সম্প্রতি দক্ষিণ কোরিয়া থেকে উত্তর কোরিয়ায়
পালিয়ে যাওয়া মার্কিন সেনা সদস্য ট্র্যাভিস কিংকে দেশে ফিরিয়ে
নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এবার তাকে বিচারের আওতায় আনতে যাচ্ছে দেশটি। ট্র্যাভিসের বিরুদ্ধে
অনুমতি ছাড়া সেনাবাহিনী ত্যাগ এবং জোর করে একটি শিশুর নগ্ন ছবি তোলার অভিযোগ করা হয়েছে।
এছাড়া তার বিরুদ্ধে নিজের সহযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে হামলারও অভিযোগ রয়েছে।
গত জুলাইয়ে এই মার্কিন সেনা অবৈধভাবে উত্তর
কোরিয়ায় ঢুকে পড়েন। তবে দেশটি তাকে ছেড়ে দেয়। এরপর যুক্তরাষ্ট্র তাকে ফিরিয়ে নেয়। তার
বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা না হলেও রয়টার্সের খবরে বলা
হয়েছে, ওই মার্কিন সেনার বিরুদ্ধে অন্তত আটটি অভিযোগ করা হতে পারে।
বিবিসির খবরে বলা হয়, ট্র্যাভিস ২০২১ সালে
মার্কিন সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। ইউনিট রোটেশনের অংশ হিসেবে তিনি দক্ষিণ কোরিয়াতে ছিলেন। ২৩ বছর বয়সী এ সেনা সদস্যের বিরুদ্ধে এর
আগেও সামরিক হেফাজত থেকে পালানোর চেষ্টার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া পুলিশের গাড়িতে লাথি
মারা এবং দুজন সাধারণ নাগরিককে লাঞ্ছিত করার জন্য তাকে দুই মাস আটক করেও রাখা হয়েছিল।
এর আগে উত্তর কোরিয়ায় পালিয়ে যাওয়ার পর সেখানে
তার সঙ্গে কেমন আচরণ করা হয়, এবং পিয়ংইয়ং কেনই বা তাকে বিনাশর্তে ছেড়ে দেয় সে বিষয়ে
কিছু জানাতে পারেনি সংবাদমাধ্যম। তবে উত্তর কোরিয়ার গণমাধ্যম
জানিয়েছে, মার্কিন সেনাবাহিনীতে বিদ্যমান অমানবিক আচরণ ও
বর্ণবাদের কারণে পালিয়ে আসেন কিং।









