দেড় মাসে গাজা লক্ষ্য করে ইসরায়েল সেনাবাহিনী ৪০ হাজার টন বিস্ফোরক ফেলেছে বলে জানিয়েছে উপত্যকাটির সরকারি গণমাধ্যম। গতকাল রোববার (২৬ নভেম্বর) জানানো হয়, গত ৭ অক্টোবর থেকে গাজা উপত্যকায় আইডিএফের এ পরিমাণ বিস্ফোরক নিক্ষেপের স্পষ্ট লক্ষ্য হলো অঞ্চলটি বসবাসের অযোগ্য করে তোলা। খবর আনাদোলু।

গত শুক্রবার সকালে কার্যকর হওয়া ইসরাইল-হামাসের সাময়িক মানবিক বিরতির তৃতীয় দিনে মিডিয়া অফিসের প্রধান সালামা মারুফ টেলিগ্রামে দেয়া বিবৃতিতে এসব কথা বলেন।

মারুফ বলেন, ‘ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী উপত্যকায় ৪০ টন বিস্ফোরক ফেলেছে। দখলদারদের নৃশংসতা ক্যামেরার মাধ্যমে যাচাই-বাছাইয়ের পর বিষয়টি উন্মোচিত হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ইসরায়েলের ব্যবহৃত এবারের বোমাগুলো আগে কখনো ব্যবহার করা হয়নি। শতাধিক মানুষকে নিহত হওয়ার স্থানের কবর দেয়া হয়েছে। এ ধ্বংসযজ্ঞ গাজাকে বসবাসের অযোগ্য করে তোলার ইচ্ছার প্রতিফলন।

গাজায় হাজার হাজার মানুষের মৃত্যুকে ‘গণহত্যা’ বলে অভিহিত করেন তিনি। মারুফ জানান, গাজা উপত্যাকার জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ এখনো প্রয়োজনীয় সরবরাহ পায়নি। সব আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের অনুপস্থিতি স্পষ্ট।

গত ৭ অক্টোবর হামাসের হামলায় এক হাজার ২০০ ইসরায়েলি মারা যায়। অন্যদিকে ইসরায়েলের সর্বাত্মক যুদ্ধে গাজায় ১৫ হাজারের মতো ফিলিস্তিনি নিহত হন। যাদের বেশির ভাগই নারী ও শিশু। আজ সোমবার হামাস-ইসরায়েলের যুদ্ধবিরতির শেষদিন। তবে এর মাঝেও অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের হত্যা বন্ধ করেনি ইসরায়েল।