নভেল
করোনাভাইরাস বিশ্ব
অর্থনীতিকে এক
চরম অনিশ্চয়তার
মধ্যে ঠেলে
দিয়েছে। এ
অনিশ্চয়তার ধরন
এতটাই প্রকট
যে আন্তর্জাতিক
মুদ্রা তহবিল
(আইএমএফ) থেকে
শুরু করে
অনেক নামিদামি
সংস্থা কভিড-১৯-এর
কারণে উদ্ভূত
বৈশ্বিক অর্থনীতির
ক্ষতির যে
পূর্বানুমান এর
আগে করেছে,
তা কয়েকবার
হালনাগাদ করেও
স্বস্তিতে নেই।
আইএমএফের সর্বশেষ
প্রাক্কলন অনুযায়ী,
২০২০ সালে
বিশ্ব অর্থনীতি
তার মোট
দেশজ উৎপাদনের
৩ শতাংশ
হারাবে। আর
২০২০ ও
২০২১ অর্থবছরে
মোট দেশজ
উৎপাদনের পুঞ্জীভূত
ক্ষতির প্রাক্কলন
করা হয়েছে
প্রায় ৯
ট্রিলিয়ন মার্কিন
ডলার। ১৯২৯
সালের মহামন্দার
পর বিশ্ব
অর্থনীতি গত
৯০ বছরে
এ রকম
বিপর্যয়ের মুখোমুখি
হয়নি।
কভিড-১৯
এবং তার
সৃষ্ট সংকট
অর্থনীতির প্রতিটা
খাতকে প্রভাবিত
করেছে, সে
ব্যাপারে কোনো
সন্দেহ নেই।
তবে বৃহৎ
প্রতিষ্ঠান, তাদের
পুঞ্জীভূত আর্থিক
সামর্থ্য ও
সহজাত প্রতিরোধ
ব্যবস্থা অথবা
জাতীয় পর্যায়ে
নীতিনির্ধারণে প্রভাব
থাকার কারণে
সংকটের হাত
থেকে উত্তরণের
পথ খুঁজে
পায়। অন্যদিকে
সংকটে বেশি
ভোগান্তিতে পরে
ক্ষুদ্র, মাঝারি
ও কুটির
শিল্প। ওইসিডি (Center
for Entrepreneurship, SMEs, Regions and Cities) সম্প্রতি
ইতালি, জাপান,
যুক্তরাজ্য, ফিনল্যান্ড,
দক্ষিণ কোরিয়া,
পোল্যান্ডসহ বিভিন্ন
দেশে করোনাকালীন
জরিপ চালিয়ে
দেখতে পায়
যে চাহিদায়
ঘাটতি, কাঁচামাল
সরবরাহে বিঘ্ন,
যোগাযোগ বা
লজিস্টিক ব্যবস্থার
ব্যত্যয় এবং
নগদ অর্থের
অপ্রতুলতা এসএমই
খাতকে ভীষণভাবে
ভোগান্তিতে ফেলেছে।
করোনা মহামারীতে
সৃষ্ট অর্থনৈতিক
সংকট বাংলাদেশের
মতো উন্নয়নশীল
দেশগুলোর জন্য
প্রকট হবে,
একথা অনস্বীকার্য।
এখানে প্রস্তুতির
অভাব আছে,
আছে সম্পদের
স্বল্পতা। অধিকন্তু?, এসএমই
খাতের ওপর
অধিক নির্ভরতাও
আছে। ইন্টারন্যাশনাল
কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন
ফর স্মল
অ্যান্ড মিডিয়াম
এন্টারপ্রাইজেস ইন
এশিয়ার (আইসিওএসএ)
তথ্য অনুযায়ী,
বাংলাদেশের মোট
দেশজ উৎপাদনে
এসএমইর অবদান
এক-পঞ্চমাংশ।
দেশে মোট
১৭ হাজার
৩৮৪ মাইক্রো,
১৫ হাজার
৬৬৬ ক্ষুদ্র
এবং ৬
হাজার ১৩
মাঝারি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান
রয়েছে। মোট
কর্মশক্তির ৩৫
শতাংশ এসএমই
খাতে নিয়োজিত
এবং উৎপাদন
মূল্য সংযোজনের
(ম্যানুফ্যাকচারিং ভ্যালু
এডিশন) ৪৫
শতাংশই আসে
এসএমই খাত
থেকে। এ
তথ্য এটাই
প্রমাণ করে
যে বাংলাদেশের
অর্থনীতির বৃহৎ
একটা অংশ
জুড়ে রয়েছে
এসএমইর অবদান।
সুতরাং আসন্ন
অর্থনৈতিক মন্দার
আঘাত বাংলাদেশ
কতটুকু সামাল
দিতে পারবে,
তা অনেকাংশেই
নির্ভর করবে
এসএমই খাতকে
কত দ্রুত
উত্তরণের পথে
নিয়ে আসা
যাবে তার
ওপর।
বাংলাদেশ সরকার
ক্ষুদ্র, কুটির
ও মাঝারি
শিল্পপ্রতিষ্ঠানের (সিএমএসএমই)
জন্য বিশেষ
আর্থিক প্রণোদনা
প্যাকেজ ঘোষণা
করেছে। এ
খাতের ওয়ার্কিং
ক্যাপিটাল বা
চলতি মূলধন
সংস্থানের জন্য
২০ হাজার
কোটি টাকার
বিশেষ বিনিয়োগ
ও ঋণ
বরাদ্দ করেছে।
প্রচলিত আইনের
আওতায় বাণিজ্যিক
ব্যাংকগুলো ব্যাবসাপ্রতিষ্ঠানকে
সর্বোচ্চ ৯
শতাংশ হারে
ঋণ বা
বিনিয়োগ সুবিধা
দিয়ে থাকে।
আর এই
বিশেষ প্রণোদনা
প্যাকেজের আওতায়
বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো
সিএমএসএমইকে ৪
শতাংশ হারে
ঋণ দেবে।
বাকি ৫
শতাংশ সরকার
ব্যাংকগুলোকে সরাসরি
ভর্তুকি হিসেবে
দেবে। যদি
সম্পূর্ণ প্যাকেজ
ব্যবহার করা
যায়, রাষ্ট্রের
মোট ভর্তুকির
পরিমাণ দাঁড়াবে
১ হাজার
কোটি টাকা।
এ প্রস্তাবনার
সঙ্গে যে
কিছু শর্ত
জুড়ে দেয়া
হয়েছে, যা
নিঃসন্দেহে প্রশংসার
দাবিদার। উদাহরণস্বরূপ,
প্রণোদনার অর্ধেকের
বেশি উৎপাদন
(ম্যানুফ্যাকচারিং) খাতের
জন্য সংরক্ষিত
এবং ১৫
শতাংশ গ্রামভিত্তিক
ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের জন্য
নির্ধারিত। নারী
উদ্যোক্তাদের জন্য
পুরো প্রণোদনার
৫ শতাংশ
বরাদ্দ রয়েছে।
অন্যদিকে মাইক্রো,
ক্ষুদ্র ও
কুটির শিল্পের
জন্য মোট
পরিমাণের ৭০
শতাংশ বরাদ্দ
রেখেছে। বাকি
৩০ শতাংশ
মাঝারি শিল্পে
ঋণ হিসেবে
বিতরণ করা
যাবে। উপরন্তু,
ঋণখেলাপিরা এই
প্রণোদনাবহির্ভূত, যা
সত্যিই প্রশংসার
দাবিদার। অর্থনীতির
স্বাভাবিক অবস্থায়
যারা ব্যাংকের
প্রদেয় পরিশোধে
ব্যর্থ হয়,
দেশের দুর্দিনে
তারা বিশেষ
সুবিধা পাওয়ার
যোগ্যতা রাখে
না।
শর্তে আরো
বলা হয়েছে,
বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো
সিএমএসএমইতে তাদের
বর্তমান (ডিসেম্বর
২০১৯ পর্যন্ত)
