সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সিতে (সিআইএ) ১ হাজার ২০০ পদ কমানোর পরিকল্পনা করেছে হোয়াইট হাউস। একই সঙ্গে ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সি (এনএসএ) সহ অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থা থেকেও হাজার হাজার কর্মী কমানো হবে। খবর এপি।
সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তার বরাতে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানিয়েছে, কংগ্রেসকে এরই মধ্যে এ পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে। ছাঁটাই কয়েক বছরের মধ্যে ধাপে ধাপে সম্পন্ন হবে। মূলত নতুন নিয়োগ বন্ধ রাখা ও স্বেচ্ছা অবসরের মাধ্যমে এটি বাস্তবায়ন করা হবে। সিআইএ জানিয়েছে, কয়েকশ কর্মকর্তা এরই মধ্যে স্বেচ্ছা অবসর নিয়েছেন।
এ নিয়ে সিআইএ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘এই পদক্ষেপগুলো সংস্থায় নতুন শক্তি সঞ্চার, উদীয়মান নেতাদের সুযোগ দেয়া এবং সিআইএকে আরো কার্যকরভাবে তার লক্ষ্য পূরণের অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার কৌশলের অংশ।’ সংস্থার পরিচালক জন র্যাটক্লিফ বলেছেন, এ পরিকল্পনা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা অগ্রাধিকারের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে নেয়া হচ্ছে।
ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্সের পরিচালক তুলসি গাবার্ডের দফতর এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য দেয়নি।
ট্রাম্প প্রশাসন খরচ সাশ্রয়ের উদ্দেশ্যে ফেডারেল কর্মসংস্থানে বড় আকারের কাটছাঁটের ঘোষণা দিয়েছিল। এরই মধ্যে এনএসএ স্বেচ্ছা পদত্যাগের প্রস্তাব পাঠিয়েছে, আর সিআইএ সম্প্রতি নিয়োগপ্রাপ্ত কিছু কর্মী ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা করছে।
এছাড়া ট্রাম্প প্রশাসন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর বৈচিত্র্য, সমতা ও অন্তর্ভুক্তি (ডিইআই) প্রকল্প বাতিল করেছে। যদিও আদালতের এক অন্তর্বর্তী নির্দেশে ডিইআই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত ১৯ কর্মীর চাকরি রক্ষা পেয়েছে আপাতত।
র্যাটক্লিফ জানিয়েছেন, সিআইএর সংস্কার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে তিনি মানব গোয়েন্দা সংস্থার ব্যবহার বাড়াতে চান এবং চীনের ওপর নজরদারি জোরদার করার পরিকল্পনা করছেন।










