ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ অব্যাহত রেখেছেন ইসরায়েলিরা। এতে অংশ নিচ্ছেন লাখো মানুষ। নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত না করা পর্যন্ত বিক্ষোভ অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তারা।

শনিবার শুরু হওয়া বিক্ষোভ ছড়িয়েছে তেল আবিব, জেরুজালেম, হাইফা, বেয়ার শেভা, সিজারিয়াসহ অন্যান্য শহরে। খবর বিবিসি। 

রোববার জেরুজালেমে এই বিক্ষোভে নেতানিয়াহুর পদত্যাগ এবং আগাম নির্বাচনের দাবিতে স্লোগান উঠেছে। একইসঙ্গে গাজায় এখনও বন্দি ১৩৪ ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্ত করার দাবিও জানানো হয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে এই বন্দিদের অনেকেই মারা গেছেন।

রোববার সংসদের বাইরে বিক্ষোভ শুরু হয় এবং পরে জেরুজালেমের একটি প্রধান সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভকারীরা। যদিও পরবর্তীতে বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দিতে গেলে পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের সাথে ধাক্কাধাক্কি হয়। সে সময় পুলিশ লাঠিচার্জ ও জলকামান ব্যবহার করে। এ সময় বিক্ষোভকারীরা নেতানিয়াহুকে যেতে হবে বলে স্লোগান দিচ্ছিলেন।

নেতানিয়াহুর দাবি,  তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি কিনা ইসরায়েলকে নিরাপদ রাখতে পারেন। অসংখ্য ইসরায়েলিরা তা বিশ্বাসও করেছিলেন। কিন্তু ৭ অক্টোবর ইসরায়েলি সীমান্তে হামাসের আক্রমণ সব চিত্র পাল্টে দিয়েছে।

নিরাপত্তা প্রধানরা প্রতিবার বিবৃতি জারি করে ব্যর্থতা স্বীকার করলেও নেতানিয়াহু কখনো দায় স্বীকার করেননি। মূলত গাজায় বন্দি জিম্মিদের ফিরিয়ে আনতে না পারাসহ নেতানিয়াহুর একের পর এক ব্যর্থতাই অসংখ্য মানুষকে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করতে বাধ্য করেছে।