ক্রিমিয়া উপদ্বীপে রাতারাতি দুটি জাহাজ ও সেইসঙ্গে কৃষ্ণ সাগরে রাশিয়ার নৌবাহিনীর অবকাঠামোয় হামলার দাবি করেছে ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী। খবর আল জাজিরা।

ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী রোববার (২৪ মার্চ) জানায়, তারা সফলভাবে আজভ ও ইয়ামাল জাহাজে হামলা করেছে এবং অস্থায়ীভাবে দখলকৃত ক্রিমিয়াতে রাশিয়ান ব্ল্যাক সি ফ্লিটের বেশ কয়েকটি অবকাঠামোগত ভবনের ওপর সফলভাবে আঘাত করেছে।

তারা কীভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করেছে সে সম্পর্কে বিবৃতিতে কিছু উল্লেখ করেনি। তবে এই অঞ্চলে মস্কোর একজন কর্মকর্তা ইউক্রেনের বিমান হামলার কথা জানিয়েছেন এবং বলেছেন যে বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী সেভাস্তোপোলের ক্রিমিয়ান বন্দরে ১০টিরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।

সেভাস্তোপলের রাশিয়া নিযুক্ত গভর্নর মিখাইল রাজভোজায়েভ টেলিগ্রাম পোস্টে বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে এটি ছিল সবচেয়ে বড় হামলা।

তিনি বলেন, ৬৫ বছর বয়সী একজন নিহত ও চারজন আহত হয়েছেন এবং যাত্রীবাহী নৌকা ও বাসসহ পরিবহন অবকাঠামো আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, পাঁচটি নৌকার জানালা ভেঙে গেছে।

তিনি আরো বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহনের মধ্যে তিনটি যাত্রীবাহী বাস, ১৩টি স্কুল বাস ও একটি ট্রলি বাস রয়েছে।সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা ফুটেজে শহরে একটি বড় বিস্ফোরণের দৃশ্য দেখা যায়। বাতাসে কালো ধোঁয়াও ছিল। ইউক্রেন দাবি করেছে যে রাশিয়া ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে আক্রমণের পর থেকে রাশিয়ার ব্ল্যাক সি ফ্লিটের প্রায় এক তৃতীয়াংশ ধ্বংস করেছে, সাধারণত বিস্ফোরক ভর্তি সমুদ্রভিত্তিক ড্রোন ব্যবহার করে রাতে হামলা হয়। স্যাটেলাইট চিত্রগুলোয় দেখা যায়, আক্রমণের পর রাশিয়া নভোরোসিস্ক বন্দরে নৌবহরের বেশিরভাগ অংশ আরো পূর্বে সরিয়ে নিয়েছে। তবে ইউনিভার্সিটি অব বাথের প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক প্যাট্রিক বুরি বলেন, এই হামলা যুদ্ধে কৌশলগত প্রভাব ফেলবে না।