘মুসলিম লীগ তখন পর্যন্ত জনগণের প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয় নাই। জমিদার, জোতদার ও খানবাহাদুর নবাবদের প্রতিষ্ঠান ছিল। খাজা নাজিমুদ্দিন সাহেবের নেতৃত্বে ১৯৩৭ সালের নির্বাচনে ঢাকার এক খাজা বংশ থেকেই এগারজন এমএলএ হয়েছিলেন।’

১৯৪৯ সালে মুসলিম লীগ থেকে বেরিয়ে আওয়ামী মুসলিম লীগ হলো। মওলানা ভাসানী সভাপতি। বঙ্গবন্ধু যুগ্ম সম্পাদক। মওলানা ভাসানী, ইয়ার মোহাম্মদ খান, শামসুল হক, সোহ্রাওয়ার্দী এবং বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ক্রমে জনমানুষের দল হতে থাকে। জনমানুষের দল সাম্প্রদায়িক হবে কেন? বঙ্গবন্ধু ১৯৪৬ সালে কলকাতায় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা দেখেছেন। পরে নোয়াখালীতে। ১৯৪৭ থেকে ১৯৫১ সাল পর্যন্ত এপার বাংলা-ওপার বাংলায় হিন্দু-মুসলমান শরণার্থীদের আসা-যাওয়া দেখেছেন। মানুষের দুঃখ, দহন দেখতে দেখতে বঙ্গবন্ধু প্রাজ্ঞ হয়েছেন। তিনি ক্রমে নিজের এবং দলের ভেতরের অন্তর্দ্বন্দ্বগুলো স্পষ্ট করে অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির আদর্শ গ্রহণ করলেন। ১৯৫৫ সালের অক্টোবরে দলের সম্মেলনে ‘মুসলিম’ শব্দটা বাদ পড়ে গেল। বঙ্গবন্ধু সব ধর্মের বাঙালির জন্য নতুন আত্মপরিচয় পরিচয় নির্মাণে ব্রত হলেন। আমাদের প্রথম পরিচয় আমরা বাঙালি। আমাদের জাতিসত্তাও আমরা বাঙালি। বাঙালি পরিচয় আমাদের এথনিসিটি। হতে পারে বাঙালি সংকর জাতি। হতে পারে বাঙালি আর্য-অনার্যের মিশ্রণ। কিন্তু হাজার বছরের ধারাবাহিকতায় আমাদের যে মুখের ভাষা তা বাংলা, যে সংস্কৃতি তা বাঙালি সংস্কৃতি। সময়ের ধারাবাহিকতায় আমরা অনেকে বৌদ্ধ হয়েছি, অনেকে মুসলমান হয়েছি। অনেকে সনাতন ধর্মেই থেকে গিয়েছি। কিন্তু একটি স্বাধীন দেশের আকাঙ্ক্ষা বাঙালি হিন্দুর যেমন আছে, বৌদ্ধের যেমন আছে, বাঙালি সিংহভাগ মুসলমানেরও আছে। একটি উন্নত জীবনের স্বপ্ন সব সম্প্রদায়ের মানুষকেই তাড়া করে বেড়ায়। পাকিস্তানিদের বঞ্চনা, শোষণ সব ধর্মের মানুষকে একইভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। বঙ্গবন্ধু বাঙালি মুসলমানদের মন বুঝতে বুঝতে রাজনীতিতে পোক্ত হয়েছেন। কিন্তু ক্রমে দেখলেন, ‘আমি নিজের জন্য যা ভালো মনে করি, অন্যজনের জন্যও তাই ভালো মনে করা’ হলো ধর্মের সবচেয়ে বড় শিক্ষা। মহানবীর শিক্ষা। মানবতার শিক্ষা। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব বাঙালির জন্য একটি নতুন রাষ্ট্র গড়ার স্বপ্ন তাকে তাড়িত করতে লাগল।

সাত.

সিনসিয়ারিটি অব পারপাস, অনেস্টি অব পারপাস

বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনী পড়লে বোঝা যায়, পাকিস্তান আন্দোলন এবং পরে আওয়ামী লীগ গঠনের সময় তার নিষ্ঠা, সততা ও দক্ষতা তাকে কীভাবে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিশিষ্ট করে তুলেছে। এ উভয় দলেই তার চেয়ে প্রবীণ কিংবা তার চেয়ে বিদ্বান নেতা কম ছিলেন না। কিন্তু তার পিতার নীতিবাক্য ‘Sincerity of purpose, honesty of purpose’ মেনে আজীবন এগিয়ে চলা এক আদর্শবাদী তরুণের কাছে তারা ক্রমে নিষ্প্রভ হয়ে গিয়েছেন। এ নীতিবাক্য মেনে চলার পাশাপাশি বঙ্গবন্ধু তার মিশনে স্থির থেকেছেন। তার মিশন ছিল একটাই—বাংলার মানুষের মুক্তি। এ মিশন তার অন্তরে অহর্নিশি আলো জ্বেলে রেখেছে। এ আলো দিয়ে সহজেই অন্য সিনিয়র নেতাদের দোলাচল, দুর্বলতা, আপসকামিতা পাঠ করে ফেলতে পারতেন। এ আলো দিয়ে ক্রমে নিজের স্বতন্ত্র চলার পথ নির্মাণ করতে পেরেছেন। তার সাংগঠনিক দক্ষতা ছিল জন্মগত, কৈশোর থেকে তিনি দক্ষ সংগঠক, নিষ্ঠাবান কর্মী এবং সহজাত নেতা। কোনো রকম ব্যক্তিগত লক্ষ্য, কপটতা, লুকোছাপা তার মধ্যে ছিল না। সরল, খাঁটি ও সৎ পথে অবিচল থাকাই ছিল তার সহজাত আদর্শ।

