দেশটির যোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী পৃথ্বী সুব্বা গুরুং বৃহস্পতিবার বলেন, ‘প্রায় দুই ডজন প্ল্যাটফর্মকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধন করতে বলা হয়েছিল। নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রম করার পরও তারা শর্ত মানেনি, তাই অবিলম্বে এগুলো বন্ধ করা হবে।’

এপির খবর জানাচ্ছে, নেপাল সরকার দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্লাটফর্মগুলোকে দেশে প্রতিনিধি অফিস বা সংযোগ কার্যালয় খুলতে বলে আসছে। এ জন্য সংসদে একটি বিলও উপস্থাপন করা হয়েছে, যার লক্ষ্য এসব প্ল্যাটফর্মকে সুশৃঙ্খল, দায়িত্বশীল ও জবাবদিহিমূলক করা।

তবে সমালোচকেরা মনে করছেন, প্রস্তাবিত এই আইন সেন্সরশিপ আরোপ ও অনলাইনে সমালোচনার কণ্ঠরোধের হাতিয়ার হতে পারে। এ ধরনের পদক্ষেপ মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও নাগরিক অধিকারের ওপর হস্তক্ষেপ করবে বলে মনে করছে অধিকার সংগঠনগুলোও।

অন্যদিকে সরকারি কর্মকর্তাদের দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিষয়বস্তু পর্যবেক্ষণ জরুরি, যাতে ব্যবহারকারী ও পরিচালনাকারী উভয়েই তাদের কার্যকলাপের জন্য দায়ী থাকে।

অবশ্য টিকটক, ভাইবারসহ কিছু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নেপালে কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবে, কারণ তারা এরই মধ্যে সরকারিভাবে নিবন্ধন সম্পন্ন করেছে।