মিয়ারমারের নেপিদোতে ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত বিদ্রোহীদের ঐক্যমঞ্চ পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (পিডিএফ)। তারা সেখানের একটি সামরিক ঘাঁটিতে হামলার চালানোর দাবি জানিয়েছে। দেশটির জান্তাবিরোধী গণতান্ত্রিক ও সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর জোট ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট (এনইউজি) হামলার দায় স্বীকার করে বিবৃতি দিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নেপিদোর সামরিক ঘাঁটি ও আলার বিমান ঘাঁটি লক্ষ্য করে আজ বৃহস্পতিবার ভোরে একসঙ্গে ২৫টি বিস্ফোরকবাহী ড্রোন পাঠানো হয়েছে।

হামলার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি সামরিক জান্তা।  তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুজন সামরিক কর্মকর্তা বিবিসিকে হামলার সত্যতা স্বীকার করেছেন। ওই দুই কর্মকর্তা জানান, ৭টি ড্রোনকে ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়েছে সেনারা, আর একটি ড্রোন আঘাত হানার আগেই বিমান ঘাঁটির রানওয়েতে আছড়ে পড়েছে। হামলায় ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কিত কোনো তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানান তারা।

ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্টের ডেপুটি সেক্রেটারি মং মং সোয়ে বিবিসিকে বলেন, সমন্বিত এই ড্রোন হামলাটি প্রধান সামরিক ঘাঁটি ও  বিমান ঘাঁটি লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে।  এই অভিযান পরিচালনা করার জন্য বেশ কয়েকটি প্রতিরক্ষা গোষ্ঠীর সঙ্গে মিলে পরিকল্পনা ও কৌশল নির্ধারণ করা হয়।

জান্তা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তায় ঘেরা নেপিদোতে এই হামলা মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর ভাবমূর্তির জন্য বড় ধরনের ধাক্কা বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।