হামাস-ইসরায়েল সংঘাতের পর যুদ্ধবিরতির
প্রথম দিনে ১৩ ইসরায়েলিকে মুক্তি দিয়েছে হামাস। সঙ্গে রয়েছেন ১১ জন বিদেশী নাগরিক।
গতকাল শুক্রবার (২৪ নভেম্বর) রাতে তাদের মুক্তি দেয়া হয়েছে। এ দলে শিশু ও বৃদ্ধা রয়েছেন।
খবর বিবিসি।
হামাস ২৪ জনকে ছেড়ে দেয়ার পরপরই ৩৯
ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দিয়েছে ইসরায়েল। তাদের পশ্চিম তীরের বেতুনিয়া চেকপয়েন্টে ছেড়ে
দেয়া হয়।
কাতারের মধ্যস্থতায় ইসরায়েলি ছাড়াও
১০ থাই নাগরিক ও এক ফিলিপিনো নাগরিকের মুক্তি নিশ্চিত করেছে হামাস।
মুক্তির পর ইসরায়েল থেকে ধরা আনা জিম্মিদের
মিসরের একটি হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে স্বাস্থ্যপরীক্ষা শেষে তাদের পরিবারের কাছে
হস্তান্তর করা হয়। মুক্তিপ্রাপ্ত ইসরায়েলিদের মধ্যে ২-৯ বছরের চার শিশু ও ৮৫ বছর বয়সী
এক বৃদ্ধা ছিলেন।
প্রথম দফার মুক্তির বিষয়িটি নিশ্চিত
করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও। এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, আমরা
প্রথম দফায় জিম্মিদের সফলভাবে ফিরিয়ে এনেছি। তাদের প্রত্যেকেই এখন সমগ্র বিশ্বের প্রতিচ্ছবি।
ইসরায়েলের বাসিন্দাদের উদ্দেশ্যে করে
বলেন, আমি আপনাদের বলতে চাই আমরা সব জিম্মিদের মুক্তি নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
গত সপ্তাহে চারদিনের এ যুদ্ধবিরতির
চুক্তিতে একমত হয় হামাস ও ইসরায়েল। চুক্তিতে ৫০ জন ইসরায়েলি জিম্মির মুক্তির বিনিময়ে
দেড়শ জন ফিলিস্তিনিকে মুক্তির দাবি জানায় হামাস।
চুক্তির শর্ত অনুযায়ী মিসরের দিক থেকে
কয়েকশ ট্রাকভর্তি ত্রাণসামগ্রী গাজায় পৌঁছাবে; যার মধ্যে থাকবে ওষুধপত্র, জ্বালানি
ও খাদ্য। রাফাহ ক্রসিং দিয়ে এরই মধ্যে ত্রাণবাহী ট্রাক চলাচল শুরু করেছে।










