একুয়েডরের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নিচ্ছেন
৩৫ বছর বয়সী ড্যানিয়েল নোবোয়া। লাতিন আমেরিকার দেশটিতে ক্রমবর্ধমান সহিংসতা ও নিরাপত্তাহীনতার
মধ্যে অনুষ্ঠিত হয় দ্বিতীয় দফার নির্বাচন। এতে জয়ী হলেন মধ্য-ডানপন্থী এ তরুণ নেতা।
খবর সিএনএন।
ড্যানিয়েল একুয়েডরের প্রতিষ্ঠিত কলা ব্যবসায়ী
ইভারো নোবোয়ার সন্তান। এক সময় পারিবারিক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকলেও ২০২১ সালে আইনপ্রণেতা
নির্বাচিত হওয়ার পর পুরো সময় রাজনীতির জন্য বরাদ্দ করেন তিনি।
গতকাল রোববার (১৫ অক্টোবর) দ্বিতীয় দফার
ভোটে প্রায় এক কোটি ভোটার অংশ নেন বলে জানিয়েছে দেশটির নির্বাচন কমিশন (সিএনই)।
নির্বাচনে ড্যানিয়েল ৫২ দশমিক ৩ শতাংশ
ভোট পেয়ে জয় লাভ করেন। তার পক্ষের রায় দিয়েছে ৪৮ লাখ ২৯ হাজার ১৩০ ভোটার।
অন্যদিকে প্রতিদ্বন্দী বামপন্থী নেতা লুইস
গনজালেস পেয়েছেন ৪৭ দশমিক ৭ শতাংশ ভোট, ভোটার সংখ্যা ছিল ৪৪ লাখ ৪ হাজার ১৪।
ড্যানিয়েলের অ্যাসিওন ডেমোক্র্যাটিকা ন্যাসিওনাল
পার্টি তরুণদের জন্য আরো কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণে কার্যকর উদ্যোগ
এবং কর ফাঁকি ও দুর্নীতি প্রতিরোধে কঠোর ব্যবস্থার নেয়া প্রতিশ্রুতি দেয় নির্বাচনী
ইশতেহারে।
ফলফল প্রকাশের পর স্ত্রীসহ পরিবারের সবার
প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ড্যানিয়েল নোবোয়া। দেশ পরিচালনার সুযোগ পেয়ে সৃষ্টিকর্তার
প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান।
তিনি বলেন, পরিবারের পাশাপাশি সেসব তরুণদের
ধন্যবাদ যারা একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক প্রকল্প বাস্তবায়নের পথ উন্মুক্ত করেছে।
ড্যানিয়েল মনে করেন এই বিজয়ের মাধ্যমে
দেশে একটি স্বস্তিকর পরিবেশ সৃষ্টির সুযোগ পেয়েছে তার দল।
প্রতিদ্বন্দ্বী লুইস গনজালেস ফলাফল ঘোষণার
পর ড্যানিয়েলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। আজ সোমবার থেকে তার দায়িত্ব গ্রহণের কথা রয়েছে।
গত আগস্টে একুয়েডরে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের
অন্যতম প্রার্থী ফার্নান্দো ভিলাভিসেনসিও প্রচারণার সময় গুলিতে নিহত হন। এরপর দেশটির
পরিস্থিতি আরো অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে। এছাড়া চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে কারাগারে রহস্যজনকভাবে
নিহত হন ফার্নান্দো হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ছয় সন্দেহভাজন।










