ভয়াবহ
টর্নেডোর মুখে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় মিসিসিপি ও আলবামা অঙ্গরাজ্যে
সম্প্রতি আঘাত হেনেছে ভয়াবহ টর্নোডো। এ ঘটনায় নিহতের
সংখ্যা বেড়ে ২৬-এ দাঁড়িয়েছে।
এদের মধ্যে মিসিসিপিতে ২৫ জন ও
অন্যজন আলাবামা অঙ্গরাজ্যের। এছাড়া আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রেখে মিসিসিপি অঙ্গরাজ্যের গভর্নর টেট রিভস অঞ্চলটিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন।
বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাম্প্রতিক এ টর্নেডোয় মিসিসিপি অঙ্গরাজ্যের অনেক বাড়িঘর ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিভিন্ন অবকাঠামো। রাজ্যটির রোলিং ফর্ক শহরের রাস্তায় ভেঙে পড়া গাছ, বিধ্বস্ত গাড়ি, ইট ও কাচের টুকরা পড়ে থাকতে দেখা যায়।
ফ্রান্সিসকো ম্যাকনাইট নামের এক স্থানীয় বাসিন্দা বিবিসিকে বলেন, ‘টর্নেডোর সময় বাথটাবের মধ্যে আশ্রয় নিয়েছিলাম। বেঁচে আছি এটাই অবাক লাগছে। নিকটবর্তী এলাকা শার্কি কাউন্টিতে টর্নেডোর কোনো ছাপ নেই। এমনকি শস্যখেতগুলো দেখেও বোঝার উপায় নেই এত শক্তিশালী টর্নেডো আঘাত হেনেছে।’
ছোট এলাকাটিতে দুই হাজার বাসিন্দা বাস করেন। যাদের পাঁচ ভাগের এক ভাগ দরিদ্র জনগোষ্ঠী। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় শুক্রবার মধ্যরাতে টর্নেডোটি আঘাত হানে। ১০ মিনিটব্যাপী তাণ্ডব চালানো এ টর্নেডোতে ১২টির অধিক ভবন ধ্বংস হয়ে গেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলের জন্য তার সমর্থন জানিয়েছেন। তিনি মিসিসিপির ঘটনাকে হৃদয়বিদারক বলে উল্লেখ করেছেন। হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন টর্নেডোয় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোয় পুনরুদ্ধার সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।










