সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে দুই সেনা আহতের পর কম্বোডিয়ার সঙ্গে শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন স্থগিত করেছে থাইল্যান্ড। সোমবার (১০ নভেম্বর) বিস্ফোরণের পর থাই প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল বলেছেন, যুদ্ধবিরতির অধীনে সম্পাদিত সকল পদক্ষেপ স্থগিত থাকবে। খবর আল জাজিরা।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপস্থিতিতে গত ২৬ অক্টোবর মালয়েশিয়ায় চুক্তিটি স্বাক্ষর হয়। সীমান্তে সংঘাতের পরিপ্রেক্ষিতে হওয়া এ চুক্তির লক্ষ্য ছিল স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করা। রয়্যাল থাই আর্মি জানিয়েছে, সিসাকেত প্রদেশে মাইন বিস্ফোরণে এক সেনা গুরুতর আহত হন। আরেকজন আঘাত পান বুকে। থাই সরকারের মুখপাত্র সিরিপং আঙ্গাসাকুলকিয়াত বলেন, ব্যাংকক ‘যৌথ ঘোষণার বাস্তবায়ন’ স্থগিত রাখবে। অর্থাৎ, অক্টোবরের শেষ দিকে কুয়ালালামপুরে স্বাক্ষরিত কম্বোডিয়ার সঙ্গে শান্তি চুক্তিটি স্থগিত হলো। থাই প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল বলেছেন, যুদ্ধবিরতির অধীনে সম্পাদিত সকল পদক্ষেপ স্থগিত থাকবে। আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার প্রতি বৈরিতা আমরা যেমন ভেবেছিলাম, তেমনই আছে...কমেনি।
এর আগেও কম্বোডিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে নতুন মাইন স্থাপনের অভিযোগ করেছে থাইল্যান্ড। কম্বোডিয়ার সরকার এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। সবশেষ অভিযোগের বিষয়ে কম্বোডিয়ান সরকারের তরফ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে আল জাজিরা।
গত জুলাই মাসে দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দুই প্রতিবেশীর মধ্যে আঞ্চলিক বিরোধের কারণে পাঁচ দিন ধরে সীমান্ত সংঘর্ষ চলে। এরপর গত মাসে মালয়েশিয়ায় আসিয়ান সম্মেলনের ফাঁকে থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া যুদ্ধবিরতি সই করে। কয়েকদিনের যুদ্ধে কমপক্ষে ৪৩ জন নিহত হয় এবং সীমান্তে বসবাসকারী ৩ লাখেরও বেশি বেসামরিক লোক বাস্তুচ্যুত হয়।










