জালিয়াতি মামলার রায়ে ধার্য হওয়া সাড়ে ৩৫ কোটি ডলার জরিমানা
প্রদানের জামানতকারী হিসেবে কোনো প্রাইভেট কোম্পানি খুঁজে পাচ্ছেন না সাবেক মার্কিন
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এদিকে আপিল চালিয়ে নেয়ার জন্য ট্রাম্পকে অবশ্যই আদালতে
সম্পূর্ণ অর্থ নগদ প্রদান করতে হবে অথবা একটি বন্ড প্রদান করতে হবে।
তবে বিশাল আকারের বন্ড প্রদান করা প্রকৃতপক্ষে অসম্ভব বলে
মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প। অন্যদিকে জরিমানা পরিশোধ করতে না পারলে ট্রাম্পের সম্পদ বাজেয়াপ্ত
হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ।
সাধারনত এসব ক্ষেত্রে প্রাইভেট বন্ডিং কোম্পানিগুলো অভিযুক্তের
জামানতকারী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। তারা আদালতে একটি বন্ড প্রদান করে যে অভিযুক্ত ব্যক্তি
জরিমানার টাকা সম্পূর্ণ প্রদান করবে ,যদি না করতে পারে তবে সেই দায়ভার বন্ডিং কোম্পানি
নিবে এবং জরিমানা পরিশোধ করবে। কিন্তু সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেমন
কোনো বন্ডিং কোম্পানি খুঁজে পাচ্ছেন না।
এক বিবৃতিতে, ট্রাম্প বলেন, তাকে যে বন্ড দিতে বলা হয়েছে তা কোনো কোম্পানির পক্ষেই দেয়া সম্ভব নয়।
এমনকি তার নিজের কোম্পানির মসতো বড় এবং সফল কোম্পানিরও এই বিশাল আকারের বন্ড দেয়ার
সামর্থ্য নেই। তিনি আরো বলেন, কোনো বন্ডিং কোম্পানিই এর আগে এত বড় আকারের বন্ডের কথা
শোনেও নি।
ট্রাম্পের আইনজীবীরা আদালতের ফাইলিং এ উল্লেখ করেছে, বিশ্বের
অন্যতম বৃহত্তম একটি বীমা কোম্পানির সঙ্গে ঘণ্টার পর ঘণ্টা এ ব্যাপারে আলোচনা করেছেন
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে আলোচনার শেষে তারা এই সিদ্ধান্তে উপনীত
হয়েছে যে, খুব কম কোম্পানিরই সক্ষমতা আছে এই মাত্রার বন্ড দিতে রাজি হতে পারে।
ট্রাম্পের আইনজীবীরা এর মধ্যেই অন্তত ৩০টি কোম্পানির সঙ্গে
যোগাযোগ করেছেন বলে জানান।
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্টের দুই বড় ছেলেকেও এই মামলায় মামলায় মিলিয়ন ডলার দিতে হবে।
ফেব্রুয়ারিতে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে
৩৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার জরিমানা করেছে নিউউয়র্কের একটি আদালত। নিজের সম্পদের মূল্য বাড়িয়ে
দেখানোর মাধ্যমে ঋণদাতাদের সঙ্গে প্রতারণা করার দায়ে তাকে এ জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া
তিন বছরের জন্য কোম্পানির পরিচালক হিসাবে কাজ করা বা রাজ্যের ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়াকেও
নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে অর্থ প্রদান না করা পর্যন্ত কমপক্ষে ১ লাখ ১২ হাজার ডলার করে জরিমানার সুদ প্রতিদিন জমা হচ্ছে।