মোট ঋণ
স্থিতির ১০
শতাংশ পর্যন্ত
ঋণ প্রদান
করতে পারবে।
জুন ২০১৯
পর্যন্ত (সর্বশেষ
পাওয়া তথ্য
অনুযায়ী) সব
আর্থিক প্রতিষ্ঠানের
(ব্যাংক ও
অব্যাংকিং মিলিয়ে)
সিএমএসএমই খাতে
মোট ঋণ
স্থিতির পরিমাণ
ছিল প্রায়
৭৪ হাজার
৭৫৫ দশমিক
৪৯ কোটি
টাকা, যার
১০ শতাংশ
হিসাব করলে
দাঁড়ায় ৭
হাজার ৪৭৬
কোটি টাকা।
এর মানে
হলো, আর্থিক
প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের
বর্তমান ঋণগ্রহীতাদের
মধ্যে সর্বোচ্চ
৭ হাজার
৪৭৬ কোটি
প্রদান করতে
পারবে (শুধু
বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর
ক্ষেত্রে পরিমাণটা
আরো কম
হবে)।
যদি সরকার
প্যাকেজের মোট
২০ হাজার
কোটি টাকা
বিনিয়োগ বা
ঋণ হিসেবে
বিতরণ করতে
চায়, যেসব
সিএমএসএমই বাণিজ্যিক
ব্যাংক থেকে
ঋণ নেয়নি,
তাদের মধ্যে
১২ হাজার
৫২৪ কোটি
টাকা বিতরণ
করতে হবে।
এটা একেবারে
অসম্ভব না
হলেও খুবই
কঠিন হবে,
কেননা বেশির
ভাগ ক্ষুদ্র
ও মাঝারি
ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ব্যাংকঋণ
রয়েছে। শুধু
মাইক্রো ও
কুটির শিল্পপ্রতিষ্ঠান
মূলধারার ঋণ
কার্যক্রমের আওতায়
সেভাবে আসেনি।
আর এদের
না আসার
একটা বড়
কারণ হলো,
ব্যাংকঋণের জন্য
প্রয়োজনীয় নথিপত্রের
অভাব। আর
এই একই
কারণে এসব
মাইক্রো ও
কুটির শিল্পপ্রতিষ্ঠান
প্রস্তাবিত প্যাকেজের
সুবিধা নিতে
অযোগ্য বলে
বিবেচিত হবে।
দ্বিতীয়ত, এ
তহবিল শুধু
কার্যকরী মূলধন
হিসেবে ব্যবহার
করা যাবে।
যেসব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান
বর্তমানে ব্যাংকঋণ
নিয়ে তাদের
কার্যকরী মূলধনের
জোগান দিয়েছে,
তারা তাদের
বর্তমান ঋণ
স্থিতির ৩০
শতাংশের (ট্রেডিং
বা কারবারি
প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে
২৫ শতাংশ)
বেশি নিতে
পারবে না।
বর্তমানে আর্থিক
প্রতিষ্ঠানগুলোর সিএমএসএমই
খাতে মোট
ঋণ স্থিতির
(৭৪,৭৫৫.৪৯
কোটি টাকার)
৫৬ শতাংশ
বা ৪২
হাজার ২১৬
কোটি বা
কার্যকরী মূলধন
হিসেবে বিতরণ
করা হয়েছে।
সুতরাং বিদ্যমান
ঋণগ্রহীতারা ১২
হাজার ৬৬৫
(৪২,২১৬x৩০%)
কোটি টাকার
বেশি ঋণ
নিতে পারবে
না (ট্রেডিং
প্রতিষ্ঠানের জন্য
২৫ শতাংশ
ধরে হিসাব
করলে টাকার
অংকটা আরো
কম হবে)।
এর মানে
হলো, যারা
