এখন বাকশালের কিছু যুগোপযোগী দিক নিয়ে আলোচনা করতে চাই। বাকশাল একটি ত্রিমাত্রিক পটভূমি রয়েছে—রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক। এর রাজনৈতিক দিক এখন আর প্রাসঙ্গিক নয়। কারণ বঙ্গবন্ধু ছাড়া এটি কার্যকর হতে পারে না। বঙ্গবন্ধু বিশ্বাস করেছেন, ঢাকা থেকে সব মানুষকে প্রশাসনিক সেবা দেয়া সম্ভব নয়। এটাকে বিকেন্দ্রীকরণ করতে হবে। তারই অংশ হিসেবে প্রতিটি প্রশাসনিক মহকুমাকে জেলায় রূপান্তর করলেন। ৬১টি জেলা হয়ে গেল। প্রশাসনের অনেকেই এতে ভুল বুঝলেন। এর পরে ৬১ জনকে জেলা গভর্নর নিয়োগ দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু, তার প্রায় অর্ধেকই কিন্তু আমলা। বাকি অর্ধেক রাজনীতিবিদ। আর এটা ছিল দুই বছরের একটা অন্তবর্তীকালীন ব্যবস্থা। দুই বছর পর নির্বাচিত গভর্নর হবে। দ্বিতীয়ত, তিনি বলেছেন, জেলার ডেপুটি কমিশনারই হবেন মুখ্য প্রশাসনিক কর্মকর্তা তথা প্রাদেশিক সরকারের চিফ সেক্রেটারির সমতুল্য। অর্থাত্ গভর্নর রাজনীতিক নেতৃত্ব দেবেন আর ডেপুটি কমিশনার হবেন প্রশাসনিক প্রধান। তার পরেও জল ঘোলা করা হয়েছে।
আর অর্থনৈতিক কর্মসূচিটা হলো কৃষিতে বৈপ্লবিক সংস্কার আনা। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ক্ষেতের আইলে অনেক জমি চলে যায়। ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি তিনি বলেছিলেন, ‘আমি জমির আইল তুলে দেব। জমি একীভূত হবে, তাতে আধুনিক পদ্ধতিতে চাষবাস করা যাবে। পাঁচ গুণ বেশি শস্য উত্পন্ন হবে।’ আরো বলেছেন, ‘আপনারা ভুল বুঝবেন না। আমি আপনাদের জমি নেব না। এটা সাময়িক ব্যবস্থা।’ কিন্তু কিছুসংখ্যক দুর্বৃত্ত তখন এই সাদাসিধে মানুষগুলোকে বিভ্রান্ত করেছিল এই বলে যে তোমাদের জমি নিয়ে যাচ্ছেন শেখ মুজিব। আইল উঠে গেলে তোমার জমির কোনো চিহ্নই থাকবে না। বঙ্গবন্ধু ভাবলেন, লাঙল যার তিনি পাবেন পাঁচ ভাগের দুই ভাগ। ভূমিহীন শ্রমিক পাবেন এক ভাগ, জমির মালিক পাবেন এক ভাগ আর সরকারের কাছে একটা ভাগ যাবে, যেটা দিয়ে ব্যাপক জনকল্যাণমূলক কাজ হবে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে। এই ছিল উত্পাদিত ফসলের বিভাজন। এই উত্পাদন ও বণ্টন ব্যবস্থা যদি টিকত, তাহলে আজকে খাদ্য বণ্টনে আমরা যে হয়রানি পোহাচ্ছি এবং কৃষক যে তার ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, সেটা অনেকাংশে লাঘব করা যেত। তাঁর মনে হয়েছিল, কিষান-কিষানিদের যদি দৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড় করানো যায়, তাহলে তথাকথিত শহুরে ভদ্রলোকেরা দেশের এই গরিব-দুঃখী মানুষগুলোকে জিম্মি করতে পারবে না। বঙ্গবন্ধু মনেপ্রাণে চেয়েছিলেন যে ওই বঞ্চিত মানুষগুলো স্বনির্ভরতা অর্জনে সক্ষম হোক। মোটা দাগে এই ছিল বাকশালের দর্শন। এখানে বলে রাখা প্রয়োজন যে বাকশালের স্লোগানগুলো ছিল—১. দুর্নীতির মূলোচ্ছেদ, ২. জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, ৩. জাতীয় উত্পাদন বৃদ্ধি, ৪. জাতীয় ঐক্য। মজার