শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় থাকলে দেশটিতে নির্বাচনের পরিকল্পনা করছে মিয়ানমার সরকার। তবে তা দেশব্যাপী পরিচালনা করা সম্ভব নাও হতে পারে বলে জানিয়েছেন জান্তা প্রধান মিন অং হ্লাইং। খবর রয়টার্স।
দেশটির একজন শীর্ষ জেনারেল কর্মকর্তা জানিয়েছেন, জান্তা বাহিনী একাধিক
ফ্রন্টে বিদ্রোহ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে।
মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের একটি সাক্ষাৎকারের প্রতিলিপি অনুসারে, জান্তা প্রধান মিন অং হ্লাইং রাশিয়ার বার্তা সংস্থা তাসকে বলেছেন, ক্ষমতায় থাকা সামরিক বাহিনী এখনো দেশটিকে গণতান্ত্রিক শাসন ফিরিয়ে দেয়ার পরিকল্পনা করছে।
১৯৬২ সালে সাবেক ব্রিটিশ উপনিবেশে প্রথম ক্ষমতা গ্রহণের পর এবারই
জেনারেলরা তাদের সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হচ্ছে।
মিন অং হ্লাইং বলেন, যদি দেশ শান্তিপূর্ণ ও স্থিতিশীল হয়, তাহলে আইনের অধীনে দেশব্যাপী নির্বাচন না হলেও যতটা সম্ভব প্রাসঙ্গিক বিভাগে আমাদের নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা রয়েছে।
২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত
অং সান সুচির সরকার উৎখাত করে ক্ষমতা গ্রহণ করে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। এরপর সেনাবাহিনীর
নেতৃত্বে যে সরকার গঠন হয়, গত তিন বছর ধরে সে সরকারই দেশ শাসন করছে।
ক্ষমতা গ্রহণের এক বছর পর নির্বাচন দেয়ার কথা থাকলেও বিভিন্ন অজুহাতে
তা বাস্তবায়ন করেনি জান্তা সরকার।
জাতিসংঘের মতে, অভ্যুত্থানের প্রেক্ষিতে অস্থিরতার পর মিয়ানমার থেকে ২৩ লাখের
বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
সমালোচক ও পশ্চিমা দেশগুলো মিয়ানমারের নির্বাচনে জালিয়াতির আশঙ্কা করছে। অভ্যুত্থানের পর থেকে ৪০টিরও বেশি দল বিলুপ্ত হয়ে গেছে এবং নিষেধাজ্ঞামূলক
নিয়ম নতুনদের পক্ষে দল গঠন কঠিন করে তুলেছে।