আর্থিক প্রতিষ্ঠান
থেকে কোনো
ঋণ নেননি,
তাদের মাঝে
৭ হাজার
৩৩৫ কোটি
টাকা ঋণ
হিসেবে প্রদান
করতে হবে।
এই লক্ষ্য
অধরাই থেকে
যাবে যদি
আমরা আরকেটি
শর্ত বিবেচনা
করি। যেসব
প্রতিষ্ঠানের বর্তমানে
ব্যাংকঋণ নেই,
তারা তাদের
গড় বার্ষিক
আয়ের ৫০
শতাংশের বেশি
ঋণ পাবে
না। সুতরাং
সব শর্ত
মেনে সিএমএসএমইদের
২০ হাজার
কোটি টাকা
ঋণ প্রদান
করা হবে
বেশ চ্যালেঞ্জিং।
তৃতীয়ত, ৭০-৩০
অনুপাত (৭০
শতাংশ ক্ষুদ্র
ও কুটির
শিল্পের জন্য
আর ৩০
শতাংশ মাঝারি
শিল্পের জন্য)
পরিসংখ্যানগতভাবে জুতসই
মনে হলেও
বাস্তবে এর
বাস্তবায়ন কঠিন
হবে। সর্বশেষ
তথ্য অনুযায়ী,
মাঝারি শিল্পে
আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর
ঋণ বিতরণের
হার ছিল
মোট ঋণের
৩৫ শতাংশ।
বাকি ৬৫
শতাংশ পেয়েছে
ক্ষুদ্র ও
কুটির শিল্প।
এ হিসাবে
৭০-৩০
অনুপাত মোটামুটি
ঠিকই আছে।
তবে সমস্যার
সৃষ্টি হবে
অন্য হিসাব
মেলাতে। মোট
ঋণের ৫০
শতাংশ দিতে
হবে উৎপাদন
খাতে। বর্তমান
মোট ঋণ
স্থিতির ৩৮
শতাংশ বিনিয়োগ
হয়েছে ক্ষুদ্র
ও কুটির
শিল্পের উৎপাদন
খাতে। আর
বাকি ৬২
শতাংশ গেছে
মাঝারি শিল্পের
উৎপাদন খাতে।
সুতরাং মাঝারি
শিল্পে মোট
প্যাকেজের অনূর্ধ্ব
৩০ শতাংশ
বণ্টনের সীমা
বজায় রেখে
উৎপাদন খাতে
৫০ শতাংশ
ঋণ বিতরণ
সহজ হবে
না।
চতুর্থত, ভর্তুকি
সুদে ঋণ
সুবিধা কেবল
এক বছরের
জন্য বহাল
থাকবে বলে
শর্ত আছে,
যা প্রণোদনার
লক্ষ্য অর্জনকে
বাধাগ্রস্ত করবে।
দফায় দফায়
লকডাউন ও
উৎপাদন কার্যক্রম
বন্ধ থাকার
কারণে সরবরাহ
চ্যানেল মারাত্মক
বিপর্যস্ত। এ
অবস্থায় ব্যবসার
স্বাভাবিক পরিবেশ
পুনরুদ্ধারে যথেষ্ট
সময় লাগবে।
সুতরাং ভর্তুকি
সুবিধাটা কমপক্ষে
দুই বছরের
জন্য বিবেচনা
করার দাবি
রাখে।
পঞ্চমত, প্রণোদনা
প্যাকেজে একটি
অপ্রয়োজনীয় শর্ত
আছে। যেমন
ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান যারা
এ প্যাকেজের
সুবিধা পেতে
চায়, তাদের
প্রয়োজনীয় প্রমাণ
দিতে হবে
যে তারা
মহামারীর কবলে
পড়ে আর্থিকভাবে
ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এ শর্তটি
নিতান্তই অপ্রয়োজনীয়।
এটি এখন
সর্বজনবিদিত যে
অর্থনীতির এমন
কোনো খাত
নেই, যেখানে
মহামারীর নেতিবাচক
প্রভাব পড়েনি।