ব্যাপার হলো, জিয়া বা এরশাদও কিন্তু এই চার স্লোগানের বাইরে যেতে পারেননি। বঙ্গবন্ধু বাকশালকে আখ্যায়িত করেছিলেন ‘দ্বিতীয় বিপ্লব’ নামে। একেবারে গ্রামবাংলার আপামর জনসাধারণ থেকে শুরু করে সর্বস্তরের মানুষ এ বিপ্লবে যোগ দিয়েছিল। সমাজতান্ত্রিক বিশ্ব থেকেও এই মতবাদকে সমর্থন দেয়া হয়েছিল। তবে বাকশাল নিয়ে সাংবাদিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ছিল। কয়েকটা খবরের কাগজ বন্ধ হলো। এটি নিয়ে অনেক রকম আলোচনা আছে, তবে আমি নিজে বিবিসিতে বাকশাল-পরবর্তী তাঁর একটা সাক্ষাত্কার শুনেছি, যেখানে বঙ্গবন্ধু এই সীমিত খবরের কাগজের কারণস্বরূপ উল্লেখ করেছেন নিউজপ্রিন্ট পাচারের কথা। তিনি বলেছেন, ‘চোরাকারবারিরা যেন এই খবরের কাগজের কথা বলে আমার এই নিউজপ্রিন্ট শিল্প ধ্বংস করতে না পারে সে কারণেই আমি এটি করতে বাধ্য হয়েছি।’ বাকশাল কার্যকর ছিল মাত্র ২২৯ দিন এবং সে সময় অর্থনীতির সব সূচক ছিল ঊর্ধ্বমুখী। লক্ষ করার বিষয়, ১৯৭৪-৭৫ সালে বাংলাদেশে জিডিপির প্রবৃদ্ধি ছিল শতকরা ৭ দশমিক ৮ ভাগ। বাকশাল নিয়ে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে অরাজনৈতিক যে দুজন মানুষ তাঁর এই পদক্ষেপের বিরোধিতা করেছিলেন—সেই দুজন হলেন বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেসা মুজিব ও তাঁর বড় জামাতা প্রখ্যাত পরমাণু বিজ্ঞানী ডক্টর এমএ ওয়াজেদ মিয়া। কিন্তু সেটা ছিল নিছক একটি ঘরোয়া পারস্পরিক প্রতিক্রিয়া। আমি পড়েছি একমাত্র রক্ষীবাহিনী নিয়ে আপত্তি করেছিলেন তাজউদ্দীন সাহেব। বঙ্গবন্ধুর অন্য কোনো নীতিতে তিনি আপত্তি তো করেনইনি; বরং উত্সাহী সমর্থক ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর এই নতুন ব্যবস্থা সম্পর্কে পক্ষে-বিপক্ষে নানা মত আছে। শুধু একটি সুচিন্তিত উক্তি উল্লেখ করি। বঙ্গবন্ধু নিহত হওয়ার দুদিন পর বিবিসির ভাষ্যে বলা হয়েছিল, বাংলাদেশের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানের নতুন রাজনৈতিক কর্মসূচিটি পৌনে ২০০ বছরের ঔপনিবেশিক শাসনের পর বাংলাদেশে যে নতুন ব্যবস্থা প্রবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে করা হয়েছিল, তা পরীক্ষিত হতে পারল না। পরীক্ষিত হলেই শুধু এর ভালো-মন্দ নির্ধারণ করা যেত।
কিউবার প্রয়াত জাতীয় নেতা ও প্রেসিডেন্ট ফিদেল কাস্ত্রো বঙ্গবন্ধুকে বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছিলেন, ‘ও যধাব হড়ঃ ংববহ ঃযব ঐরসধষধুধং. ইঁঃ ও যধাব ংববহ ঝযবরশয গঁলরন. ওহ ঢ়বত্ংড়হধষরঃু ধহফ রহ পড়ঁত্ধমব, ঃযরং সধহ রং ঃযব ঐরসধষধুধং. ও যধাব ঃযঁং যধফ ঃযব বীঢ়বত্রবহপব ড়ভ রিঃহবংংরহম ঃযব ঐরসধষধুধং.’ অর্থাত্ ‘আমি হিমালয় দেখিনি। তবে শেখ মুজিবকে দেখেছি। ব্যক্তিত্ব ও সাহসে এই মানুষটি হিমালয়ের সমান। এভাবে আমি হিমালয় দেখার অভিজ্ঞতাই লাভ করলাম।’ বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে আলোচনা অথবা লিখে শেষ করা যাবে না। একজন সত্যিকারের নেতা একটি জাতির সহজাত স্বভাবগুলোর ঠিক বিপরীত হয়ে থাকেন। বাঙালির মতো এ রকম নিরীহ, ভীতু, ঘুমন্ত, নিষ্প্রভ, নির্লিপ্ত একটি জাতিকে একজন মানুষ যেভাবে জাগিয়ে দিয়েছিলেন শুধু তা-ই নয়, বাঙালি জাতিকে এক কাতারে নিয়ে এসে বিশ্বাস করাতে পেরেছিলেন যে আমরা স্বাধীন রাষ্ট্র করতে পারি, আমাদের সেই হিম্মত আছে। ৭ মার্চের সেই অলিখিত ভাষণ দেখলে মনে হয় যেন একটি সিংহ হুংকার করছে, সেই বঙ্গশার্দূল বজ কণ্ঠ আজ পর্যন্ত বাঙালি শোনেনি। নেতা কখনো একক সত্তা নিয়ে হয় না, অনেকগুলো সত্তার মিশ্রণেই নেতা হয়। বঙ্গবন্ধু যেমন লালন করেছেন রবীন্দ্রনাথকে, ‘কারাগারের রোজনামচায়’ তিনি লিখেছেন—“বারবার আব্বা ও মার কথা মনে পড়তে থাকে। মায়ের সাথে কি আবার দেখা হবে? অনেকক্ষণ খবরের কাগজ ও বই নিয়ে থাকলাম কিন্তু মন থেকে কিছুতেই মুছতে পারি না, ভালোও লাগছে না। অনেকক্ষণ ফুলের বাগানেও কাজ করেছি। মনে মনে কবিগুরুর কথাগুলি স্মরণ করে একটু শান্তি পেলাম। ‘বিপদে মোরে রক্ষা করো এ নহে মোর প্রার্থনা, বিপদে আমি না যেন করি ভয়’।”
ঠিক তেমনি ১৯৭২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ভারতীয় জনগণ ও প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের সময় তিনি রবীন্দ্রনাথের চরণ উদ্ধৃত করে বলেছিলেন, ‘নিঃস্ব আমি রিক্ত আমি দেবার কিছু নাই, আছে শুধু ভালোবাসা, দিলাম আমি তাই।’ আবার পাকিস্তানের জেলখানা থেকে দেশে এসেই ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে যে ভাষণ দেন, তাতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘বঙ্গমাতা’ কবিতার ‘সাত কোটি সন্তানেরে, হে মুগ্ধ জননী, রেখেছ বাঙালি করে, মানুষ করোনি’ লাইন দুটি উদ্ধৃত করে বলেন, ‘কবিগুরু আজ মিথ্যা প্রমাণ হয়ে গিয়েছে। আমার বাঙালি আজ মানুষ।’ ঠিক একইভাবে বঙ্গবন্ধুর স্ব-উদ্যোগে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশে আনার ব্যবস্থা করেন এবং বঙ্গবন্ধুর সদিচ্ছায় কবির ‘চল চল চল’ পেয়েছে জাতীয় রণসংগীতের মর্যাদা। স্বাধীন দেশে প্রথম নজরুলজয়ন্তী উপলক্ষে নজরুল একাডেমির স্মারকগ্রন্থে বঙ্গবন্ধু লেখেন, ‘নজরুল বাংলার বিদ্রোহী আত্মা ও বাঙালির স্বাধীন ঐতিহাসিক সত্তার রূপকার।’ বঙ্গবন্ধুর মাঝে খুঁজে পাই যুক্তরাষ্ট্রের বর্ণবাদবিরোধী কৃষ্ণাঙ্গ নেতা মার্টিন লুথার কিং-কে। নেতা শুধু তিনিই হতে পারেন, যিনি দিতে জানেন, যিনি বিদ্রোহী হতে পারেন, যিনি নিঃস্বার্থভাবে মানুষকে ভালোবাসতে পারেন। বঙ্গবন্ধুর অসাধারণ স্মৃতিশক্তি ছিল, একবার যাকে তিনি দেখেছেন, নামসহ মনে রাখতে পারতেন—এটা একটি অকল্পনীয় ব্যাপার। শুনেছি লুই নেপোলিয়ন বোনাপার্টের এই গুণটি ছিল। তিনি তার সিপাহসালার প্রতিটি সৈন্যের নাম মনে রাখতে পারতেন। নেপোলিয়ন সম্পর্কে পড়তে গিয়ে জানতে পারলাম তাঁর জন্মতারিখ হচ্ছে ১৫ আগস্ট, ১৭৬৯।
বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জনের পরবর্তী সময়ে যে প্রজন্মগুলো এসেছে, তাদের প্রায় সবার মধ্যেই বঙ্গবন্ধু কেবল একজন আওয়ামী লীগ নেতা ও বিশেষভাবে ৭ মার্চের ভাষণের জন্য সমাদৃত। খুবই আফসোসের সঙ্গে বলতে হয়, একজন জাতির জনক যে কোনো দলের নন, বরং বঙ্গবন্ধু যে দল-মত নির্বিশেষে আমাদের জাতির জনক, সেটা আমরা বুঝতেই পারিনি। বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর একটি লেখা পড়ছিলাম, তিনি বঙ্গবন্ধুকে উদ্দেশ করে লিখছেন—‘আমাদের ব্যর্থতা দেশবাসীর কাছে তোমাকে প্রিয় না করে কেমন যেন কিছুটা অপ্রিয়ই করে তুলছি।’ এখানে প্রসঙ্গক্রমে তুর্কি জাতির একটা কথা মনে পড়ল। তুর্কিদের জাতির পিতা হচ্ছেন মোস্তফা কামাল পাশা। সেই জাতির একটি স্লোগান আছে—‘আসকেরিন-এ তুর্ক, ইয়া-সা, মোস্তফা কামাল পাশা।’ যার মানে হলো, ‘শাবাশ, তুর্কিদের নমস্য ব্যক্তি, মোস্তফা কামাল পাশা।’ তারা কোনোদিন ভাবতেই পারে না যে মোস্তফা কামাল পাশাকে জাতির পিতা হিসেবে স্বীকৃতি দিতে গেলে একটি বিশেষ দল অথবা গোষ্ঠীর সমর্থক হতে হবে। বঙ্গবন্ধুকেও ঠিক তেমনিভাবে জাতির জনকের স্বীকৃতি দিতে হলে যে একটি বিশেষ দলকে সমর্থন জানাতে হবে, তা অবশ্যই কাম্য নয়। আমাদের সবার উচিত বাংলাদেশী হিসেবে তাঁকে সমানভাবে শ্রদ্ধা করা। বঙ্গবন্ধু বিনা বাংলাদেশ অসম্পূর্ণ। বঙ্গবন্ধু যে আদর্শ, দর্শন ও জাতীয়তাবাদ নিয়ে বাংলাদেশ দেখেছেন, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে যেন আমরা তা বাস্তবায়ন করে যেতে পারি, সেটাই হোক আজকে একমাত্র জাতীয় অঙ্গীকার। একজীবনে আমরা অনেকেই সার্থক হতে পারি না, বঙ্গবন্ধু তাঁর বর্ণাঢ্য জীবনের বন্ধুর পথ চলাকে করেছেন সার্থক; যার মূলমন্ত্র ছিল একটি বৈষম্যহীন সমাজ ও জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠা। বঙ্গবন্ধুর সমালোচনা থাকবে, কিন্তু যাঁরা এই সমালোচনাগুলো করেন বা প্রশয় দেন, তাঁরাও কি খুব একটা তাত্পর্যপূর্ণ কিছু অর্জন করতে পেরেছেন? সমালোচনা যদি হয় জাতীয়তাবাদ, মূল্যবোধ, ইতিহাস বিকৃতি, তাহলে বলতে হয় জাতি হিসেবে আমরা আমরণ একটি ‘আইডেন্টিটি ক্রাইসিস’-এ ভুগতে থাকব। পিতাকে বাদ দিয়ে জন্মপরিচয় দেয়াটা বোধ করি বাহাদুরি নয়। বঙ্গবন্ধুকে মুছে দিয়ে বাংলাদেশ মানে হলো মস্তকবিহীন একটা নিষ্ক্রিয় শরীর। বঙ্গবন্ধুর মর্মান্তিক ও পাশবিক হত্যাযজ্ঞ প্রমাণ করে আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা ভঙ্গুর ছিল। আমাদের আজকে উপলব্ধি করতে হবে যে বঙ্গবন্ধুর ওই প্রস্থান কোনো গণঅভ্যুথানের মাধ্যমে হয়নি, হয়েছে কিছু কাপুরুষ, লোভী, বিবেকহীন নরপশুর দ্বারা, যারা এ দেশের স্বাধীনতাকে বরাবর অস্বীকার করে এসেছে। আমাদের সময় এসেছে বাস্তবতা ও সত্য ইতিহাস জানার ও অনুধাবন করার। শুধু আবেগ ও অনুভূত ধারণার বশংবদ হওয়া নয়। পরিশেষে বঙ্গবন্ধুকে ফরাসি রাজা চতুর্দশ লুইয়ের সঙ্গে তুলনা করা যায়। জনগণ তাঁর কাছে এত প্রিয় ছিল যে লুইয়ের মতো বঙ্গবন্ধু এ দাবি করতে পারেন—‘আমিই রাষ্ট্র’।
লেখক: রেজওয়ান উর রহমান, আটলান্টা, যুক্তরাষ্ট্র
rezmsba@gmail.com










