ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোর বিরুদ্ধে ২০২২ সালের নির্বাচনে পরাজয়ের পর অভ্যুত্থান ঘটিয়ে ক্ষমতা দখলের ষড়যন্ত্র করার অভিযোগ আনা হয়েছে। বর্তমানে কোণঠাসা এই কট্টর ডানপন্থী নেতার রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তনের আশা আরো কঠিন করে তুলেছে মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) আনা এ অভিযোগ। খবর রয়টার্স।
বলসোনারো এবং তার রানিংমেট, জেনারেল ওয়াল্টার ব্রাগা নেত্তোর বিরুদ্ধে একটি ‘অপরাধী সংগঠন’ পরিচালনার অভিযোগ এনেছেন দেশটির প্রধান অভিশংসক পাওলো গোনেট। বলা হয়েছে, ব্রাজিলের ৪০ বছরের গণতন্ত্রকে উচ্ছেদ করার লক্ষ্য নিয়েছিলেন বলসোনারো।
মোট ৩৪ জনের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ আনা হয়েছে, যার মধ্যে বেশ কয়েকজন সামরিক কর্মকর্তাও রয়েছেন, যেমন— বলসোনারোর সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ও অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল অগুস্তো হেলেনো এবং সাবেক নৌবাহিনী কমান্ডার আলমির গার্নিয়ের সান্তোস। দেশের প্রধান প্রসিকিউটরের কার্যালয় একটি আইনি নথিতে এসব তথ্য জানিয়েছে।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, গণতান্ত্রিক শৃঙ্খলার জন্য ক্ষতিকর কর্মকাণ্ডের দায়িত্ব জাইর বলসোনারোর নেতৃত্বাধীন একটি অপরাধী সংগঠনের ওপর পড়ে, যা ক্ষমতার একটি স্বৈরাচারী প্রকল্পের ভিত্তিতে গঠিত।
বিচারের আগে বলসোনারোর গ্রেফতার হওয়ার খুব একটা সম্ভাবনা নেই, যদি না মামলাটি তদারক করা সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি আলেকজান্দ্রে ডি মোরায়েসের মনে হয়, পালিয়ে যেতে পারেন বলসোনারো।
কৌঁসুলিরা জানিয়েছেন, বলসোনারোর ষড়যন্ত্রের মধ্যে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুই লুলা ডি সিলভাকে বিষপ্রয়োগ করার পরিকল্পনাও ছিল। বামপন্থী নেতা লুলা ২০২২ সালের শেষের দিকে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বলসোনারোকে অল্প ব্যবধানে পরাজিত করেছিলেন।