অতএব, পর্যাপ্ত
দলিলসহ করোনাকালীন
ক্ষতি প্রমাণের
চেষ্টা এসএমইর
জন্য অতিরিক্ত
বোঝা হয়ে
উঠবে। সব
এসএমইকেই ঘোষিত
প্যাকেজের আওতায়
আনা উচিত,
অবশ্যই যাদের
বৈধ ব্যবসায়িক
কাগজপত্র রয়েছে।
যেহেতু বাণিজ্যিক
ব্যাংক কর্তৃক
বিতরণকৃত ঋণের
ঝুঁকি তাদের
ওপরই বর্তাবে
(সরকার শুধু
সুদের ওপর
ভর্তুকির জন্য
দায়ী থাকবে),
ব্যাংকগুলো করোনা-পরবর্তী
সময়ে অতিরিক্ত
সাবধানতা অবলম্বন
করতে চাইলে
উপর্যুক্ত শর্তটি
ব্যাংকের অনুকূলে
কাজ করবে;
যা এ
প্যাকেজের লক্ষ্য
অর্জন ব্যাহত
করবে।
ষষ্ঠত, প্রণোদনা
প্যাকেজটির সঙ্গে
যুক্ত হতে
পারে কর
ছাড় অথবা
কর বিলম্বিতকরণের
জুতসই কোনো
নীতি। এ
শর্তের সুবিধা
হলো যে
সরকারকে এখনই
নগদ টাকা
বাবদ কিছু
গুনতে হবে
না। তদুপরি,
ভর্তুকিকৃত ঋণ
পরিশোধের জন্য
শর্ত সহজ
করা যেতে
পারে। যেমন
আপত্কালীন এসএমইদের
প্রদেয় কিস্তিতে
শুধু সুদের
অংশ পরিশোধ
করবে, এর
মূলধনের অংশ
কিছু সময়
নিয়ে পরিশোধ
করবে। এতে
এসএমইরা ঋণ
পরিশোধে স্বাবলম্বী
হয়ে উঠবে।
আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো
বর্তমানে তাদের
ঋণ পোর্টফোলিওর
প্রায় ৪
শতাংশ সিএমএসএমই
খাতে বিনিয়োগ
করেছে। যদি
তারা সময়মতো
তাদের পাওনা
আদায় করতে
ব্যর্থ হয়,
বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোয়
আর্থিক অস্থিরতার
আশঙ্কা থাকে।
যেহেতু সরকার
বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে
শ্রেণীকৃত ঋণ
পুনঃতফসিলীকরণের সুযোগ
দিয়েছে, এসএমইগুলোকে
ব্যাংকের পাওনা
পরিশোধে সময়
দিলে ব্যাংকের
ওপর নেতিবাচক
প্রভাব পড়বে
না।
করোনার প্রাদুর্ভাব
একটি অস্বাভাবিক
পরিস্থিতি, যা
এরই মধ্যে
অর্থনৈতিক ক্রিয়াকলাপকে
এত বেশি
প্রভাবিত করেছে
যে এর
ফলে অর্থনৈতিক
মন্দা অতীতের
যেকোনো মন্দা
থেকে আলাদা।
আর এই
নির্মম মহামারী
কবে শেষ
হবে সে
সম্পর্কেও কারো
কোনো পরিষ্কার
ধারণা নেই।
একটি সুনির্দিষ্ট
ব্যবসাবান্ধব জাতীয়
ও সামাজিক
পরিবেশই কেবল
এই অভূতপূর্ব
মন্দার বিরুদ্ধে
লড়াই করতে
সহায়তা করতে
পারে।
ড. মোহাম্মদ দুলাল
মিয়া: সহযোগী অধ্যাপক
ও বিভাগীয়
প্রধান
অর্থনীতি
ও ফিন্যান্স
বিভাগ, নিজওয়া
বিশ্ববিদ্যালয়, ওমান










