হামাস-ইসরায়েল সংঘাতের প্রায় সাত সপ্তাহ
পর আজ শুক্রবার (২৪ নভেম্বর) থেকে প্রথমবারের মতো যুদ্ধবিরতি শুরু হয়েছে। চারদিনের
এই বিরতির প্রথমদিনে ১৩ ইসরায়েলি নারী ও শিশু জিম্মিকে মুক্তি দেবে হামাস। খবর রয়টার্স।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয়
সময় আজ সকাল ৭টা থেকে যুদ্ধবিরতি শুরু হয়। মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতার জানিয়েছে, শর্ত
ছিল হামাস ৫০ জন যুদ্ধবন্দিকে মুক্তি দেবে। বিনিময়ে ইসরায়েলের কারাগারে বন্দি দেড়শ
ফিলিস্তিনি নারী ও শিশুকে মুক্তি দিতে হবে।
গত ২২ নভেম্বর যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়
ইসরায়েল, হামাস ও যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে একাধিকবার চুক্তিতে পৌঁছার খবর প্রকাশ হলেও
ইসরায়েল অস্বীকার করে। সংঘাতের শুরু থেকেই জাতিসংঘসহ একাধিক দেশ যুদ্ধবিরতির আহ্বান
জানায়। কিন্তু তেল আবিব তাতে সাড়া দেয়নি, আর মিত্র হিসেবে এ সিদ্ধান্তে নিজেদের পক্ষে
পায় যুক্তরাষ্ট্রকে।
এদিকে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে,
যুদ্ধবিরতি কার্যকরের আগেও ইন্দোনেশিয়ান হাসপাতালে ব্যাপক বোমা হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি
বাহিনী। এ হামলায় কয়েকজন হতাহত হয়েছেন।
এদিকে আজ শুক্রবার সকালে গাজা উপত্যকার
কাছাকাছি দুটি গ্রামে সতর্কতা সাইরেন বাজায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। ওই সময় হামাস-শাসিত
ছিটমহল থেকে সম্ভাব্য রকেট হামলার বিষয়ে সতর্ক করে। তবে ওই ধরনের হামলার কোনো তথ্য
পাওয়া যায়নি।
গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে আকস্মিক হামলা
চালায় হামাস। এতে এক হাজার ২০০ জন নিহত হয়। হামাসের হাতে জিম্মি হয় ২৪০ জনেরও বেশি
মানুষ। এর পর সর্বাত্মক হামলায় ১৪ হাজার ৮০০ এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। যাদের
মধ্যে ১০ হাজারের বেশি নারী ও শিশু। এছাড়া আহত হয়েছেন ৩০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি।