বঙ্গবন্ধু তার আগে কিংবা সমসাময়িক সময়ে অন্য সব নেতা থেকে আলাদা হয়েছেন—তার মিশন এবং মিশনের পেছনে অবিরাম ছুটে চলার জন্য। তার পিতা বলেছিলেন ‘Sincerity of purpose, honesty of purpose থাকলে জীবনে পরাজিত হবা না।’ তার রাজনৈতিক জীবন যত অগ্রসর হয়েছে, মিশন এবং পারপাস তার ভেতর স্পষ্ট থেকে স্পষ্টতর হয়েছে। চরম আত্মত্যাগ, চরম ধৈর্য, চরম পরীক্ষা সবকিছুর সম্মুখীন তিনি হয়েছেন। কখনো ভয় পাননি, সাহস হারাননি, হাল ছেড়ে দেননি। তাই, ধৈর্য, ব্রত নিয়ে লক্ষ্যে স্থির থাকার প্রতিযোগিতায় তার আর কোনো প্রতিযোগী ছিলেন না।

পাশাপাশি এত বড় মিশন নিয়ে এগিয়েছেন অথচ তাকে কখনো দূরের মানুষ মনে হয়নি। বাঙালি সব সময় ভাবতে পেরেছে, তিনি আমাদেরই একজন। তার বুকের সঙ্গে বুক মিলিয়ে খেত থেকে উঠে আসা চাষা-মজুর কিংবা কারখানা শ্রমিকের কখনো মনে হয়নি এর মাঝখানে আর কোনো পর্দা আছে।

এ অনন্য রসায়ন যোগ তার আগের কিংবা তার সমসাময়িক কোনো নেতার সঙ্গে বাঙালির ঘটেনি। এর সঙ্গে মিশনে অবিচল থেকে অপরিসীম ত্যাগ, পরিশ্রম, ধৈর্যের পাশাপাশি সংগঠন ও গণতন্ত্রে আস্থা রেখে সাহসের যে পরাকাষ্ঠা তিনি দেখিয়েছেন, তা তাকে ইতিহাসে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছে। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে আব্দুস সামাদ আজাদ স্যারের অসমাপ্ত উত্তরটি আমি এখন সহজেই বুঝতে পারি।

আট.

দ্য ডিসাইসিভ মোমেন্ট

৭ মার্চ, ১৯৭১। বঙ্গবন্ধু রেসকোর্স ময়দানে লাখো লাখো জনতার সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। ত্রিশের দশকের মাঝামাঝি কৈশোর বয়সে তার রাজনৈতিক জীবন শুরু। প্রায় তিন দশক পর পূর্ব বাংলা নামে এ ভূখণ্ডে তিনিই গণমানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা, স্বপ্ন নির্মাণের মূল কারিগর। রাজনৈতিক জীবনের প্রথমদিকে তিনি বাঙালি মুসলমানদের কণ্ঠস্বর হয়েছেন। পরে তার চেতনার স্রোতধারায় সব ধর্ম, সব বর্ণের বাঙালি এসে মিলিত হয়েছে। তারা বঙ্গবন্ধুর নৌকা ভালোবাসা আর বিশ্বাস দিয়ে বোঝাই করে দিয়েছেন।

আজ তিনি কী বলবেন? তার কাছে কোনো স্ক্রিপ্ট নেই, কোনো সাহায্যকারীরও সাহস নেই তাকে সাহায্য করে। আশা-নিরাশার দোলাচলে ভাসতে থাকা লাখ লাখ বাঙালি তার দিকে তাকিয়ে আছে। বাঙালি জাতির হাজার বছরের বঞ্চনার প্রেক্ষাপটে স্বাধিকার এবং এক নতুন দেশ গঠনের স্বপ্ন তাকে অহর্নিশ তাড়া করছে। হাজার বছর ধরে বাংলার শাসক কখনো আফগান, কখনো হিন্দুস্তানি, কখনো ব্রিটিশ, কখনো পাকিস্তানি। বাঙালিকে আর কত দিন এভাবে দাবায়া রাখা হবে?

তিনি বুঝলেন, আজকের এ ক্ষণ জাতির ‘দ্য ডিসাইসিভ মোমেন্ট’। আজকের এ ক্ষণ বাংলাদেশ, বাঙালি জাতি এবং তার নিজের সারা জীবনের প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির একই সরল রেখায় আসার ক্ষণ।

হঠাৎ তার মস্তিষ্ক এবং হূদয় এক হয়ে গেল। তার মুখ নিঃসৃত প্রতিটি শব্দ বাঙালির হূদয়ে কিংবা জেনেটিক প্রোফাইলে জমে থাকা হাজার হাজার বছরের অনুভূতির সঙ্গে মিলে গেল।

বঙ্গবন্ধুর কণ্ঠ সর্বকালের সব বাঙালির শ্রেষ্ঠ কণ্ঠস্বর হয়ে উঠল। (শেষ)

 

আবুল মনজুর মো. সাদেক: প্রকল্প পরিচালক, ‘আমার গ্রাম-আমার শহর’ কারিগরি সহায়তা প্রকল্প, এলজিইডি