হামাসের হামলার পর ইসরায়েলকে সমর্থন দিতে ভূমধ্যসাগরে দুটি রণতরী মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। আপত্তি সরাসরি যুদ্ধে না জড়ালেও বৈরী দেশগুলোকে সাবধান করতে ও ‘ইসরায়েলের নিরাপত্তা’ রক্ষায় তাদের এগিয়ে আসা।
রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে দুই রণতরীর বিবরণ এসেছে তা থেকে অনুমান করা যায়, স্রেফ যুদ্ধজাহাজ নয় নানা ধরনের যুদ্ধযান ও সরঞ্জামের গোডাউন তারা।
জেরাল্ড আর ফোর্ড ক্যারিয়ার সহায়ক জাহাজসহ গত সপ্তাহের প্রথম দিকে পূর্ব ভূমধ্যসাগরে পৌঁছায়। এ রণতরী ২০১৭ সালে সাগরের নামার অনুমতি পায়। এটি যুক্তরাষ্ট্রের সর্বাধুনিক ও বিশ্বের বৃহত্তম রণতরী। সেখানে ৫ হাজারেরও বেশি নাবিক রয়েছে।
এ রণতরীতে পারমাণবিক চুল্লি রয়েছে এবং তা ৭৫টিরও বেশি সামরিক উড়োজাহাজ ধারণ করতে পারে, যার মধ্যে এফ-১৮ সুপার হর্নেট জেট ও ই-২ হকির মতো ফাইটার এয়ারক্রাফ্ট রয়েছে।
এটিতে ক্ষেপণাস্ত্রের অস্ত্রাগার রয়েছে। যেখানে ইভলভড সি স্প্যারো ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। এটি মাঝারি-পাল্লার, এয়ার ক্ষেপণাস্ত্র যা ড্রোন ও উড়োজাহাজকে প্রতিহত করতে ব্যবহার করা হয়। এছাড়া ফোর্ডে ঘূর্ণায়মান এয়ার ফ্রেম মিসাইলটি এ জাহাজ-বিরোধী ক্ষেপণাস্ত্রকে লক্ষ্যবস্তু করতে ব্যবহার করা হয় এবং অত্যাধুনিক রাডারও রয়েছে যা এয়ার ট্র্যাফিক ও নেভিগেশন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে।
অন্যান্য সহায়ক জাহাজের মধ্যে রয়েছে টিকন্ডেরোগা-শ্রেণীর নির্দেশিত ক্ষেপণাস্ত্র ক্রুজার নরম্যান্ডি, আরলে-বার্ক-শ্রেণীর নির্দেশিত ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসকারী থমাস হুডনার, রামেজ, কার্নি ও রুজভেল্ট। এগুলো সারফেস-টু-এয়ার, সারফেস-টু-সার্ফেস ও অ্যান্টি-সাবমেরিন ওয়ারফেয়ার ক্ষমতাসম্পন্ন।










