ভারতের উত্তর প্রদেশের হাথরসে ‘সৎসঙ্গ’ অনুষ্ঠানে পদদলিত হয়ে ১২১ জনের মৃত্যুর ঘটনায় মুখ খুললেন ধর্মগুরু ভোলে বাবা। ধারণা করা হচ্ছে, তার চরণধুলি স্পর্শ করতে গিয়েই ব্যাপক হতাহতের এ ঘটনা ঘটেছে। খবর হিন্দুস্তান টাইমস।

স্বঘোষিত ধর্মগুরু ভোলে বাবা মূল নাম সুরজপাল ওরফে নারায়ণ সাকর হরি। গতকাল শুক্রবার (৫ জুলাই) তিনি জানান, পদদলিত হয়ে ১২১ জনের মৃত্যুর খবরে মর্মাহত হয়েছিলেন। এ ঘটনায় তিনি ডিপ্রেশনে ভুগছেন। একই সঙ্গে মৃতদের স্বজনদের ভারতের বিচারব্যবস্থার ওপর আস্থা রাখার জন্যে অনুরোধও করলেন।

সংবাদসংস্থা এএনআইকে ভোলে বাবা বলেন, ‘২ জুলাইয়ের ঘটনার পর আমি গভীরভাবে শোকাহত ছিলাম। ঈশ্বর আমাদের এই কষ্ট সহ্য করার শক্তি দিন। সরকার ও প্রশাসনের ওপর আস্থা রাখুন। আমি বিশ্বাস করি যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে, তাকে রেহাই দেয়া হবে না ... আমার আইনজীবী এপি সিংয়ের মাধ্যমে আমি কমিটির সদস্যদের শোকসন্তপ্ত পরিবার ও আহতদের পাশে দাঁড়ানোর অনুরোধ করছি। সারা জীবন যেন তাদের সহায়তা করা হয়।’

এদিকে গতকাল রাতে হাথরসের পদদলিতের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত দেবপ্রকাশ মধুকরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গত ২ জুলাই বিকালে উত্তর প্রদেশের হাথরস জেলায় প্রার্থনা অনুষ্ঠানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পদপিষ্টের ঘটনার পর থেকেই অন্তরালে চলে যান ভোলে বাবা। পুলিশের এফআইআরেও নাম নেই তার।