চলতি বছরের নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হবে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। চার বছর আগের মতো এবারের নির্বাচনেরও প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে থাকছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে সম্প্রতি নিজের দুর্বল বিতর্কের জন্য ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন বাইডেন। নির্বাচনী দৌড় থেকে সরে যেতে তার ওপর চাপ কার্যত বেড়েই চলেছে। এমন অবস্থায় নিজের প্রার্থিতার বিষয়ে জোরালো ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন ডেমোক্র্যাটিক এ প্রেসিডেন্ট। বলেন, উত্তরাধিকারের কথা ভেবে এই নির্বাচনে আমি লড়ছি না। যে কাজ শুরু করেছিলাম, তা শেষ করার জন্য এ নির্বাচনে আমায় লড়তে হবে। কাজের গতি কমে গেছে বলে আমি মনে করি না। ওয়াশিংটনে ন্যাটো সম্মেলনের শেষ দিনে একথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। খবর এপি ও রয়টার্স।
সবশেষ ট্রাম্প সঙ্গে বিতর্কসভায় শারীরিকভাবে যথেষ্ট তরতাজা ছিলেন না বাইডেন। উত্তর দিতে দিতে কথার খেই হারিয়ে ফেলেছেন। বিতর্কসভার মধ্যে কার্যত ঘুমিয়ে পড়েছেন। পরে তিনি বলেছেন, দীর্ঘ সফরের কারণেই ওই দিন তিনি খুব সুস্থ ছিলেন না। কিন্তু বাইডেনের আচরণ দেখে ডেমোক্র্যাদের একাংশও তার বিরুদ্ধে সরব হয়েছে। বলা হচ্ছে, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দৌড় থেকে বাইডেনের সরে দাঁড়ানো উচিত। আগামী চার বছর তিনি সুস্থভাবে সরকার চালাতে পারবেন না। ট্রাম্পের প্রচারের অন্যতম বিষয় হলো বাইডেনের বয়স এবং শারীরিক অবস্থা।
এ পরিস্থিতিতে বাইডেনকে বার বার এ প্রশ্নের মুখে পড়তে হচ্ছে। ন্যাটো সম্মেলনের শেষ দিনেও সাংবাদিক বৈঠকে এ প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে বাইডেনকে। সেখানে তিনি বলেছেন, সরে দাঁড়ানোর প্রশ্নই ওঠে না। যে কাজ তিনি শুরু করেছেন, সে কাজ শেষ করতে হবে তাকে। নইলে যে আমেরিকার স্বপ্ন তিনি দেখিয়েছেন, তা অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন তিনি।
সাংবাদিক সম্মেলনে বাইডেনকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, তিনি অদূর ভবিষ্যতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুটিনের সঙ্গে কথা বলতে চান কি না। বাইডেন জানিয়েছেন, পুতিন আলোচনার পরিসর খোলা রাখেননি। তা-ই আপাতত পুটিনের সঙ্গে বৈঠকের কোনো পরিকল্পনা নেই তার। বাইডেন বলেছেন, ‘ক্রেমলিন মিথ্যে বলে।’










