ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে
ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। ক্ষমতাসীন সমাজতান্ত্রিক পিএসইউভি পার্টির নেতা নিকোলাস
মাদুরো তৃতীয় মেয়াদের জন্য নির্বাচিত হওয়ার অপেক্ষা করছেন। ভোটকেন্দ্রগুলো
স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় বন্ধ করার কথা ছিল। তবে আরো মানুষ ভোট দিতে পারে বলে
খোলা রাখা হয় বেশ কয়েকটি কেন্দ্র।
এবার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী প্রাক্তন
কূটনীতিক এডমুন্ডো গঞ্জালেসের দিক থেকে শক্তিধালী চ্যালেঞ্জের মুখে আছেন মাদুরো। এডমুন্ডো
গঞ্জালেস এবার বিরোধী জোটের সমর্থন পেয়েছেন। বিরোধীরা তাদের সমর্থকদের ভোট গণনা
প্রক্রিয়া যাচাই করার সময় ভোটকেন্দ্রগুলোতে নজরদারি চালিয়ে যেতে বলেছে।
নির্ধারিত সময়ে বিরোধীরা ব্যাপকভাবে আশঙ্কা করছিল যে, পিএসইউভি ভোট চুরির চেষ্টা
করবে। জনমত জরিপে দেখা গেছে যে, মাদুরোর চেয়ে অনেকতাই এগিয়ে আছেন গঞ্জালেস।
কারাকাসের দরিদ্র অঞ্চলের একটি ভোটকেন্দ্রে লাইনে অনেকেই বলেছিলেন যে, তারা পরিবর্তনের জন্য ভোট দিচ্ছেন।
২০১৩ সালে প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে
মাদুরোর শাসনামলে ভেনেজুয়েলায় ঘটেছে অর্থনৈতিক ধস। এ সময়ে জিডিপি ৭০ শতাংশ হ্রাস
পেয়েছে এবং উন্নত জীবনের খোঁজে দেশ ছেড়েছেন প্রায় ৭৭ লাখ মানুষ। হেক্টর এমিলিও
ডি’আভিলিয়া নামের এক ভোটার বিবিসিকে বলেন, এই সরকার ভেনেজুয়েলাকে একটি মহান দেশ
করার জন্য সমস্ত সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু পরিবর্তে আমরা কেবল দুর্দশাই পেয়েছি।
মাদুরোর ২০১৮ সালের পুনর্নির্বাচন
ব্যাপকভাবে সমালোচিত হয়েছিল। এই নির্বাচনের ফলাফল তার পথে না গেলে তাতে কারচুপির
আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিরোধীরা নির্বাচনের আগে অনেক বাধা অতিক্রম করেছে। বিশেষ করে,
তাদের নির্বাচিত প্রার্থী মারিয়া কোরিনা মাচাদোকে প্রার্থিতার ব্যাপারে
নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। করতে নিষিদ্ধ করা
হয়েছিল। মাচাদো, যিনি বিরোধী প্রচারণার নেতৃত্বেদেয়া মাচাদো ভোটারদের মনে করিয়ে
দিয়েছিলেন যে, ভোট গণনা প্রক্রিয়াটি আইনত প্রকাশ্যে হওয়ার কথা। তিনি সমস্ত
ভেনেজুয়েলানদের ভোটকেন্দ্রে থাকার জন্য ও নজরদারি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান
জানিয়েছেন।










