সম্পদ বাড়িয়ে দেখানো নিয়ে জালিয়াতির একটি মামলায় নিউইয়র্কের এক আদালত সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ৪৬ কোটি ৪০ লাখ ডলার জরিমানা করেছিলেন। তবে সেই অর্থ পরিশোধ করতে পারছেন না সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এমন অবস্থায় এর ফলে ট্রাম্প টাওয়ার জব্দ হতে পারে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। খবর দ্যা গার্ডিয়ান।
গণমাধ্যমটি বলছে, নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল ল্যাটিশিয়া জেমস আদালতের কাছে ট্রাম্পের জরিমানা মওকুফ বা পরিশোধে বিলম্ব করার আবেদন নাকচ করার আবেদন জানিয়েছেন। এর ফলে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্টকে অবশ্যই আপিল আদালতের অ্যাকাউন্টে জরিমানা পরিশোধ করতে হবে অথবা তার পক্ষে কোনো কোম্পানিকে ওই পরিমাণ অর্থ পরিশোধের বন্ডে স্বাক্ষর করতে হবে। তবে ট্রাম্পের আইনজীবীরা বলেছেন, তাদের মক্কেল এ বিষয়ে ৩০ জনের কাছে সহযোগিতা চেয়েছিলেন। কিন্তু তারা কেউ রাজি হননি। সোমবার রাতে এক বিবৃতিতে ট্রাম্প বলেছেন, তাকে ফাঁসানোর জন্য মামলাটি করা হয়েছে। এ আকারের একটি বড় বন্ড নিশ্চিত করা বাস্তবে প্রায় অবাস্তব।
এদিকে, ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণা বিভাগ সমর্থকদের ১০ লাখ ডলার অনুদান দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে। আবেদনে ট্রাম্প টাওয়ারকে বাঁচাতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে। জরিমানার অর্থ শোধে নির্দিষ্ট তারিখের আগেই ট্রাম্পপন্থি দেশপ্রেমিকদেরকে ১০ লাখ ডলার অনুদান দিতে হবে।
প্রসঙ্গত, জালিয়াতি করে ঋণদাতার কাছে নিজের সম্পদের মূল্য বাড়িয়ে দেখানোর অভিযোগে গত ফেব্রুয়ারিতে নিউইয়র্কের একটি আদালত ট্রাম্পকে ৩৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার জরিমানা করেন। সঙ্গে রয়েছে সুদ। এতে সব মিলে তাকে ৪৬ কোটি ৪০ লাখ ডলার জরিমানা গুনতে হবে। আদালতের বিচারপতি বলেন, মোটা অঙ্কের ঋণ পেতে ট্রাম্প ব্যাংকারদের কাছে তার নিজের ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্পদের মূল্য ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে দেখিয়েছেন।










