ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসকে নির্মূলের লক্ষ্য নিয়ে অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। এতে ৩৩ হাজারের বেশি মানুষের প্রাণহানি হয়েছে। যাদের মধ্যে নারী-শিশুসহ অধিকাংশই বেসামরিক নাগরিক। এমন প্রেক্ষাপটে গাজায় বেসামরিক ও মানবিক কর্মীদের সুরক্ষা নিশ্চিত না হলে মার্কিন নীতিতে পরিবর্তনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনালাপের সময় এ সতর্কবার্তা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। খবর রয়টার্স ।
সংবাদমাধ্যমটি বলছে, গত সোমবার ইসরায়েলি হামলায় ওয়ার্ল্ড সেন্ট্রাল কিচেন (ডব্লিউসিকে)-এর সাতজন কর্মী মৃত্যুর পরিপ্রেক্ষিতে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। ফোনালাপের সময় গাজায় বেসামরিক ও মানবিক কর্মীদের সুরক্ষা নিশ্চিতে ইসরায়েলকে চাপ দিতে প্রথমবারের মতো এমন হুঁশিয়ারি দিলেন বাইডেন।
এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউজ বলেছে, বেসামরিকদের ক্ষতি, মানবিক দুর্ভোগ এবং সাহায্য কর্মীদের নিরাপত্তার রক্ষায় ইসরায়েলকে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের ঘোষণা এবং সেগুলো বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট করেছেন বাইডেন।তাদের এ আলাপ প্রায় ৩০ মিনিটি স্থায়ী হয়।
হোয়াইট হাউজ আরো জানিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট স্পষ্ট করেছেন, ‘এসব বিষয়ে ইসরায়েলের নেয়া তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ মূল্যায়নের মাধ্যমে গাজার জন্য মার্কিন নীতি নির্ধারণ করা হবে।’
নেতানিয়াহু ও বাইডেনের ফোনালাপের পর একটি সংবাদ সম্মেলন করেন হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র জন কিরবি। তখন ইসরায়েল এবং গাজার প্রতি মার্কিন নীতিতে সুনির্দিষ্ট পরিবর্তন সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বিস্তারিত বলতে অস্বীকৃতি জানান ।
কিরবি বলেন, ওয়াশিংটন ‘আগামী কয়েক ঘণ্টা বা দিনের মধ্যে’ ইসরায়েলের নেয়া পদক্ষেপের ঘোষণা দেখার আশা করছে।
মার্কিন নীতিতে সম্ভাব্য পরিবর্তনের বিষয়ে জানতে চাইলে ফক্স নিউজকে নেতানিয়াহুর মুখপাত্র তাল হেনরিচ বলেছেন, ‘আমি মনে করি, ওয়াশিংটনকে এ কথাটির ব্যাখ্যা দিতে হবে।’










