ইসরায়েলের চালানো সামরিক অভিযানে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর প্রধানসহ অন্তত ২০ জন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ছিলেন আইআরজিসি-এর প্রধান হোসেইন সালামি, বিমান ও মহাকাশ বিভাগের প্রধান আমির আলী হাজিজাদে, চিফ অব স্টাফ মোহাম্মদ বাঘেরি। তেহরানে বিপ্লবী গার্ডের সদর দপ্তরেও হামলা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন। খবর রয়টার্স।
হোসেইন সালামির মৃত্যুর পর আইআরজিসির নতুন প্রধান হিসেবে মেজর জেনারেল মোহাম্মদ পাকপুরকে নিয়োগ দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। একইসঙ্গে নিহত চিফ অব স্টাফ মোহাম্মদ বাঘেরির স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন মেজর জেনারেল সাইয়্যেদ আব্দুর রহিম মোসাভি। এ ছাড়া, সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল গোলামআলি রাশিদ নিহত হওয়ার পর খাতামুল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের নতুন প্রধান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মেজর জেনারেল আলি শাদমানি।
ইসরায়েলের এ হামলায় ইরানের ছয় বিজ্ঞানীকে হত্যা করা হয়। তারা হলেন- আব্দুল্লাহ মিনৌচেহর, আহমাদ রেজা জলফাঘারি, সায়েদ আমির হোসেন ফাকহি, মোতলাবিজাদেহ, ফারেদুন আব্বাসি ও মোহাম্মদ মেহেদি তেহরানচি।
শুক্রবার ভোরে ইরানে পাঁচ ধাপে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। অজ্ঞাত এক সামরিক কমকর্তা টাইমস অব ইসরায়েলকে জানিয়েছেন, ইরানের অন্তত আটটি স্থানে (শহরে) লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, এই সামরিক অভিযানের নাম ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’। এর লক্ষ্য, ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র নির্মাণ প্রচেষ্টাকে রুখে দেয়া ও দেশটির সামরিক সক্ষমতা কমিয়ে আনা।
অভিযানের পরপরই পাল্টা জবাবে প্রায় ১০০টি ড্রোন ইসরায়েলের দিকে পাঠিয়েছে ইরান। দুই দেশের এমন হামলা-পাল্টা হামলা তাদের মধ্যকার সংঘাতকে এক নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে।










