বয়সের কারণে সৃষ্ট শারীরিক ও মানসিক জটিলতার কারণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দৌড় থেকে সরে দাঁড়াতে বাইডেনের প্রতি তার ঘনিষ্ঠদের আহ্বান ক্রমেই বাড়ছে। এরই মধ্যে এবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে ভ্লাদিমির পুতিন বলে আখ্যা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। একই অনুষ্ঠানে তার ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসকে ‘ভাইস প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প’ বলে উল্লেখ করেন তিনি। ওয়াশিংটনে ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলনে পৃথক অনুষ্ঠানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এ কাজ করেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফের প্রতিবেদন অনুসারে, ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে জোটের সদস্য ২৩ দেশের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সেখানেই বাইডেন ইউক্রেনে রাশিয়া হামলা নিয়ে বেশ কয়েক মিনিট কথা বলেন। এরপর তিনি কথা বলার জন্য পোডিয়ামে আমন্ত্রণ জানান জেলেনস্কিকে। আর এখানেই তিনি জেলেনস্কিকে পুতিনের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেন।
বাইডেন বলেন, ‘এখন, আমি (মাইক্রোফোন) ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের কাছে হস্তান্তর করতে চাই; যার দৃঢ় সংকল্পের পাশাপাশি সাহসও আছে। ভদ্রমহিলা ও ভদ্রলোকগণ আমি প্রেসিডেন্ট পুতিনকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।’ এই বলে তিনি পোডিয়াম ছেড়ে চলে যাচ্ছিলেন। এ সময় সবাই হেসে ওঠেন।
অল্প পরেই বাইডেন আবার পোডিয়ামে ফিরে একটু আগে করা ভুল শোধরাতে মনোযোগী হন। এ সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমি পুতিনকে পরাজিত করার বিষয়ে খুব মনোযোগী ছিলাম।’ এ সময় বাইডেনকে বিব্রত অবস্থা থেকে উদ্ধার করতে স্বপ্রণোদিত হয়ে জেলেনস্কি বলেন, ‘আমি (পুতিনের চেয়ে) ভালো।’ জবাবে বাইডেন বলেন, ‘অবশ্যই আপনি অনেক ভালো।’
জেলেনস্কি-পুতিন সংক্রান্ত ঘটনার ঘণ্টা দেড়েক পর ন্যাটোরই এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের সঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে গুলিয়ে ফেলেন বাইডেন। তার কাছে জানতে চাওয়া হয়, যদি প্রয়োজন হয় তবে কমলা হ্যারিস কি তার (বাইডেনের) জায়গায় দায়িত্ব গ্রহণের জন্য যোগ্য?
জবাবে বাইডেন বলেন, ‘যদি আমি মনে করতাম যে, ভাইস প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হওয়ার যোগ্য না তাহলে আমি তাকে কখনোই বাছাই করতাম না।’ মুহূর্তেই এই বক্তব্যের ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায়।’










